“রাজনৈতিক ব্যবস্থা দুর্বৃত্তায়ন এবং বাণিজ্যিকীকরণের প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে গেছে। ভয়-ভীতি বা সুবিধা দেয়ার নামে রাজনৈতিক দলগুলো অস্বচ্ছভাবে দলীয় তহবিল সংগ্রহ করে।”
“দেশের সব ক্ষমতাসীন দলই জনস্বার্থের নামে দলীয় স্বার্থের সম্প্রসারণে জনগণের সম্পদের ওপর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যেন গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হয়, সে জন্য বিশদ আইনী কাঠামো থাকলেও তা মান্য করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো খুবই দুর্বল।”
টিআইবি।
দেশের রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ও বাণিজ্যিকীকরণ ই নিয়ম।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা নেই।
দলের কোন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা নেই।
রাজনীতি মানেই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বলপ্রয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ, অবৈধ ক্ষমতার প্রয়োগ।
সকল ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী দফতরে কেন্দ্রীভূত। সংসদ, নির্বাহী বিভাগ এর স্তর সমুহে এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভুমিকা সাংবিধানিক, কার্যত আজ্ঞাবাহী।
এইসব দুর্বৃত্তায়ন নতুন কিছু নয়, ছিল, আছে, অনন্ত কাল চলবেও হয়ত। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ভাবে কেউ (বিশেষ করে আমাদের নাগরিক সংঘঠন ) এই নিয়ে কথা বলে না।
কেন?
উত্তর অপকটে বলা যায়,
১। উচ্ছিষ্ট ভোগ করা যাবে না।
২। রোষানলে পড়তে হবে, প্রানে মেরে ফেলা হবে।
৩। পছন্দের রাজনৈতিক দলের ক্ষতি হবে।
টিআইবি কে ধন্যবাদ। কিন্তু আমাদের নাগরিক অধিকারের কথা বিদেশী সংস্থার দেশী প্রতিনিধির কাছ থেকে শুনাও অপমানের। আমাদের আধিকার নেই, আইন আদালত থেকেও নেই, নাই কোন সত্সাযিকার নাগরিক অধিকার সংঘঠন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১৪ রাত ৩:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



