somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজ্ঞাপনী বাঘ যখন বেড়াল বনে গেছে

২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কিছুদিন আগে থেকে ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলো একটি কোমল পানীয়র বিজ্ঞাপন শুরু করে। বিজ্ঞাপনটিতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কয়েকজন খেলোয়াড়কে স্টেডিয়ামে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে বাঘে পরিণত হতে দেখা যায়। ক্রিকেট বিশ্বে টাইগার বলতে আমাদের একটি পরিচয় আছে, এ পরিচয়টি পুরোনো এবং প্রতিষ্ঠিত। হয়তো তাই বাঘের সঙ্গে যুদ্ধে নামার আগে নিজেদের বাঘের পর্যায়ে আনার একট প্রয়াস ছিল।
বাংলাদেশ যখন আন র্জাতিক ক্রিকেটের অঙ্গনে আসে তখন থেকেই জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রতীক ছিল রয়েল বেঙ্গল টাইাগার এমনকি দলের জার্সি এবং হেলমেটেও বাঘের প্রতিক রয়েছে। আর তাই 17 মার্চে ভারতের সঙ্গে খেলাটি ছিল অনেকাংশেই বাঘ হিসেবে বাংলাদেশের অস িত্বের প্রশ্ন। বাংলাদেশ সে জয়টা পেয়েছে। প্রথমবারের মতো যারা বাঘ সেজেছে বা সাজার চেষ্টা করেছিলেন, তাদের বোঝানো গেছে বাংলাদেশের সত্যিকার পরিচয়।
এমন একটি সময় ছির যখন আমাদের 'বাঘ' পরিচয়টি নিয়ে অনেকেই, বিশেষ করে ভারতীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন। বাংলাদেশে একটি সিরিজ তার বারবার বিভিন্ন অজুহাতে পিছিয়ে দিয়েছেন। তারা বারবার প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন বাঘ নয় আমরা এখনো বিড়ালের পর্যায়েই রয়ে গেছি। আর তাই মাঠের লড়াইয়ে প্রমাণ হয়েছে সত্যিকারের বাঘ কারা আর বিজ্ঞাপনী বাঘ কারা।
আমাদের এ বিজয়কে ভারতীয়রা আপসেট বলে অভিহিত করছেন। কিন্তু এটা তারা ভুলে গেছেন এটা একটি ধারাবাহিকতার ফল। এরই মধ্যে আমরা ইংল্যান্ডের মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছি, বিশ্বকাপের ওয়ার্ম আপ ম্যচে হাড়িয়েছি নিউজিল্যন্ডকে। আর তাই ভারতের বিরুদ্ধে আমাদের জয়টি ছিল অনেকটাই প্রত্যাশিত।
অপর দিকে ভারত প্রথম থেকেই আমাদের বিরুদ্ধে তাদের প্রপাগান্ডা চালিয়ে গেছে। বিশ্বকাপ কাভারেজের জন্য তাদের অনুষ্ঠান একস্ট্রা ইনিংসের সূচনা সঙ্গীত 'কাম প্লে'তে বাংলাদেশকে খুঁজে পাওয়া যায় না। যে জিম্বাবুয়েকে বাংলাদেশ তাদের মাটিতে সিরিজ হাড়িয়ে এসেছে তাদের দেখা যায়, কেনিয়াকে দেখা যায় এমনকি আয়ারল্যান্ডকেও দেখা গেছে সে বিজ্ঞাপনে।
17 মার্চের সে খেলার আগের দিন ইএসপিএন-এ সুনীল গাভাস্কার বলেই বসলেন, ভরতকে রান রেট বাড়ানোর জন্য খেলতে হবে। অর্থ্যাৎ আগে ব্যাটিং করলে 3 শতাধিক রান করে যতো দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশকে অল আউট করতে হবে। একইভাবে আগে বলিং পেলে দ্রুত বংলাদেশকে অলআউট করে 35-40 ওভারের মধ্যে সে রান করতে হবে। সম্ভব হলে আরো দ্রুত।
এক্সট্রা ইনিংস অনুষ্ঠানে মন্দিরা বেদী আর চারু শর্মার বক্তব্য শুনে আর আগত হাসি দেখে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা জীবনে প্রথমবারের মতো ক্রিকেট খেলছে। যখন দ্রাবিড় ব্যাটিং নিলেন তাদের ভবিষ্যতবানী ছিল ভারত 320+ রান করবে। বিরতীর সময় যখন তারা আবারো আসলেন ততনে তাদের মুখ থেকে হাসি মুছে গেছে। তারপরও তাদের বিষেদাগার থামেনি। কম রানের জন্য তারা ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বহীনতার কথা বললেন কিন্তু বাংলাদেশী বোলারদের কথা এরিয়ে গেলেন। জয়ের ব্যাপরে তখনো তারা শতভাগ আশাবাদী। আর খেলা শেষ হওয়ার পর মন্দিার দিকে তো তাকানোই যাচ্ছিলো না। বেচারা কান্ন আটকে রাখার জন্য যে প্রাণপন চেষ্টা করেছেন তা সঙ্ষ্টই বোঝা যাচ্ছিল। কোনো রকমে চারু শর্মা অুনষ্ঠান শেষ করেছেন।সূত্র: সাপ্তাহিক 2000

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×