1983 সালে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে একই কাসে ভর্তি হন গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ও তারেক রহমান। সেখানেই এ দুজনের পরিচয়। জিজ্ঞাসাবাদে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন বলেন, একই কাসে পড়ার সুবাদে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।
তারেকের সেনানিবাসের বাড়িতে মাঝে মাঝে যেতেন মামুন। যখন তারেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন, তখন প্রায় বন্ধুদের সঙ্গে মামুনের ওষুধের দোকানে যেতেন। এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যালে পূবালি ফার্মেসি নামে মামুনের একটি দোকান ছিল। স্বীকারোক্তিতে তিনি বলেন, 'তারেকের মটর সাইকেলে চড়ে প্রায়ই আমরা ঘুরতে বেরুতাম, তাদের বাসায় যেতাম। এ ভাবেই তারেকের মামা সাইদ ইস্কান্দারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।' উল্লেখ্য, তখন সাইদ ইস্কান্দার সপরিবারে তারেকের বাড়িতেই থাকতেন।
দিনে দিনে তারেক-মামুন বন্ধুত্ব আরো গাঢ় হতে থাকে। এক পর্যায়ে তারেক রহমান ও তার মামা সাইদ ইস্কান্দারের শিপিং, তোয়ালে, গার্মেন্ট ও অন্য ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে মামুন। মামুন বলেছেন, ব্যবসায়িক ঘনিষ্টতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাড়িতে যাতায়াত বাড়তে থাকে তার। 1995 থেকে 1998 সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার বাড়ির উল্টো দিকে এক বাড়িতে থাকতেন গিয়াসউদ্দিন আল-মামুন।
আওয়ামী লীগ মতায় এলে মামুনকে সেনানিবাসের বাড়ি ছাড়তে হয়। এ কারণে তিনি ুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বিএনপিকে মতায় ফিরিয়ে আনার প্রতিজ্ঞা করেন। মামুনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এ পর্যন ই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



