দেশের অবহেলিত সামাজিক এবং আর্থিক শ্রেণী গুলোকে সনাক্ত করে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম এর প্রসার এর জন্য রোডম্যাপ ডিফাইন করতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার সকল ধাপ কে অবইতনক করতে হবে। এখানে ছেলে মেয়ে ডিস্ক্রিমিনেশন রাখা যাবে না। উপব্রিত্ত ছেলে এবং মেয়ে উভয়কে দিতে হবে। তবে ডেটাবেইজ অনুসারে শুধু এই অবহেলিত শ্রেণী শিক্ষায় উপবৃত্তি পাবে। সমাজের উচ্চ মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত শিক্ষা উপবৃত্তি পাবে না কিন্তু অবৈতনিক শিক্ষা সুবিধা পাবেন। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হবে। এই পর্যায়কে "লাইফ স্কিল" অর্জনের ধাপ হিসেবে চিহ্নিত করে এই সময়ের মধ্যে ছাত্র ছাত্রী দের সামাজিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা, দেশপ্রেম , দায়িত্ব সচেতনা এবং কমিউনেকেশন স্কিল (বাংলা এবং উপার্জনের ভাষা হিসেবে ইংরেজি) শিখানো হবে। শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হবে যে, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মধ্যেই একজন ছাত্র উপার্জনের ভাষা হিসেবে দরকারি কমুনিকেশন -ইংরেজি লিখতে বলতে পারেন, বাংলাদেশ এর জন প্রশাসনের বেসিক ফাংশনালিটি জানেন এবং উচ্চ শিক্ষার ফাউন্ডেশন বিশেষ করে স্নাতক পর্যায়ের ব্যবসা এবং টেকনিক্যাল শিক্ষার জন্য উপযোগী হয়ে উঠেন।
নির্দিষ্ট পরিমান ভূমি নাই এইধরনের কৃষক, সম্পূর্ণ ভূমি হীন কৃষক, বস্তি বাসী, রিক্সা অয়ালা, ভাসমান শ্রমিক, ভুমি হীন উপজাতি ইত্যাদি এবং বিশেষ ভাবে গার্মেন্টস পরিবারের জন্য উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা উপকরন দেয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। ফ্রি প্রাথমিক, ফ্রি মাধ্যমিক, ফ্রি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থা, সেই সাথে ফ্রি শিক্ষা উপকরনের বন্দোবস্ত করতে হবে। শিক্ষা উপকরন হিসেবে বই, নির্দিষ্ট সংখ্যক খাতা-কলম-পেন্সিল, বছরে একটি স্কুল ব্যাগ , একটি স্কুল ইউনিফর্ম এবং একজোড়া জুতা প্রদানকে সুনির্দিষ্ট করতে হবে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর মধ্যে প্রতিটি শিক্ষার্থী কে একটি জ্যামিতি বক্স ফ্রি দেয়া যেতে পারে। এটি ক্লাস সিক্স এ উঠলেই ফ্রি বই বিতরনের সময় দেয়া যেতে পারে। ফ্রি শিক্ষা উপকরণ শিক্ষার্থী দের বাড়তি অনুপ্রেরণা দিবে, শিক্ষার প্রতি মটিভেশন আনবে।
শিক্ষার প্রাথমিক ধাপ কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় কে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নীত করতে হবে। এতে পঞ্চম শ্রেণীর পর আরেকটি স্কুল বা আরেকটি শিক্ষা ধাপে ভর্তি হবার মনস্তাত্ত্বিক বাঁধা দূর হবে। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাই শিক্ষার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে স্বীকৃত হবে।
নবম এবং দশম মাধ্যমিক শিক্ষা ধাপ এবং একাদশ এবং দ্বাদশ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা ধাপ। বরতমানের মতই থাকবে। সকম মাধ্যমিক স্কুল কে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বাধ্যতামূলক উত্তরণ করতে হবে। এতে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত একজন ছাত্র ছাত্রী কে ৩ টি র জায়গায় ২ টি মাত্র স্কুল এ ভর্তি (এনরোল) হতে হবে। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে শিক্ষা ধাপ পরিবর্তনের সময় অধিকাংশ স্টুডেন্ট ঝরে পড়ে। ২ টি ধাপ হলে কম সংখ্যক ধাপ অতিক্রমের মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি আসবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



