somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কারা তালেবান ?

১৫ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ২:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

2001 সালে us আর্মি কেন আফগানে প্রবেশ করল? টুইন টাওয়ার হামলার অভিযুক্ত ওসামা বিন লাদেন কে হত্যার জন্য ? তাহলে 2011 সালে উসামা বিন লাদেনেরে মৃত্যু নিশ্চিত করার পরও কেন us আর্মি আফগান ত্যাগ করল না? তালবানকে ক্ষমতাচ্যূত করে টানা ২০ বছর যুদ্ধের পর বিশ্বের সার্বধুনিক ও তুখর সেনাবাহিনি কেন তালেবানের সাথে সমঝোতা চুক্তি করে আমেরিকা ফেরত যাচ্ছে ? আসুন আজকে আমরা তালেবানকে ফেরাস্তা জানা এবং পশ্চিমা মিডিয়ার অগ্রাসন দুই শ্রেণী থেকে বের হয়ে ঠিক মাঝ বিন্দু থেকে ব্যাপারটা দেখার চেষ্টা করি !

ভিডিও দেখুন- https://www.youtube.com/watch?v=734UMpC_Gi0

ডিসেম্বর ১৯৭৯ আফগান ক্ষমতায় আসনে ছিলেন হাফিজুল্লাহ আমিন। এসময় বিশ্বের দুই পরাশক্তির মধ্যে আইডোলজিকাল লড়াই বা কোল্ড ওয়ার চলছিল। ব্যাপারটি এমন যে এই দুইদেশ বিশ্বজুড়ে তাদের আদর্শ বিভিন্ন দেশের উপর প্রতিষ্ঠা করতে চাইছিল।এসময় আফগান প্রেসিডেন্ড কোন একটি নির্দিষ্ট দেশের উপর সামার্থন না রেখে আমেরিকা ও সেভিয়ত ইউনিয়ন উভয়ের সাথে সম্পর্ক রাখতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু এটি তুলনামূলক আমেরিকার উপর বেশি সমার্থন দিচ্ছিল। সভিয়ত ইউনিয়ন ঠিক তখনই সরাসরি সৈন্যনিয়ে প্রবেশ করল।এবং প্রেসিডেন্ট হাফিজুল্লাহ আমিনকে হত্যা করল! এর পরিবর্তে তারা সেভিয়ত পন্থী রাজনৈতিক বাবরাক কারমালকে ক্ষমতায় বসালো।

সভিয়ত আফগানে সরাসরি হস্তক্ষেপের দুইটা কারণ ছিল-
১. আফগান দিন দিন সভিয়ত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যাচ্ছে।
২.আফগান রাস্ট্রকে যদি তারা সরাসরি সভিয়ত পন্থী করতে পারে,সেক্ষেত্রে আমেরিকার বিরুদ্ধে আরও একটি দেশ সোভিয়তের দলে যুক্ত হবে।
এরপর সভিয়তের বসানো সরকার বাবরাক কারমালকে আফগান জনগন আপন করতে পারছিল না কারণ সে সরাসরি বিদেশী শক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাবরাক কয়েকটি পদক্ষেপ নেয় । ২০০০ বেশি বন্দীকে মুক্তিদেয়। অন্যান্য বিরোধী দলকে বৈধ ঘোষণা ও নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুজোগ।এবং সভিয়ত পন্থী লাল পতাকা পরিবর্তন করে কাল লাল ও সবুজ পতাকার প্রতিস্থাপন করে। কিন্তু রাশিয়া পন্থী এসরকারের বিরুদ্ধে তখন আফগানে অনেকগুলো ইসলামী সংগঠন একইসাথে লড়ছিল যাদের বলাহয় মুজাহিদিন! এরা ছোটখাটো গড়িলা যুদ্ধ করে যাচ্ছিল কিন্তু তখনও পর্যন্ত তেমন কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারে নি। এমত অবস্থায় আমেরিকা দেখলো আফগান সরাসরি সভিয়ত ইউনিয়ন সামার্থিত। তারা চিন্তাকরল সভিয়তকে শিক্ষা দেয়ার জন্য আফগান একটি চমৎকার জায়গা হতে পারে। সভিয়তের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য আমেরিকা সরাসরি মুজাহিদিনকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সমার্থন দিতে থাকলো।যাতে প্রথম থেকে পাকিস্তান ও আরব যুক্ত ছিল। এমনকি আমারিকার গোয়েন্দা সংস্থা cia এটার জন্য একটা বড় বাজেটের আপারেশন তৈরি করে যার নাম আপারেশন সাইক্লোন।

টানা নয়বছর মুজাহিদিনের সাথে যুদ্ধ ও সভিয়তের অভ্যান্তরিন অধপতনের মধ্য দিয়ে ১৯৮৯ সালে সভিয়ত তাদের সৈন্য ফেরত নেয়। এরপরও আফগান ক্ষমতায় ছিল সভিয়ত সামার্থিত নাজিবুল্লাহ সরকার।সভিয়ত সাপোর্ট দিতে থাকল নাজিবুল্লাহ সরকারকে পিছন থেকে এবং আমেরিকা মুজাহিদিনকে । সর্বশেষ ১৯৯২ সালে নাজিবুল্লাহ সরকার পতন করে মুজাহিদিনের বুরহানউদ্দিন রব্বানি ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু মুজাহিদিন বিভিন্ন সংগঠন মতাদর্শের হওয়ায় তাদের ভিতরই ক্ষমতার লড়াই হতে থাকে। এইসময় একপ্রকার গৃহযুদ্ধ শুরু হয় আফগানের ভিতর। এর দুবছর পর তালেবান নামক একটি নতুন দলের নাম ডাক শোনা যেতে লাগল। এটি ছিল মাদরাসা ছাত্রদের একটি দল।এর প্রতিষ্ঠাতা মাদরাসা শিক্ষক মোল্লা ওমর যিনি ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে তালেবান প্রতিষ্টা করে ছিলেন। আমরা যদি তালেবানের আদর্শ নিয়ে কথা বলি তাহলে এটা মূলত ভারতের দেওবন্দ আইডোলজির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। দেওবন্দ প্রতিষ্ঠা হয় ভারতে ইংরেজ বিরধী আন্দোলনের সময়। এবং ভারত স্বাধিনতায় অন্যতম ভূমিকা রাখে এই দলটি। এখনও ভারতের উত্তর প্রদেশে এটি মাদরাসা রূপে প্রতিষ্ঠিত আছে। এবং বাংলাদেশ পাকিস্থান সহ অনেকগুলো দেশের কওমী মাদরাসা দেওবন্দে আদর্শ অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠিত। ১৯৯৬ সালে তালেবান মুজাহিদিন সরকার বুরহানউদ্দিন রব্বানিকে ক্ষমতাচূত করে রাজধানি দখল করে। মুজাহিদিন সরকারের চার বছর শাষনকাল যদি আমরা পার্যালচনা করি সেট ছিল পুরোপুরি ক্ষমতার দন্দে ভরা আশান্ত আফগান। একেক এলাকায় একেক দলের ক্ষমতা ছিল।

এমত অবস্থায় তালেবানের উত্থানে আফগান জনগন কিছুটা স্বস্থি পায়। এবং তারা ক্ষমতায় আসার পর অনেক এলাকায় শন্তিও প্রতিষ্টা হয়। কিন্তু এপার্যায়েএসে কয়েকটি সমস্যা শুরু হয়। যেই আইডোলজি দন্দে সভিয়ত ইউনিয়ন ও আমেরাকি কয়েক যুগ ধরে যুদ্ধ করেছে। এবং ফাইনালি সভিয়ত ইউনিয়নকে পরাজিত করে আমেরিকার একক আইডোলজি বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্টা করতে সক্ষম হয়েছে , ঠিক এই সময় আফগানে তালেবান নতুন একটি আইডোলজি প্রতিষ্টা করছে।

দ্বিতীয় পয়েন্ট হচ্ছে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর, অনেককিছু বন্ধ করে দিল,যেটি সবচে বেশি সমালোচিত। তারা সিনেমা,টিভি,গান,ফুটবল,ক্লিন সেভ করা এবং ১০ বছরের বেশি মেয়েদের শিক্ষার সুজোগ বন্ধ করা সহ অনেক কিছু বন্ধ করেছিল। এসময় এসে দেশের অভ্যান্তরিন একটা বড় অংশ তালেবানের বিরুদ্ধে চলে যায়। এবং বহিরবিশ্বের রাস্ট্র গুলো তখন প্রায় সবই আমেরিকান আইডোলজি তথা,পুজিবাদ-গনতন্ত্রে চলমান। এমত অবস্থায় শুধুমাত্র তিনটি দেশ তালেবান সরকারকে স্বিকৃত দেয়।সৌদিআরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্থান।একটা ছোট পয়েন্ট ক্লিয়ার করে রাখি অন্য দেশ গুলো স্বিকৃতি না দেয়ার কারণ কিন্তু তালেবানের সিনেমা বা এই ধরনের বিশাল ব্যান লিস্ট ছিল না।কারণ তারা এসব ব্যান করেছে ক্ষমতায় আসার বেশ পরে। এই সময়টিতে অন্যদেশ গুলো স্বিকৃতি দিতেই পারত কিন্তু না দেয়ার সব থেকে বড় কারণ ছিল আইডোলজি । কারণ পুরো বিশ্বজুড়ে তখন শুধুমাত্র আমেরিকার একক অধিপত্য বিস্তৃত। পরে তাদের ব্যান লিস্ট স্বিকৃতি না দেয়ার একটি বলার মত কারণ হিসাবে যুক্ত হয়েছে মাত্র।

এরপর ২০০১ সাল। টুইন টাওয়ারে হামলয় অভিযুক্ত করা হয় আলকায়দা প্রধান উসামা বিন লাদেনকে । এবং আলকায়দার ঘাটি তখন তালেবান আশ্রয়ে। আমেরিকা তালেবান সরকারের কাছে উসামা বিন লাদেন কে হস্তান্তরের দাবি করে। কিন্তু আমেরিকার দাবিকে অস্বিকার করে তালেবান সরকার টুইন টাউয়ারে হামালায় উসামা বিন লাদেনের হাত আছে, তার প্রমাণ চায়। এসময় আমেরিকা বিশ্বকে বলল, আফগান এখন আলকায়দা জঙ্গীদের আখরা এবং তালেবান তাদের সহজগি এজন্য সেখানে এই জঙ্গীদের হটিয়ে শান্তি আনা প্রয়োজন তাই আমরা সরাসরি মানবতার স্বার্থে অভিজান চালাচ্ছি। এর কয়েক মাসের ভিতরেই তালেবানকে ক্ষমতাচ্যূত করা হয়। এপার্যায়ে আমেরিকা আফগানে নতুন একজন সরকার বসায়। ইতোপূর্বে সোভিয়ত ইউনিয়ন যেমনটি করেছিল। তখন সভিয়ত ইউনিয়নের সাথে লড়ার জন্য আমেরিকা ছিল,কিন্তু এই সময়ে মাঠে শুধুই আমেরিকা। ২০০১ সাল থেকে স্টিল এই সময় পর্যন্ত আমেরিকা আফগান শন্ত করার নামে তাদের মনমত সরকার বসিয়ে এবং সরাসরি us সৈন্য পাহারায় তাদের হুকুমত জারি রাখে। কিন্তু ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ডোনালট্রাম্প সরকার তালেবানের সাথে আলোচনা শুরু করে। কারণ আফগান যুদ্ধে আমেরিকার শুধুই খরচ হচ্ছে কিন্তু কোন ফায়দা হচ্ছে না। প্রায় বিশ বছরের যুদ্ধে আমেরিকার পাহার সমান অর্থ খরচ হয়েছে। একটি হিসাবে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার।

আমেরিকার এই বিশ বছর শান্তি প্রতিষ্ঠার যুদ্ধে ৪০ হাজার প্লাস সাধারণ আফগান নাগরিক নিহত হয়েছে। 64 হাজার আফগান মিলিটারি ও 3500 এর বেশি আন্তরজাতিক সেন্য মারা গেছে। টানা বিশ বছরের যুদ্ধে বলার মত এটিই শুধু অর্জন ! এবং এই মুহর্তে তালেবানের হাতে আফগানের 90% বর্ডার । আর এটা দ্রুতই বাড়ছে।

তুরুস্কের গণমাধ্যমে দেয়া তালবান মুখ পত্র সোহয়িল শাহিন এক সাক্ষাতকারে বলেন 150 টি জেলা এখন তালেবানের হাতে। এটা কোন ভাবেই সম্ভব নয় যে ৬ মাসের ভিতর 150 টি জেলা দখল নেয়া তালেবানের জন্য। আমরা যে সব এলাকায় গিয়েছি বেশিরভাগই সরকারি বাহিনি আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

এঅবস্থায় জো বাইডেন বলেন , আমি তালেবানকে তো অবশ্যই বিশ্বাস করিনা। বরং আফগান মিলিটারি 3 লাখ আর তালেবান 75 হাজারের কাছা কাছি। সো খুব স্বাভাবিক ভাবেই তালেবানকে আফগান মিলিটারি মোকাবিলা করতে পারবে। কিন্তু এতবছর যাবত সয়ং আমিরকিয়া-ই এতদিন যুদ্ধ করে গেল কিন্তু কোন ফলাফর আনতে পারল না ! আর বাস্তবতা হচ্ছে আফগান বহু সৈনকি তালেবানের সাথে যুদ্ধ করতে রাজি নয়।

এবং ফাইনালি আমেরিকা ও ন্যাটো ১১ সেপ্টম্বরের আগেই তাদের সকল সৈন্য দেশে ফিরিয়ে নিবে। আর স্বাভাবিক ভাবেই এখন ধারণা করা যায় খুব দ্রুতই তালেবান আবার আফগান ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে। বাকিটা হয়ত আমরা দেখতে পাবো সামনের দিন গুলোতে কেমন হয় অফগানের পরিবেশ।

ব্যাক্তিগত ওপেনিয়ন:
ধরুন হলিঅর্টিজানের ঘটনায় আমেরিকা আমাদের দেশে তাদের সেন্য ও শাসন প্রতিষ্ঠা করল দেশ থেকে সন্ত্রসী বিতারিত করার জন্য , আমরা কেমন বোধ করব ? আমেরিকার এটি একটি খুব সাধারণ অজুহাত অন্য দেশে ঢোকার। আমাদের দেশের গ্রাম অঞ্চলে একটা কথার প্রচলন আছে। ঘরের সমস্যা ঘরেই সমাধান করো। বাইরের কেউ ঘরের সমস্যায় ঢুকলে সেটা আর ঘর থাকে না।

দেখা হচ্ছে সামনের কোনে আলোচনায়। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ২:১২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাত কোটি বাঙালির হে মুগ্ধ জননী রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করনি‼️রবিন্দ্র নাথ সঠিক ছিলেন বঙ্গবন্ধু ভুল ছিলেন। বাঙালি আজও অমানুষ!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:১৩


১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের জনগন সহ সমগ্র বিশ্বের প্রতি যে নির্দেশনা। তা এই ভাষণে প্রতিটি ছত্রে ছত্রে রচিত করেছিলেন। ৭ই মার্চের চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ ছিলো ভাষণের নির্দেশনাগুলো! কি অবলীলায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মের শুভেচ্ছা হে রিদ্ধী প্রিয়া

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০১



জন্মের শুভেচ্ছা নিও হাজার ফুলের
শৌরভে হে রিদ্ধী প্রিয়া, তোমার সময়
কাটুক আনন্দে চির।স্মৃতির সঞ্চয়
তোমার নিখাঁদ থাক সারাটা জীবন।
শোভাতে বিমুগ্ধ আমি তোমার চুলের
যখন ওগুলো দোলে চিত্তাকর্ষ হয়
তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মা জননী

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯


তুমি আপসহীন বলে ঘুমিয়ে গেলে
শহীদ জিয়ার পাশে অশ্রুসিক্ত শুধু
বাংলার মাটিতে ধানের শীষে শীষে
তোমার নামের ধ্বনিতে গান গায়ব
আমরা শুনোবো যে দোয়েলের ঠোঁটে
তুমি চিরামলিন তোমার কর্ম আদর্শে
আমরা জাগবো লাল সবুজ পতাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মীয় শাসনের ব্যর্থতা।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১১

ধর্মীয় শাসনের ব্যর্থতা।
----------------------
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানে যে শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে, সেখানে ধর্ম কেবল ব্যক্তিগত বিশ্বাস নয় রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। কিন্তু চার দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ প্রশ্ন উঠছে:
ধর্মীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

=হাঁটি, আমি হাঁটি রোজ সকালে-মনের আনন্দে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

রোজ সকালে খুব হাঁটার অভ্যাস আমার, সকালটা আমার জন্য আল্লাহর দেয়া অনন্য নিয়ামত। হাঁটা এমন অভ্যাস হয়েছে যে, না হাঁটলে মনে হয় -কী যেন করি নাই, কী যেন হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×