আগের পর্ব
মধ্য প্রাচ্য
আমার ব্যক্তিগত মতামত, মধ্য প্রাচ্যে বুশ প্রশাসন যে ঝামেলা বা নিয়ন্ত্রন মুলক অভিয়ান দিয়ে শুরু করেছিল, তার শুসামাধান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নেই এবং বিশ্বের পুলিশি ভূমিকায় নেমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন সবদিক সামাল দিতে পারছে না।
একটি শক্তিশালী কিন্তু অপেক্ষাকৃত ছোট সংগঠন এক বছর বা দু বছরে গড়ে ওঠে না। এ ধরনের একটি শক্তিশালী কিন্তু অপেক্ষাকৃত ছোট সংগঠন যদি সত্যি সত্যিই শক্তিশালী সংগঠন হয় তাও এত স্বল্প সময়ে, তা হলে এর প্রতিষ্ঠা ও শক্তিশালী হয়ে ওঠার পেছনে আরও বৃহৎ শক্তির প্রত্যক্ষ ও ছায়া সহয়তা থেকে থাকে।
কিন্তু কেন এই আই এস আই এর সৃষ্টি?
আপাত দৃষ্টিতে মিডিয়া যেহেতু পশ্চিমাদের দখলে, মিডিয়া থেকে যা শুনা ও দেখা যাবে, তা থেকে সঠিক তথ্য পেতে অনেক বেগ পেতে হবে।
তাই নিজের কিছু বিশ্লষন ও ইন্টারনেট এর মাধ্যমে কিছু অনুসন্ধানমুলক তথ্য ও উপাত্ত্ব থেকে কিছু প্রতিবেদন তৈরি করা যায়।
ইরাকের পুতুল সরকার নিয়ন্ত্রন ও পরিচালনা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অনুধাবন করে যে, ইরাকের সরকার শিয়াদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে যাচ্ছে। শিয়াদের প্রতি সহানুভূতিশীল হলে লাভবান হবে ইরান। যা আবার পশ্চিমা বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত লক্ষের সংগে সংগতি পূর্ণ হয় না।
ইরাকের পুতুল সরকারের এই শিয়া প্রভাব ও জনপ্রিয়তা নিয়ন্ত্রনে রাখার লক্ষেই "আইএস" এর সৃষ্টি।
সুতরাং সহজেই অনুমান করা যায় "আইএস" এর সৃষ্টিতে রয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত লক্ষের চিন্তা চেতনা ও প্রত্যক্ষ অবদান।
আর বেওয়াকুফ মুসলমানরা নিজেদের মাঝে যুদ্ধ করলে, ফয়দা কার হবে?
"আই-এস--আই--এস" সৃষ্টির কিছু ব্লগ নিচে দিলাম
আইএস"মোসাদের" সৃষ্টি
আরেকটি সাইট
(শেষ পর্ব)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১২:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



