somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টার্ন ব্যাক !

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


টার্ন ব্যাক !
( লেখাটি চুরি হলেও সমস্যা নেই, আরো কিছু লোক তো পড়তে পারবে!)
========
ফেরদৌস
জীবনে কে না চায় নিজের একটা অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়তে, তাক লাগিয়ে দিতে চায় সমস্ত পৃথিবীটাকে শুধুই নিজের সামর্থ্য দিয়ে, নিজের জন্য একটা উঁচু মর্যাদার আসন পাকা করতে! সবকিছুর জন্যই তো প্রয়োজন শুধু একটা ‘টার্ন ব্যাকের’। যার ভালো বাংলা হতে পারে ‘ঘুরে দাঁড়ানো’। সেই ঘটনার কথা আমরা কমবেশি সকলেই জানি-নোংরা ও জীর্ণ কাপড়-চোপড়ের জন্য যে অনাথ বালকটিকে পার্কে ঢুকতেই দেয়া হয়নি সেই বালকই ঠিক তখনই সিদ্ধান্ত নিল যে, একদিন এই পার্কটি কিনে তারপরেই সে এখানে ঢুকবে। তারপর সে সিদ্ধান্তের উপর অটল থেকেই একদিন সত্যি সত্যি সমস্ত বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়ে পার্কটি সে কিনে নিল। এরপর সে পার্কের প্রধান ফটকের সামনে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিল যাতে লেখা ছিল-‘এখন থেকে যেকোন বয়সের মানুষ, যেকোন পোশাক পরে, এখানে যেকোন সময় প্রবেশ করতে পারবে।’ যেন গায়ের লোম খাড়া হওয়ার মত ঘটনা। মানুষ যতক্ষণ পর্যন্ত অসাধারণ কিছু করতে না পারে ততক্ষণ পর্যন্ত সে ভাবতেই পারেনা সে আসলে কী। একটি প্রবন্ধে পড়েছিলাম, একজন মানুষ চাইলে শুধু নিজেই স্রোতের বিপরীতে যেতে পারে না, সমস্ত স্রোতরাশিকেই উল্টো দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে যেতে পারে। পৃথিবীতে মহানায়ক যৌথভাবে খুব কমই আছে। একটি অসাধারণ ঘটনার জন্য মহানায়ক বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই একজনই দেখে আসছি আমরা। এখন আপনি বা আমি বিশ্বাস করতে পারব কিনা যে আমরা মহানায়ক! হাস্যকর লাগছে, তাই না ? ভাগ্য অনেক সময় নাকি অনেক পরিশ্রমের পরেও সহায় হয়না! মিথ্যে কথা! আপনি যে পরিকল্পনা করছেন, যদি আপনার পরিকল্পনার কোথাও ভুল না থেকে থাকে আপনি শেষ হাসি হাসবেনই।

নেপোলিয়ন ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন বিশ্ববিখ্যাত বীর হবেন। একদিন জ্যোতিষীকে হাত দেখিয়ে জানতে চাইলেন, তিনি বড় হয়ে ভুবনজয়ী বীর হতে পারবেন কিনা। জ্যোতিষী খুব মনযোগ দিয়ে হাত দেখার পরে জানালেন যে, নেপোলিয়ন কোনদিনও সেরকম কিছু হতে পারবেন না। কেননা তার হাতে সেরকম কোন রেখারই অস্তিত্ব নেই। নেপোলিয়ন জানতে চাইলেন, হাতের ঠিক কোন অংশে রেখাটি থাকার কথা ছিল। জ্যোতিষী জায়গাটি দেখিয়ে দিলেন। নেপোলিয়ন বাড়িতে ফিরে চাকু দিয়ে হাতের তালু কেটে ঐ রকমই একটি রেখা সৃষ্টি করলেন। এরপর কাটা দাগটি স্পষ্ট হলে তিনি আবার একদিন জ্যোতিষীকে জিজ্ঞেস করলেন-‘এবার দেখুন তো আমি বিশ্বখ্যাত বীর হতে পারব কিনা।’ সেদিন জ্যোতিষী শুধু হা করেই ছিলেন, মুখ দিয়ে আর কোন কথাই তার বের হয়নি। এরপর বাকীটা আমাদের জানা ইতিহাস! এখন প্রশ্ন হল আপনি বা আমি সেরকম করে জীবনে টার্ন ব্যাক বা ঘুরে দাড়াতে চাই কিনা। চাই কিনা আমায় মনে রাখুক বিশ্বমণ্ডলের মানুষগুলো! কেউ চাই, কেউ চাই কম করে, কেউ আবার চায়ই না!কীভাবেই বা সেটি হতে পারে বলুন তো ? যদি আপনি দেশের নামকরা দশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করেন-আপনার জীবনের লক্ষ্য কী? আপনি উত্তর পাবেন-ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিসিএস ক্যাডার। কেউ কেউ আবার নির্দিষ্ট করে কিছুই বলতেই পারবে না! তাই বলে আমি এগুলোর কোনটিকেই ছোট করে দেখছি না, বলতে চাইছি না যে, এগুলো থেকে মহৎ কিছু করা যায় না; শুধু বলতে চাইছি- গড়পরতাই আমরা সবাই প্রায় এই একই রকম চিন্তা করি। সেই ছোটবেলায় শেখানো তোতা পাখির বুলি। কেউ একটি বারের জন্য বলবে না, আমার জীবনের লক্ষ্য পুরো পৃথিবীটাকেই ইতিবাচকভাবে আমূল বদলে দেয়া, আগামী বিশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে আমেরিকার মত অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত করা, সকল প্রকার ক্যান্সারের ওষুধ আবিষ্কার করা বা কেউ বলবে না, আগামী পাঁচ বছর পরে আমি নোবেল পেতে চাই! কারণ ও রকম বুকের পাটা নিয়ে আমাদের কেউ চলাফেরা করে না। সেটা কদাচিৎ দু একজন যাদের আমরা পাই, কারণ সেই মহান মানুষগুলো আমাদের সারি থেকে উঠে গিয়ে নিজেদের অবিশ্বাস্য রকমের সাহসী মনে করে বলেই। তাদের নিয়ে আমরা গর্ব করি, আবার কাদা ছিটাছিটিও করি অনেক সময়।

যাই হোক টার্নব্যাক করতে চান? স্বপ্ন দেখতে চান? নিজের নামে বিশ্ব-ইতিহাস দলিল করে নিতে চান? খেয়াল করুন, আপনার শরীরের মধ্যে একধরণের উষ্ণ স্রোত ছোটাছুটি করছে। একটা অন্যরকম অনুভূতিতে আপনি যেন জেগে উঠছেন। কেন জানি মনে হচ্ছে, আপনি পারবেন। এখানে আসলেই না পারার কিছুই নেই। ‘থ্রি ইডিয়টস’ ছবিতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুর হাতে পেস্ট ঢেলে দিয়ে বলেছিল, “এভ্রিথিং ইজ পসিবল? দেখি পেস্টগুলো আবার প্যাকেটে পুরে ফেল্‌ তো?” বন্ধুটি কিন্তু সেসময় হা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল! তখন আমার মাথায় সাথে সাথে একটা বুদ্ধি এসেছিল। সেটি হল, একটা মোটা সিরিঞ্জ দিয়ে তো পেস্টগুলো আবার প্যাকেটের ভেতরে সত্যি সত্যি ঢুকানো সম্ভব। সেবার আমার কেন জানি মনে হয়েছিল, অন্তত পৃথিবীর ক্ষেত্রে “দ্য স্পীচ - ‘এভ্রিথিং ইজ পসিবল’ ইজ রিয়েলি পসিবল।” শুধু আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হবে নেপোলিয়নের মত করে, ভাবতে হবে আর দশজন সাধারণ মানুষের চাইতে একটু ভিন্নভাবে, আর পরিশ্রমী হতে পিঁপড়াদের মত!

এবার দেখুন তো, শরীর আরেকটু গরম হয়ে উঠছে কিনা নিজের প্রতি প্রবল আত্মবিশ্বাসে!গা ঝাড়া দিয়ে ফেলে দিন সকল হতাশা, পিছুটান আর অজুহাতের মত ফালতু জঞ্জাল্গুলোকে। আমি ইদানীং প্রায়ই খেয়াল করি যে, কোন কাজে সফল না হলে অজুহাত দিতেই পছন্দ করি বেশী। পরে দেখলাম, আমি আসলে অলস, ভীতু আর কাপুরুষ হয়ে গেছি। অজুহাত দেখানো আসলে কাপুরুষ আর ব্যর্থ মানুষদেরই প্রধান বৈশিষ্ট। তাই এখন কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছি অন্তত কোন কাজের ব্যর্থতার জন্য সকল দায় নিজের কাঁধে নিব কিন্তু অজুহাত দিবনা কোনমতেই। আমি যদি শেষ পর্যন্ত সফল নাও হই তাহলেও আমি স্বীকার করতে পিছপা হবো না যে-আমি আমার কাপুরুষতাকে ঝেড়ে ফেলতে পারিনি। এখন কথা হল, উৎসাহ পেয়ে কেউ কেউ প্রচণ্ড রকমের উৎসাহ নিয়ে সবকিছু শুরু করে এবং অতি মাত্রায় আবেগী হয়ে যায়। তাই কারো কারো এত আবেগে উদ্বেলিত হওয়ার পরে সে আগুনে সামান্য পানি পরলেই তা আবার নিভে যায়। সামান্য বাঁধা, সমস্যা, দুশ্চিন্তা, দায়িত্ব আসলেই সে রকম আবগে হারিয়ে যাওয়া মানুষদের সকল পরিকল্পনা জলে ভেসে যায়। সে জন্য আবেগ হতে হবে আগ্নেয়গিরির মত, সহজে বের হবেনা আড়াল থেকে; কিন্তু যখন বের হবে তখন আশেপাশের সকল কিছুকে সে আগুনে জ্বালিয়েই ছাড়বে। আর এসব কারণেই টার্ন ব্যাক করতে চাইলে আগে নিজের জীবনের খুটিনাটি বিষয়গুলো-যেগুলো আপনার আমার সেই ব্যাপক পরিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেগুলোর মধ্যে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করতে হবে।

১) বিছানা, টেবিল, বই-পত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং আসবাব-পত্র চমৎকারভাবে অল্প সময়ের মধ্যেই গুছিয়ে রাখার অভ্যাস করুন। একটি বইয়ে পড়েছিলাম-‘যার আসবাব-পত্র অগোছালো সে আসলে মানসিকভাবে অসুস্থ। কথাটাও আসলে সত্যি! আর আপনার চারপাশটা গোছানো দেখলে আপনার কী রকম ভালো লাগে তাও খেয়াল করুন। দেখবেন, আপনি যা করতে চান তার জন্য আপনার পরিবেশই আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে!
২)মিছে মায়া, আলেয়ার হাতছানি-ইত্যাদি বদ-অভ্যাস বা নেশা টাইপের জিনিসগুলো-যেগুলো থেকে আপনার লক্ষ্যের জন্য কোন ফায়দা পাবেন না – সেগুলো খুব খুব দ্রুত ত্যাগ করুন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মানিত গভর্নর ড. আতিউর রহমান এক অনুষ্ঠানে আমাদের বলেছিলেন-“জীবনে একটি সেকেন্ডও এমনভাবে ব্যয় করবে না যার কোন উপযোগিতা নেই।” কী চমৎকার কথা, তাই না ?
৩) যে ধরণের বিষয়ে বিষয়ে সফল হতে চান, সেই ধরণের বিষয়ে সফল ও মহৎমানুষদের সাহচর্যে, দীক্ষার ছায়ায় ও বৃত্তে নিজেকে প্রবেশ করান।কয়লাও নাকি হীরার সাহচর্যে এসে কয়লার খণ্ড থেকে ধীরে ধীরে হীরাই হয়ে যায়!
৪)যখনই কোন বিপদ বা বাঁধা আসবে, তখনই খেয়াল করুন-আপনি আপনার লক্ষ্যের উপর কতটুকু টিকে থাকতে পারছেন। কারণ এটাই আপনার আমার ‘রিয়েল টাইম এক্সাম’!
৫) আজ সময়ের অভাবে আর কিছুই লিখছি না। কারণ আর কিছুক্ষণ পরে আমাকেও আমার লক্ষ্যের উপর কাজ করতে হবে তো। ভার্সিটি লাইফের যে রুমটিতে সর্বশেষ ছিলাম তার ভেতরে দেয়ালে সুন্দর করে একটা অসাধারণ কোটেশন লিখে রেখেছিলাম তার সুত্র ছাড়াই- “ You are your problem and you are your solution.” অর্থাৎ আমিই আমার সমস্যা আর আমিই আমার সমাধান। তাই আমাকেই আগে গড়ে নিই।
একজন অন্ধ মানুষ ‘ব্রেইল’ নিজেই যদি সমস্ত অন্ধ মানুষদের জন্য ব্রেইলী পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে পারে, আমরা সুস্থ-সবল মানুষগুলো শুধু নিজের ভাগ্যটাকেই কেন পরিবর্তন করতে পারবো না? কেন পারবো না আমি সুদ্ধ পুরো পৃথিবীটাকেই বদলে দিতে?

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:১৯
৫টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×