বেলা শেষের চিহ্ন
যা কিছু পড়েছি
সব ভুলে গেছি
স্মৃতির পাতারা শাদা
সোজা কথাটাও
আজ মনে হয়
যেন দুর্জ্ঞেয় ধাঁধা
এইতো দুপুরে
পথে দেখা হলো-
দেখুন কী মুশকিল
নাম ধাম তার
চেহারা সুরত
মনে নেই একতিল
সকালের দিকে
বাজারে গিয়েছি
সওদাভর্তি থলে
‘একি! এত রাতে
কই গিয়েছিলে?’
চমকে গিন্নি বলে
কেন যে এমন
গোল বেঁধে যায়
এ কি বয়সের খেলা?
পশ্চিমে দেখি
হলুদ আকাশ
শেষ হলো বুঝি বেলা।
মমতাময়ী
প্রতিদিন শুনি
কারা যেন ডাকে
চলো আড়িয়াল বিল
দেখবে ওখানে
ডাহুকের ডুব
বালুহাঁস বক চিল
হয়ত-বা আমি
সবই ভুলে গেছি
তবু নিশ্চিত জানি
আজো ভুলি নাই
আড়িয়াল বিল
কত মিঠা তার পানি
আমার সঙ্গে
কে যাবে চলো
ওখানেই যত সুখ
ওখানে আমার
মায়ের বিছানা
মমতায় ভরা বুক
এই ভ্রমণের
শেষের প্রান্তে
শুয়ে পড়ি যদি, প্রিয়
ওখানে আমার
চিরনিদ্রার
শয্যাটি করে দিও
২৪ আগস্ট ২০১৮
ফুটনোট - ছন্দ
আগ্রহীদের জন্য এখানে এ কবিতাটির ছন্দ সম্পর্কে খুব সংক্ষেপে একটু ধারণা দিচ্ছি। কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। প্রতিটি পঙ্ক্তিতে ৩টি বড়ো পর্ব আর একটি অতি পর্ব আছে। প্রতি বড়ো পর্বে ৬ মাত্রা আর অতি পর্বে ২ মাত্রা আছে।
যা কিছু পড়েছি | সব ভুলে গেছি | স্মৃতির পাতারা | শাদা
সোজা কথাটাও | আজ মনে হয় | যেন দুর্জ্ঞেয় | ধাঁধা
দুর্জ্ঞেয়= দুর্গ্ + গেয় = ২ + ২ = ৪ (এ কবিতার জন্য এভাবেই এ শব্দের মাত্রা বিভাজন করতে হবে)
কবিতার প্রয়োজনে কোথাও কোথাও সামান্য হেরফের পরিলক্ষিত হতে পারে।
বিস্তারিত জানার/বোঝার জন্য এই লিংকটি পড়তে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



