somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ক্লোন রাফা
আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

খালেদা জিয়া নাকি শেখ হাসিনা! কে কাকে হত্যা করতে চেয়েছিল?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সুপার এক্সক্লুসিভঃ খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করে মেরে ফেলেন শেখ হাসিনা – কতটুকু সত্য? খালেদা জিয়া যে মদ্যপায়ী ছিলেন এবং মদ্যপানের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি ও বৃদ্ধি ঘটিয়েছিলেন, তার প্রমাণ কী?

বেগম খালেদা জিয়ার নিম্নোক্ত রোগসমূহ ছিলঃ

০১) লিভার সিরোসিস (Liver cirrhosis)
০২) আন্ত্রিক রক্তপাত (Colonic hemorrhage)
০৩) হৃদবৈকল্য (Congestive heart failure)
০৪) রক্তশূন্যতা (Anemia)
০৫) ডায়াবেটিস (Diabetes)
০৬) ক্রনিক কিডনি রোগ (Chronic kidney disease)
০৭) আর্থরাইটিস (Osteoarthritis)
০৮) শ্বাসকষ্ট, কাশি, জ্বর ও তীব্র শারীরিক দুর্বলতা (Breathlessness, cough, fever and extreme fatigue)

সূত্রঃ

ক) http://www.bbc.com/bengali/news-59452640
খ) http://www.bbc.com/bengali/news-47944259
গ) Click This Link

প্রথমতঃ লিভার সিরোসিসের প্রধানতম কারণগুলো হলঃ

০১) দীর্ঘদিনের মদ্যপান (Chronic alcoholism) ৩০-৫০%
০২) হেপাটাইটিস বি (Hepatitis B) ২০-৩০%
০৩) হেপাটাইটিস সি (Hepatitis C) ১০-২০%
০৪) ফ্যাটি লিভার (NAFLD/MASLD) ১০-২৫%
০৫) অটোইমিউন ও কোলেস্ট্যাটিক রোগ (Autoimmune/Cholestatic disease) ৫-১০%
০৬) অন্যান্য (Drugs/toxin or vascular diseases) ৫-১০%

যেহেতু লিভার সিরোসিসের ক্ষেত্রে অ্যালকোহলিজম সবচেয়ে প্রধান কারণ তথা সকল কারণের প্রায় অর্ধেক কিংবা ৩ ভাগের ১ ভাগ অ্যালকোহলিজমের মাধ্যমে ঘটে, সেহেতু জনগণের একাংশের মধ্যে এই ধারণাটি বদ্ধমূল হয়ে পড়ে যে খালেদা জিয়া দীর্ঘকাল মদ্যপান করেছেন। ২০১০ সালে তাকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের সময় ছবি ও ভিডিওতে দেখানো হয় যে তার বাড়ি থেকে অনেক বোতল মদ পাওয়া গেছে।

অনেকে দাবি করবেন, এটি একদমই সত্য নয় বরং আওয়ামী ষড়যন্ত্র। তাহলে খালেদা জিয়ার মদ্যপানের একটি ভিডিও দেখিয়ে দেওয়া যাক।

সূত্রঃ http://www.youtube.com/watch?v=GERGJigzmKM

এবার হয়ত অনেকে দাবি করবেন, তিনি জুস পান করছেন কিংবা এটা ডিপ ফেইক কিংবা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা বানানো হয়েছে। তাহলে আরেকটি কঠিন এভিডেন্স পেশ করি।

হুমায়ুন আজাদ ১৯৯২ সালে অর্থাৎ বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার ২য় বছরেই একটি বই লেখেন যার নাম মাতাল তরণী।

সূত্রঃ Click This Link

মাতাল তরণী গ্রন্থের একদম শেষের দিকে রয়েছে একটি অধ্যায় যার শিরোনাম

‘বাঙলাদেশি গণতন্ত্রের প্রথম ও শেষ দানঃ গরিব গ্রহের সবচেয়ে রূপসী প্রধান মন্ত্রী’

এই অধ্যায়ে একদম শুরুতেই রয়েছে খালেদা জিয়ার মদ্যপানের দাবিঃ

১১৫ নং পৃষ্ঠাঃ খালেদা জিয়াকে আমি দুবার দেখেছি, দুবারই একই জায়গায়: বাইরে-বিপ্লবী, ভেতরে-স্বৈরতন্ত্রের অনুচর একটি সাপ্তাহিকের ইংরেজি নববর্ষের পানোৎসবে। খালেদা জিয়াকে দেখার মধ্যে বিশেষ সুখ আছে। ওই উৎসবটি ছিলো সুপরিকল্পিত, তাতে জড়ো করা হতো দেশের গুরুত্বপূর্ণ দেবতা ও দানবদের; তাতে একনায়কের সারমেয় আর গণতন্ত্রের বাঘেরা পরম বান্ধবের মতো গল্প করতে করতে পান করতো। সেখানে খালেদা জিয়াও আসতো।

১১৬ নং পৃষ্ঠাঃ ওই বিপ্লবী পানোৎসবে পরের বছরও আবার দেখা যায় খালেদা ও মওদুদকে। তবে তখন অবস্থান বদলে গেছে তাদের; খালেদা একদিকে, তাকে ঘিরে কয়েকটি প্রহরী, তবে গত বছরের উত্তেজিত টেরিয়ারটি নেই। এবার সে অন্যদিকে, হাতে হুইস্কির পাত্র, এবং তাকে ঘিরে তার টেরিয়ারেরা।

হুমায়ুন আজাদ কী মিথ্যা কথা লিখলেন? আসুন যাচাই করে নেইঃ

১১৮ নং পৃষ্ঠাঃ তাদের রাজনীতিতে আসার কোনো কথা ছিলো না…হাসিনা বিদেশে স্বামীর জন্য প্রাতঃরাশ তৈরি করছিলো, আর খালেদা হয়ত ভ্রূ সরু ক’রে ক’রে সময় কাটাচ্ছিলো।

হুমায়ুন আজাদের সুতীক্ষ্ণ তথা গভীর পর্যবেক্ষণের প্রশংসা করতে হয় কেননা পরবর্তীতে, এই তো কিছুদিন আগেও দেখা গেছে, খালেদা জিয়ার ভ্রূ নেই এবং কৃত্রিমভাবে সেখানে ভ্রূ আঁকা হয়েছে।

সূত্রঃ http://www.youtube.com/watch?v=q1QstcLHiR8

খালেদা জিয়ার ভ্রু-হীনতার প্রধান কারণ লিভার সিরোসিস। মেডিক্যাল টেক্সটবুকে Stigmata of chronic liver disease দিয়ে খুঁজলে পাওয়া যাবে ক্রনিক লিভার ডিজিজ/লিভার সিরোসিসের অন্যতম প্রধান একটি চিহ্ন শরীরের বিভিন্ন স্থানের চুল পড়ে যাওয়া এবং ভ্রু এক প্রকার চুল।

ভ্রু প্লাক করার প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কেমিক্যাল (সাধারণত অ্যামোনিয়াম থায়োগ্লাইকোলেট বা ফর্মিক অ্যাসিড) বেশ শক্তিশালী। যদি আনপ্রফেশনাল হাতে তথা ভুল পদ্ধতিতে কাজটি করা হয়, যদি ঘন ঘন করা হয় বা ভ্রূর চুলের অবস্থা না বুঝে করা হয়, তবে তা ভ্রূর চুল ভেঙে যাওয়া, অতিরিক্ত শুষ্কতা ও দুর্বলতার কারণ হতে পারে। এই ক্ষতি স্থায়ী হতে পারে।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসকদের মধ্যে ১জনও কখনো মিডিয়ার সামনে লিভার সিরোসিসের কারণ সম্পর্কে টু শব্দটি করেননি। আওয়ামী সমর্থকেরা যখন বারবার মদ্যপানের অভিযোগ তুলেছে, তখন ১ জন চিকিৎসকও জোর গলায় প্রতিবাদ করে এগিয়ে আসেননি এবং বলেননি – মদ্যপান নয়, খালেদা জিয়ার হেপাটাইটিস বি/সি কিংবা ফ্যাটি লিভার ডিজিজ রয়েছে।

খালেদা জিয়া সেকেন্ডারি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলেন কিভাবে? এর উত্তরঃ ক্রনিক অ্যালকোহলিজম। ক্রনিক অ্যালকোহলিজম থেকে প্যানক্রিয়াস নষ্ট হয়ে যায় এবং অগ্ন্যাশয়ের তীব্র প্রদাহ (Acute pancreatitis) সৃষ্টি হয়। এই অগ্ন্যাশয়েই বেটা ল্যাঙ্গারহ্যানস কোষে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় আর ইনসুলিন উৎপন্ন না হলে কোষে বাধাহীনভাবে গ্লুকোজ বেড়ে যায় (Hyperglycemia) তথা সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস ফর্ম করে। ফলে সব কিছু একদম সুস্পষ্টভাবে অঙ্গুলিহেলন করে যে ক্রনিক অ্যালকোহলিজম এবং তা থেকে সৃষ্ট জটিলতাসমূহের কারণেই খালেদা জিয়ার শরীর ভেঙে পড়ে।

শুধু তাই নয়, দীর্ঘকাল ধরেই খালেদা জিয়ার কানের নিচ থেকে গালের ২ পাশে ফোলা ভাব রয়েছে যা ব্যথাহীন। এটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Bilateral painless parotid gland sialoadenosis বলা হয় যার প্রধানতম কারণ ক্রনিক অ্যালকোহলিজম এবং এটি থেকে সৃষ্ট সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস।

ফলে উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটি একদম পানির মতো পরিষ্কার বা সূর্যের আলোর মতো সুস্পষ্ট যে, বেগম খালেদা জিয়া মদ্যপান করতেন। মদ্যপান থেকেই তার বাকি রোগগুলো সৃষ্টি হয় কিংবা বৃদ্ধি পায় এবং জটিলাকার ধারণ করে যার মেকানিজম নিম্নরূপঃ

আন্ত্রিক রক্তপাতঃ অ্যালকোহল সরাসরি পাকস্থলি ও অন্ত্রের মিউকোসাল লাইনিংকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং গ্যাস্ট্রাইটিস ও আলসার তৈরি করতে পারে। লিভার সিরোসিসের কারণে পোর্টাল হাইপারটেনশন সৃষ্টি হয়, যা বিপজ্জনক ভেরাইকোজ রক্তপাত (ইসোফেজিয়াল বা গ্যাস্ট্রিক ভ্যারিক্স) ও কোলোনিক রক্তপাত ঘটাতে পারে।

হৃদবৈকল্যঃ দীর্ঘমেয়াদী অ্যালকোহলিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি তৈরি করে, যেখানে হার্টের পেশী দুর্বল ও প্রসারিত হয়ে রক্ত পাম্প করতে অক্ষম হয়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট ফেইলিওরের দিকে নিয়ে যায়। এটি উচ্চ রক্তচাপও বাড়ায়, যা হার্ট ফেইলিওরের আরেকটি কারণ।

রক্তশূন্যতাঃ অ্যালকোহল ফোলেট, ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের শোষণ বাধাগ্রস্ত করার মাধ্যমে এবং অস্থিমজ্জার কর্মকাণ্ডকে সরাসরিভাবে দমন করে রক্তকণিকা তৈরিতে বাধা দেয়। এছাড়াও পেট/অন্ত্রের রক্তপাতের কারণে রক্তক্ষরণজনিত রক্তশূন্যতাও তৈরি করে।

শ্বাসকষ্ট ও কাশিঃ হার্ট ফেইলিওর (কার্ডিওজেনিক পালমোনারি ইডিমা) এবং অ্যালকোহল দুর্বল ইমিউনিটি ও অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়ার (বমি ফুসফুসে ঢোকার) উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করে।

জ্বরঃ বারবার সংক্রমণ (নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা) ও অ্যালকোহল-প্রণোদিত হেপাটাইটিসের কারণে হতে পারে।

তীব্র দুর্বলতাঃ রক্তশূন্যতা, পুষ্টির অভাব, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা ও সরাসরি পেশীর ক্ষতির (Alcoholic Myopathy) কারণে।

ডায়াবেটিসঃ অ্যালকোহল অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ (প্যানক্রিয়েটাইটিস) তৈরি করতে পারে, যা সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস-এর কারণ। এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ায় এবং ওজন বাড়িয়ে (ক্যালোরি থেকে) টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

ক্রনিক কিডনি রোগঃ অ্যালকোহল সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ডিহাইড্রেশন ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে কিডনির ওপর চাপ বাড়ায় এবং এটি জটিলাকার ধারণ করে হেপাটোরেনাল সিনড্রোমের মাধ্যমে মারাত্মক কিডনি বৈকল্য ঘটাতে পারে।

অস্টিওআর্থরাইটিসঃ ওজন বৃদ্ধি থেকে অস্টিওআর্থরাইটিস সৃষ্টি হয়। অ্যালকোহল ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়, ফলে গেঁটে বাত সৃষ্টি হয়।

মেডিক্যাল সায়েন্স ভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে তাহলে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হচ্ছে, বেগম খালেদা জিয়ার রোগসমূহের জন্য তার মদ্যপানের বদভ্যাসই হল প্রকৃত দায়ী। কোনো পদার্থের মাধ্যমে স্লো পয়জনিং করার কোনো ভূমিকা বা সংশ্লিষ্টতা নেই এখানে। এমন হলে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরাই তা ডায়াগনস্টিক টেস্ট ও ইমেজিং ভিত্তিক প্রমাণ সহকারে জনসাধারণের কাছে তা তুলে ধরতেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসকেরা জানিয়েছেনঃ হার্টের প্রস্থেটিক ভালভে ইনফেকশন (ফাঙ্গাল প্রস্থেটিক ভালভ ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস) ও সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়া (সেপসিস) থেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়েছে। ফাঙ্গাল প্রস্থেটিক ভালভ ইনফেকটিভ এন্ডো কার্ডাইটিস পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ ইনফেকশন।

সূত্রঃ http://www.youtube.com/watch?v=nxoekW2JOfg

ফলে শেখ হাসিনা দ্বারা কোনো পদার্থ কিংবা কেমিক্যাল জনিত স্লো-পয়জনিং এর মাধ্যমে মৃত্যুর কোনো প্রশ্নই নেই এখানে। একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থকেরা কতটা অশিক্ষিত ও কমনসেন্সহীন গণ্ডমূর্খ নির্বোধ প্রকৃতির হলে এমন হাস্যকর ও উদ্ভট দাবি করতে পারে – সেটা ভেবেই বিস্ময়ে হতবাক ও হতভম্ব হয়ে যেতে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪১
১১টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

খালেদা জিয়া নাকি শেখ হাসিনা! কে কাকে হত্যা করতে চেয়েছিল?

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪০



সুপার এক্সক্লুসিভঃ খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করে মেরে ফেলেন শেখ হাসিনা – কতটুকু সত্য? খালেদা জিয়া যে মদ্যপায়ী ছিলেন এবং মদ্যপানের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসল সত্য তাহলে কোনটা?

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬

আসল সত্য তাহলে কোনটা?

জাপানের ফুজি মাউন্টেন, ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ওরা এখনো বলে, শাপলা চত্বরে হেফাজতের জমায়েতে
কাউকেই নাকি হত্যা করা হয়নি।
গায়ে রং মেখে কিছু লোক ৫ মে ২০১৩... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্ষোভের দাবানলে পুড়ছে খোমেনির তখত-তাউস।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৬

ক্ষোভের দাবানলে পুড়ছে খোমেনির তখত-তাউস।
=============================
ইরান আজ আর শুধু বিক্ষোভের দেশ নয় ইরান এখন একটি ক্ষুব্ধ জাতির নাম। খামেনির নেতৃত্বাধীন মোল্লাতান্ত্রিক জঙ্গি শাসনের বিরুদ্ধে যে গণজাগরণ শুরু হয়েছে, তা কোনো হঠাৎ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা নবীজিকে ভুল ভাবে অনুসরণ করেন, তারাই দিপু দাসকে হত্যা করেছেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

ইসলাম বুঝতে আপনি কার আদর্শ বেশি অনুসরণ করবেন - নবীজির বংশধর নাকি তাঁদের বাইরের কারো? নবীজির কথা যারা ভুলে গিয়েছেন এবং আমাদের ভুলে যেতে অযাচিতভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তারাই দিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার কথা : তৃতীয় পর্বের পর

লিখেছেন সুম১৪৩২, ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩০



“আসলে উনি কে…?”
এই শিরোনামের একটি লেখা দিয়েই আমার লেখালেখির শুরু।
সামুতে।
এটার পর, আমি এই গল্পের কয়েকটা পর্ব লিখেছিলাম। মোট তিনটি । শেষ পর্বটির নাম ছিল—“পশ্চিম পাড়ার পথে”।

গল্পটার সময়কাল ১৯৯০ সাল।
রহস্য আছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×