তুমি যদি ভালোবেসে সুখী হতে চাও, তবে ঠিকঠাক মতো মনের মানুষটিকে খুঁজে নাও। বলে দাও তাকে মনের কথা। তার হাতে তুলে দাও তোমার সঞ্চয় করা সবটুকু স্বপ্ন। দেখবে তখন জীবন হবে বিস্তৃত অরণ্যশোভিত ফুল। তবে তাই বলে যাকে-তাকে আবার মনটা দিয়ে দিও না। তাহলে দুঃখ নামক বিষাদ এসে ভেঙে তছনছ করে দেবে তোমার সাজানো স্বপ্নমালা। তখন খেই হারিয়ে ফেলবে ভালোবাসার জোড়াঠোঁটের উষ্ণ আবেগ। নদী-ফুল-পাখিও সেদিন তোমার কাছে নিকষ কালো মনে হবে। নিজের অজান্তেই তখন থমকে দাঁড়াবে জীবনের রেলগাড়ি। পৃথিবীর আলোকিত সবকিছু।
দেখেছ, কী ভাবে একদল মেঘ এসে রুপোর থালার মতো চাঁদটাকে মুহূর্তের মধ্যে ঢেকে দেয়? ভালোবাসাও কখনও মেঘ, কখনও বর্ণিল আকাশ। হারিয়ে গেলে দিতে হয় ভুলের মাশুল আর পেলে তা হয় ফুল অথবা টলটলে নদীর কূল! ভালোবাসা অনুভব করতে হয় মনোচক্ষু দিয়ে। খালি চোখে তাকে দেখা যায় না। তুমি কী মনের চোখে দেখেছ ভালোবাসা? যদি দেখে থাক; তাহলে ছড়িয়ে দাও পাখির পালকে, বাতাসের গায়ে। আর শ্রাবণে যে বৃষ্টি তা-তা থই-থই নৃত্য করতে করতে মাটির বুকে ছড়িয়ে পড়ে, তাকেও দিও কিছুটা।
জানো, ভালোবাসার ঠিকানা ভুল ছিল বলেই দমকা বাতাসে মন বারবার বাড়ি খাচ্ছিল জানলার কপাটগুলোয়। মরচে ধরে গিয়েছিল তার গ্রিল আর হলুদ রঙের পর্দাগুলোতে। অথচ আজ ভালোবাসা ভীষণ চঞ্চল। সারাক্ষণ মনের গহীনে স্বপ্নের বুনন। মন ছুটে যায় নদীর কাছে। চলে যাই ধান-সবুজের মাঠের আল ধরে দূর-বহুদূর। তারপর রেলস্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকি। কু-ঝিক-ঝিক- শব্দ শোনার জন্য। দুপুর পার করে গোধূলি আবীরমাখা পথ ধরে ফিরে আসি এক বুক কবিতার উপমা পকেটে পুরে। এখন দু'চোখ আর গভীর রাতে নীরবে কেঁদে কেঁদে বলে না_ একটু ভালোবাসা চাই। কারণ আমি এখন ভালোবাসার সপ্তম সাগর! তোমাদের কারও যদি ভালোবাসা প্রয়োজন হয়, তাহলে আমার মতো ঠিকঠাক একজন মনের মানুষ খুঁজে নাও। দেখবে জীবনটা কত সুন্দর, কত মধুর, কত আনন্দদায়ক!
ভালোবাসা আছে বলেই পৃথিবীটা এখনও এত সুন্দর! তাই তো আজকাল রাতে ঘুমোতে গিয়ে দু'চোখের পাতা এক করতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রিয়তমার মুখ। তমা যেন হাত বাড়িয়ে ডাকছে তনু, তনু বলে। বলছে_ তনু এই তনু, কী হলো, হাতটা ধর না ...
তোমরাও যদি কারও হাত ধরতে চাও তাহলে এখুনি খুঁজতে বেরিয়ে পড় তমা, প্রিয়তমাকে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



