আমার নতুন চশমা : সুবিধা অসুবিধা
দীর্ঘ সাত বছর একই পাওয়ারের চশমা ব্যাবহার করিয়া কয়েকদিন আগে কবিরাজ মশায়ের সহিত শলাপরামর্শ করিয়া একখানা নতুন চশমা বানাইলাম ঢাকাস্থ এলিফেন্ড রোড হইতে। চোখে চশমা পড়িয়া যাহা অনুভব করিলাম তাহা হইল- সব কিছুই ধক ধকা পরিষ্কার মনে হইতেছে।অনেক উজ্জল লাগিতেছে দুনিয়া-দারী। ব্যাবাক লেখা যথেষ্ট ব্যাবধান হইতেও পড়িতে পাড়িতেছি। আর সব কিছুর রং বরই উজ্জল লাগিতেছে। রাত্রিবেলা দেখিলাম সকল গাড়ির হেড লাইটের আলো কোনরুপ ছড়াইয়া ছিটাইয়া নাই। একটা নির্দিষ্ট স্থান ব্যাপিয়া আলো বিচ্ছুরিত হইতেছে। ইহা দেখিয়া নতুন করিয়া পৃথিবী অবলোকন করিতে শুরু করিলাম। সব কিছুই বড়ই সৌন্দর্য্য মনে হইতেছে।ইচ্ছা করিতেছে আরো অনেক দিন বাঁচিয়া থাকি। এতো সুন্দর পৃথিবীটা এতো দিন উপভোগ করিতে পারিনাই তাহা লইয়া মনটা একটু আক্ষেপে জড়াইয়া গিয়াছিল।
অসুবিধা : চশমাটা পড়িয়া যেইটা আবিষ্কার করিলাম তাহা হইলো; রাস্তা ঘাট সব একদিকে বাঁকা হইয়া গিয়াছে।আমার লেপটপের এক পাশ কেমন যেন চ্যাপ্টা হইয়া গিয়াছে। সিঁড়ির তাক কেমন যেনো বহুগুণ উপরে উঠিয়া গেছে । আর ছোট্ট কোন গর্ত মনে হইতেছে বিশাল এবং এক দিকে বাঁকিয়া দাবিয়া গিয়াছে। সবচাইতে মজার ব্যাপার হইলো আয়তকার কোন বস্তু আমার মনে হইতেছে সামান্তরিকের ন্যায়।
এখন, কোনো স্বহৃদয়বান ব্যাক্তি আমার এইরুপ সমস্যার সমাধান দিতে পারিলে তার নিকট চির কৃতজ্ঞ থাকিবো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

