somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টাইমস অব ইন্ডিয়ার দাবী তারেক রহমান ভারতবিরোধী কার্যক্রমে আইএসআই এর সহযোগী ছিলেন। :-/ :-/

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মূল খবরের লিংক পাবেন এইখানে।

বঙ্গানুবাদঃ
সাবেক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বিএনপির শাসনামলে শুধু বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাজনীতিবিদ এর মধ্যে একজন ছিলেন না , তিনি দেশের পূর্বপ্রান্তিক অংশ থেকে ভারতবিরোধী কার্যক্রম পূরণকল্পে আইএসআই এর প্রধান ব্যক্তি বিবেচিত ছিলেন।

এই মামলার সাথে জড়িত অনেক গ্রেপ্তারকৃত ও জিজ্ঞাসাবাদ্কৃতদের মতে ২০০৪ সালের আপ্রিল মাসে যে আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চট্টগ্রামে আনা হয় তা ভারত্বিরোধী এবং পুর্বাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মাধ্য্মে ভারতের অভ্যন্তরে ব্যপক রক্তপাতের উদ্দেশ্যেই করা হয়েছিলো।

আরো শত শত ষড়যন্ত্রের মধ্যে এটা ছিলো তেমন একটা যাতে শুধু তারেক রহমান নয়, বাংলাদেশ গয়েন্দা সংস্থার তখনকার কিছু উচ্চ্পদস্থ কর্মকর্তা, উলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়া এবং মাফিয়া সম্রাট দাউদ ইব্রাহীম।

বস্তুত তারেক-উলফা-আই এস আই এর এই সিন্ডিকেট এর কথা বাংলাদেশের ই কিছু উচ্চ্পদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তা যাদেরকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিলো, তাদের বিবৃতির মাধ্যমে সামনে চলে আসে

এন এস আই এর সাবেক মহা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোঃ আব্দুর রহিম ও সাবেক পরিচালক (নিরাপত্তা ) উইং কমান্ডার (অব.) সাহাবুদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সি আই ডি ও অন্যান্য সংস্থা কে জানান , তারেক এর সাহায্যে আই এস আই ভারতের আসাম ও অন্যান্য পুর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে সন্ত্রাস্বাদী হামলা চালিয়ে ভারতে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃস্টির পরিকল্পনা করে।

সাহাবুদ্দিন আরো জানান তারেক তার নিকট বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াসউদ্দিন আল মামুন কে নিয়ে ২০০৪ সালের এপ্রিলে দুবাইয়ের হোটেলে একটি মিটিং করে যেখানে ভারত বিরোধী সেই ষড়যন্ত্রের বিশদ পরিকল্পনা চুড়ান্ত করা হয়। গোয়েন্দা সুত্র আরো জানায়, বৈঠকটি আই এস আই এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় যেখানে পাকিস্তানের কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং দুবাই ভিত্তিক একটি কোম্পানির মালিক ও মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

একটি বাংলাদেশী আদালতে সাহাবুদ্দিনের স্বীকারুক্তি অনুযায়ী, অস্ত্র চোরাচালান পরিকল্পনা সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য এনএসআই মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিমের বাড়িতে একটি সভায় প্রকাশ করা হয়।
অন্যদের মধ্যে , মিটিংয়ে দুবাই ভিত্তিক কোম্পানীর দুই কর্মকর্তারা উলফা কমান্ডার ইন চিফ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকায় তত্কালীন পাকিস্তানের হাই কমিশনার মানজার শরীফ ওই সভায় সক্রিয় ভাবে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশী গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের রাজনৈতিক শাখার মাধ্যমে উত্তর পুর্বাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে সব্সময় যোগাযোগ রক্ষা করে চলতো। মেজর জিয়া বাংলাদেশে ডি জি এফ আই গঠন করেন পাকিস্তানের আই এস আই য়ের সাবেক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) আব্দুল জিলানী খান এর মত এবং আই এস আই এর আদলেই। জিলানী ছিলেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে জিয়ার কমান্ডার এবং যে ছিলো রাশিয়ান্দের বিরুদ্ধে আই এস আই এর অভিযানে একজন কর্তাব্যাক্তি।

এই ডি জি এফ আই এবং এন এস আই ২০০১ এর শেষ দিক থেকে সক্রিয়ভাবে উলফাকে অস্ত্র সরবরাহ করা শুরু যেই বছর বি এন পি জামাত ক্ষমতায় আসে। তখন থেকেই তারেক এবং তার বন্ধু পরেশের ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে। তারেক শুধু বড়ুয়াকে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ব্যবসা শুরু করতেই সাহায্য করেনি, সে পরেশের বাংলাদেশে অবাধে চলাচল ও আই এস আই য়ের কর্মকর্তাদের দেখা সাক্ষাতের ও ব্যবস্থা করে দেয়।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এটাও বিশ্বাস করে তারেক ও সাবেক স্বরাস্ট্রমন্ত্রী লুতফুজ্জামান বাবর পরেশকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাইয়ে দেয় এবং সেই সাথে চীনের ইউনান প্রদেশে কয়েকবার অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের জন্য যাতায়াতের জন্য প্রত্যক্ষ সাহায্য করে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:৫৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিজ্ঞতা নাকি বাস্তব জ্ঞান!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮

বাস্তব অভিজ্ঞতা মানুষের জ্ঞানের পরিধি। আমার কাছে একজন গ্রামের লোক আসেন মাঝে মাঝে, শিক্ষিত নন, তিনি বহু বছর প্রবাসী ছিলেন এমন কি সেখানে জেলেও ছিলেন, তিনি এলে আমরা অনেক কথাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা ও জঙ্গী আতঙ্কের অর্থনীতিতে এক নির্বোধজীবি আত্মভোলা জাতির আয়না

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩

এক

বুদ্ধিজীবিরা নাকি জাতির বিবেক! তা সে তো ভালো কথা। কিন্তু সাধারণত যা ভালো তা যখন খারাপ তখন সাধারণত তা খুবই খারাপ। একটা জাতির সবচেয়ে মজার কিন্তু করুণতম দৃশ্য হলো তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্র ব্যর্থদের দায়িত্ব নেয় নাকি ব্যর্থতার সংজ্ঞাই রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত হয়???

লিখেছেন সুব্রত দত্ত, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪

আমাকে যারা চেনেন অথবা আমার অন্যান্য লেখা যাদের পড়া আছে তারা জানেন আমি একজন নিহিলিস্ট। একজন নিহিলিস্ট ‘রাষ্ট্রধারণা’য় বিশ্বাসী নয়। রাষ্ট্র সম্পর্কে সে উদাসীন। আমি নিজেও রাষ্ট্র সম্পর্কে উদাসীন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৫৮


দিন দিন সরকারপ্রধানের ফ্যান হয়ে যাচ্ছি। তাঁর চলাফেরা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা দেখে মানুষ বলতে শুরু করেছে, এ যেন আরেক জিয়া। আর “I have a plan” কথাটার অর্থ এত... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্ব রাজনীতি, ক্ষমতা ও অর্থনীতির কেন্দ্রে এখন ভারত

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১২


ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Dr S. Jaishankar কথা বলছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ অন্য বিশাল ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের মন্ত্রীরা একাগ্রচিত্তে শুনছেন।

হ্যাঁ, অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমানে বিশ্বে ভারতের অবস্থান এমনই। সামরিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×