গোলাপের পাপড়ি বেয়ে টুপটুপ পানি পড়ছে।
আমি হাতে একটা গোলাপ আর মনে বেশ খানিকটা আশা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। রাগ ভাঙ্গানোর জন্য বৃষ্টি নিশ্চয়ই খুব বাজে সময়। এখন বাজছে তিনটা। আকাশটা নিশ্চয়ই আমার মনে মতো ফুটো হয়ে গেছে। জানালার দিকে তাকিয়ে থাকার গুরুদায়িত্ব থেকে চোখ একটু অবসর নিয়ে মাঝেসাঝে আশেপাশে তাকাচ্ছে। রাস্তায় অনেকখানি পানি জমে গেছে। জুতা হাতে নিয়ে হাটছে স্কুল থেকে ফেরা ছেলেমেয়েগুলো। এক রিকশাওয়ালা ছাউনি ফেলা দোকানে বসে খুব আয়েশে চা টানছে। এক দিনের জন্য সেই তো রাজা। রাস্তার কিছু ভাসমান ছেলেরা অবশ্য পানি ছিটাছিটি করে ভীষণ ফূর্তিতে আছে। আজকের এই রাস্তাই তাদের ওয়াটার কিংডম।
অহনা কি করছে এখন ? কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে ভাজ করে রাখা পাতাটা খুলে কবিতার বইটা ধরেছে নাকি আবারো! নাকি কান গুজে দিয়েছে বৃষ্টি সম্রাট রবীন্দ্রনাথের সুরের আশ্রয়ে! নাকি এখনো আমার গায়ে অভিমানের ঢিল ছুড়ে চলেছে মনে মনে। বৃষ্টিভেজা বিকালগুলো অভিমানের, ভুল নেই তাতে।
গোলাপটা ভিজতে ভিজতে কেমন নুয়ে পড়েছে। আমি সন্দিহান দৃষ্টিতে গোলাপের দিকে তাকাচ্ছি, সেও কি অভিমান করে বসলো আমার উপর। গোলাপের মধ্যে স্ত্রী পুরুষ আর প্রেমের ব্যাপার থাকলে পুরুষ গোলাপ স্ত্রী গোলাপের রাগ ভাঙ্গাতো কি করে কে জানে। কি ফুল নিয়ে যেত?
তোমার অভিমান অনেকটা শিলা বৃষ্টির মতো। ভীষণ আঘাত করে আবার স্নিগ্ধতায় মন ভিজিয়েও দেয়। কাল তোমার অভিমানে ভিজেছি, আর আমাকে ভিজিয়ে চলেছে মেঘ ঝরা বৃষ্টি। কাকেরা আমাকে এই মুহুর্তে দেখলে একে অপরকে দেখে বলবে, ‘তুইতো অমিতভেজা হয়েছিস’। আচ্ছা অহনা কি আজকের বৃষ্টিটা দেখবে না একবারও! অন্যদিন কি উচ্ছ্বাস তার বৃষ্টি নিয়ে, আজ কি আমার অভিমান বৃষ্টির উপর দিয়েও গেল তাহলে ?
আমি দাড়িয়েই আছি। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামুক। ভিজিয়ে চলুক বৃষ্টি আজ পুরো আত্মা। ধুয়ে যাক সব অভিমান। অভিমানের তীব্র রোদে বৃষ্টির ছিটেফোঁটা প্রেমের রংধনু হয়ে যাক আকাশে!
বৃষ্টিতে চশমার কাচ যথেষ্ট ঘোলা হয়ে না থাকলে আমি তখনই দেখতাম, অহনা নেমে এসেছে। একটা বেগুনি ছাতা নিয়ে এগিয়ে আসছে আমার দিকে। আমি তখনো সীমাহীন অপেক্ষা নিয়ে জানালার দিকে তাকিয়ে আছি। যতটা অপেক্ষা নিয়ে বৃষ্টির আশায় তাকিয়ে থাকে গ্রীষ্মের দাবদাহে একদল ক্লান্ত পথিক। জানালার কাচের আড়াল থেকে দিব্যি সব দেখা যায়, এটুকু কেন যে সবসময় মনে পড়েনা।
বৃষ্টি বেড়েই চলেছে। আজ বোধ হয় মন ভেজানো বৃষ্টি, মন না ভিজিয়ে বৃষ্টির থামবে না।
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।