যদিও ওঠা বারণ...
কল্পনার তুলো খসে নিরাকার সব শূন্য। পাঁচ নর্তকী খেয়ে যায় শরীরে। আকাশময় শূন্যে ঁেগথে নাও মন। যদিও ওঠা বারণ; উঠে দেখো কেমন খাটো হয়ে আসে সমাজের চোখ। সম্পর্কের পিছে আপন হয়েছে অনাত্মীয়। নিভে যাওয়া মোমবাতি নিষপ্রাণ দাঁড়িয়ে টেবিলে। প্রাণিজ আগুন নিভে গেছে চিত্তের বানে_ বিনোদনে। আলি কালি কত যে ঘুরলো কাহ্ন অন্য লোকালয়ে। টাকার কাঠিতে যোগানীর যেন না ভঙে জীয়ন ঘুম । তুলো খসা চোখে কেউ কেউ নিরাকার দেখে নেয়।
আবেগে আবেগে চোখ অন্ধ হয়ে যায়
ছায়ার আমার দৈর্ঘ্য বিকৃতি ঘটে।
এক অচেনা প্রথার কাছে নত টাবু ও টোটেম_ টিকে আছে আমি।
বিন্দু অস্বীকারে অবস্থানহীন না পাওয়ার সুখ_
কিছুটা বিলীনের। চেতনার গুহামুখে ডিম পেড়েছিলো ছলনার পায়রা।
জন্ম রহস্যে আছে মৃতু্যকে উপো করা গোপন অন্ধাকার!
আমার আড়ালে আমি আছি অথবা নেই।
ও ভাই পিটুইটারি বর্ষা থামাও; আবেগে আবেগে চোখ অন্ধ হয়ে যায় ।
আধলা সময় ভেঙে পড়ে সুড়কি দানায়
আমার বিকৃত মুখ তোমার ঘোলাচেখে। প্রতিফলন। জীবিকা বদলে- বদলে গেছে চোখ। খুনের আদলে রঙ মেখেছো? অন্ধ হয়েও বেশ আছি রঙঅন্ধ চেখে। পৃথিবীর সব রঙ দেখলে অন্ধ হতে হয়। তবু বলি, যাবজ্জীবন কাতর আছি তোমার মহিমায়। চারপাশ ঘিরে ভ্রমের বসতি এবং উম্মাদনা। শিল্পকুঠুরিতে আটকে আছে নাগরিক ভোমরা-প্রাণ। কে কে আসবি কুঠর হাতে;আয়!
আধলা সময় ভেঙে পড়ে সুড়কি দানায়।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



