গত বছর 26 জুন টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় তারেক-দাউদ 'ডিল' নিয়ে প্রথম দফা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। তবে সেবার তারেক রহমানের নাম প্রকাশ না করলেও আকার ইঙ্গিতে তাকেই বোঝানো হয়েছিল। এরপর সমঙ্্রতি আনন্দবাজার পত্রিকায় তারেক রহমান ও দাউদ ইব্রাহিমের বৈঠক সংক্রান্ত আরেকটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। দুটি রিপোর্টের মূল ভাষ্য একই।
নির্বাচনের আগে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও বিস্ফোরক কেনার ব্যাপারে দুবাইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে তৎকালীন জোট সরকারের তরুণ ও সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ এবং এক উধর্্বতন কর্মকর্তার বৈঠকের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছিল ওই রিপোর্টে। টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছিল, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এ বৈঠকের আয়োজন করেছিল। এ বৈঠকের ধারাবাহিকতায় গত বছর 16 মে কুয়েতের সি-130 বিমানের একটি ফাইটে ঢাকায় প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র আসে বলে দাবি করে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।
গত 22 মার্চ আনন্দবাজার পত্রিকায় ফের তারেক-দাউদ বৈঠক এবং তারেক রহমানের আলকায়েদা কানেকশনের ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এবার আনন্দবাজার পত্রিকায় তারেক রহমান ছাড়াও সেই সামরিক কর্মকর্তার নামও প্রকাশ করা হয়েছে, যিনি দাউদ-তারেক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে ভারতীয় মিডিয়া দাবি করছে।
প্রথম দফা টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতীয় মিডিয়ার পাশাপাশি পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রিপোর্টের কথা উল্লেখ করা হলেও আনন্দবাজার জানিয়েছে, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি গোয়েন্দা রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
তারেক গ্রেফতার হওয়ার পর আনন্দবাজার পত্রিকা কেন পুরোনো এ রিপোর্টটি ফের ছাপালো, এ প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তবে যাই হোক, সরকারের উচিৎ হবে বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখা। তারেক রহমানের আলকায়েদা কানেকশনও (যদি থাকে) তদন্ত করা একন্ত প্রয়োজন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



