ভালবাসা যেভাবে জন্মায় ও বেঁচে থাকে
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দিবাকরের সাথে অনন্যার প্রেমটা হলো রঙীন প্রেম। খুব ছোটবেলা থেকেই একসাথে ডালপালা ছড়িয়ে বেড়ে ওঠা ওদের। তবু আজও কেন জানিনা অনন্যাকে দেখলে আঁশ মেটেনা দিবাকরের। মুখের দিকে তাকালেই চুমু খেতে ইচ্ছে করে মেয়েটাকে বার বার বলতে ইচ্ছাকরে ভালোবাসি। হালে বড় হয়েছে অনন্যা। ঝুম ঝুম শব্দ করে জনঅরণ্যে হাঁটে। দেখে পাগোল হয়ে যায় দিবাকর। কোথা থেকে এমন সুমধুর আওয়াজ আসছে চিন্তা করতে গিয়ে আবিস্কার করে পায়ে নুপুর পড়েছে তার প্রিয়তমা। সেদিন থেকে ওর খুব ইচ্ছা একদিন ওই দেবীর মত পায়ে চুমু খেয়ে কানপেতে শুনবে একটা শব্দ অত সুন্দর কেন হবে। তারপর নুপুরের সাথে তাল মিলিয়ে বাজবার জন্য একটি ঝুমকো কানের কিনে দেবে। ভালবেসে কিনে দেওয়া সেই ছোট্ট উপহারটা কানে পরে তার প্রেয়সী যখন রিমঝিম বৃষ্টির মত হাঁটবে ও তখন ঘরে বসে আটটা দশটা কবিতা লিখবে তাকেনিয়ে।
অনন্যার সাথে দিবাকরের প্রথম দেখা হওয়ার দিনটাকে আজও কিছুতেই ভুলতে পারেনা দিবাকর। শহরে সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল খুব জোড়ে। ভালোবাসার বৃষ্টি কিনা কে জানে.? ওরা দুজন পাশাপাশি বসে ছিলো একটি পার্কে। ঝুম বর্ষায় অনন্যার পাশে বসে ভিজতে দারুন লাগছিলো দিবাকরের। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ ছিলোনা অনন্যার। দিবাকরকে অবাক করে দিয়ে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে দুই হাত দুই দিকে করে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভিজতে থাকে অনন্যা। দেখে দিবাকরের মনে হতে থাকে নিজেকে উজার করে দেয়। লোক লজ্জা ভুলে চিৎকার করে বলে ভালোবাসি। অনন্যা ওকে হাতের ইশারায় কাছে যেতে বলে। মন্ত্র মুগ্ধের মত দিবাকর সেদিকে এগিয়ে গেলে অনন্যা ওকে বলে, তোমাকে নিয়ে আমার গর্ব হয় তা জানো.? দিবাকর অতশত বোঝেনা। সে জানেনা পৃথিবীর শত সহশ্র বছর পুরানো অনুভূতি বিন্দু মাত্রও সত্যি হলে একজন মেয়ের কাছে তার ভালোবাসার মানুষটার মত গর্ব করবার জিনিষ আর কোনকিছু হয়না। তবু কথাটা ভীষন ভালোলাগে দিবাকরের। অন্যরকম বলতে না পারা অসহ্য সুখে ইচ্ছাকরে এক্ষুনি বিলীন হয়ে যায় আকাশে। তার উপায় নেই দেখে আসবার সময় ভালোবেসে কিনে এনেছে কুড়ি টাকার চকলেটটা এগিয়ে দেয় অনন্যার দিকে। অনন্যা সেটা হাতে নিয়ে কিছু বুঝে উঠবার আগেই হুট করে চুমু খেয়ে বসে দিবাকরকে। মাধবীলতা নরম ঠোঁটের ছোঁয়ায় নিঃশ্বাস নামক বস্তুটি প্রায় আটকে আসে দিবাকরের। কোন রকমে নিজেকে সামলে নিয়ে বোকার মত তাকিয়ে থাকে অনন্যার দিকে। দেখে মিষ্টি একটা হাসি দেয় অনন্যা। তারপর খুব আস্তে আস্তে ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে বলে, ঠিক এই মুহূর্তে এই যে তোমার ইচ্ছা করছে আমাকে ভীষন ভাবে ভালোবাসতে, এই জিনিষটাকে কোনদিন হারিয়ে যেতে দিওনা। মনের ভেতর বাঁচিয়ে রেখো বাকি জীবনের প্রতিটি দিন। জানো দিবাকর.? ভালোবাসা কে আটকে রাখতে হয় ভালোবাসার মত ভালোবেসে। তাকে ছেঁড়ে দিয়ে। ভালোবাসার থেকে বড় বিশ্বাস। তাই কখনই আটকে রেখনা আমাকে। একটু ভালোবেসো। আমিও কথা দিচ্ছি, তোমার সাথে আসছে জীবনের সমস্ত সুখ দুঃখ গুলো একই রকম ভাবে ভাগ করে নেব। কোনদিন হারিয়ে যাবনা ভুলকরে..!!
...
সৌজন্য: পৃথিবীটা তোমারি থাক
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫

১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
অর্ক, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১

আমাদের কওমি জননী সত্যি কি অসাম্প্রদায়িক? হলে কতোটা? প্রশ্ন থাকলো সবার কাছে। তেতুল হুজুর মাওলানা শফি খুব ভক্তিভরে তাকে কওমি জননী উপাধি দিয়েছিলেন। এমনি এমনি তো আর নয়। অত্যন্ত মহব্বত...
...বাকিটুকু পড়ুন
সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা...
...বাকিটুকু পড়ুনডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।
আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন