এই পোস্টে একদা একটা ছবি যুক্ত করেছিলাম। মজলুমের কন্ঠসর কমেন্ট করেন : কইষা মাইনাস। মেয়েটার ফটো ব্লগে দেওয়ার আগে তার অনুমতি নিছেন? ফটো সরান,নইলে রিপোর্ট করতেছি। তার কমেন্টের উত্তরে এই কবিতাটি লিখেছিলাম। ০৮ আগস্ট ২০০৯। এরপর নির্ঝর নৈঃশব্দ্য আরেক কমেন্টে বলেন : এইটা কে? তার উত্তরে আরেকটা স্তবক লিখি। সব মিলিয়ে নীচের কবিতাটি দাঁড়ায়।
বান্দা তোমার নজর খোলো
ভেবে দেখো ধেয়ান করে
তুমি যা আমিও তা
আমি যা তুমিও তা
বাস আমাদের একই ঘরে
কী অমূল্য রত্ন দিলাম
চিনলি নারে দিনকানা তুই
পাথর ভেবে করলি হেলা
ছুঁড়ে দিলি পথের পরে
দেখরে পাগল অবুঝ মানিক
সিনায় সিনায় অঙ্গ রেখে
আমার গায়ে চিমটি দিলে
ব্যথা লাগে তোর গতরে
চোখের মধু দিলেন সাধু
আমি করি পেটের পুজো
আমার সাজে শামুকমালা
সাধু দিলেন মণিমাল্য
বান্দা তোমার নজর খোলো
বান্দা তোমার নজর খোলো
৮ আগস্ট ২০০৯
সুর সৃষ্টির তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২১।
এটা কবিতা হিসাবেই আমার রাফখাতায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। বছর কয়েক আগে মনে হলো, এটাতে সুর দিয়ে গান করা যায়। এতদিন চেষ্টা করি নি। আজ গানের লিরিকে চোখ বুলাচ্ছিলাম। এটাই ১ নাম্বার সিরিয়ালে। শুরু করলাম। প্রথম ট্রাই-তেই সুর মোটামুটি দাঁড়িয়ে গেল। ২য় ট্রাইতে স্বভাবতই বেটার হলো। এরপর মাত্র আরেকটা ট্রাই দিতেই সুর ফাইনাল হয়ে গেল। সুর সৃষ্টির তারিখ ০৭ ডিসেম্বর ২০২১।
এ গানটার একটা বৈশিষ্ট্য আছে। আমার বাকি সবগুলো গান (আমার জীবনের প্রথম গানটি ছাড়া, ১ম শ্রেণিতে থাকা অবস্থায়) আগে সুর সৃষ্টি হয়েছে, পরে সুরকে এগিয়ে নেয়ার জন্য লিরিক তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটাই প্রথমে লিরিক বা কবিতা হিসাবে লেখা হয়েছে, পরে তাতে সুর দেয়া হয়েছে।
গানটি শুনুন এই লিংকে ক্লিক করে : বান্দা তোমার নজর খোলো - কথা, সুর ও কণ্ঠ : খলিল মাহ্মুদ
উৎসর্গ : যিনি কখনোই আমার গান শোনেন নি
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



