আমি খাওয়ার জন্য কিছু কিনতে গিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ি।
কি খাব?
কলা খাব? কার্বাইড আছে।
অন্য কোন ফল? নিশ্চিত ফর্মালিন দেওয়া।
চা???
ক্যাম্পাসের চা পাতা গুলো অধিকাংশ আজিমপুর গোরস্থান থেকে আসা। (নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া)
পেপে? তাও কার্বাইড।
মুড়ি? ইউরিয়া দিসে। চানাচুর? পোড়া মবিল দিয়ে ভেজেছে।
ডিম?
ইদানিং অধিকাংশ ডিম চায়না থেকে আসে যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরী হুবহু ন্যাচারাল ডিমের মত।
ক্যান্টিনের খাবার??
# বাজারের যত পঁচা মাছ
# মাঝে মাঝে কোন ফার্মের সস্তা দামের মরা মুরগী।
# গরুর মাংসের নামে মহিষের মাংস।
# ডাল তো না যেন ড্রেনের পানি!
ক্যাম্পাসের বাইরের লোকজন #মুচকি হাইসেন না!!!!
আপনারা ই বা কি এমন আরবের খোরমা খেজুর খান??
যে খেজুর খান তাও আরবের রাস্তা ঘাটে পড়ে থাকে মানুষ পা দিয়ে মাড়ায় সেগুলো।
এ দেশটাতে অরিজিনাল বলতে কিসসু নাই। সব দুই নম্বর।
আমি Havoc ব্রাণ্ডের বডি স্প্রে ইউজ করি পরিচিত দোকানি আমাকে বলে ভাই এটা দুই নম্বরের মধ্যে সবচেয়ে ভালটা নিয়ে যান।
একটা গল্প বলি!
এক জাপানী বাংলাদেশে মধু কিনতে গেলেন। দোকানী জিজ্ঞেস করল এক নম্বর না দুই নম্বর লাগবে??
জাপানীজ ভোদাই হয়ে গেল! মধু তো মধুই এক নম্বর আর দুই নম্বর কি?
জাপানীরা বুদ্ধিতে সেরা হলেও বোঝা উচিত দাদার ও দাদা থাকে।
এটা সোনার বাংলা!
এখানে পিতলের ক্রেস্টও সোনা হয়ে যায়। খালি প্রথম আলো কোত্থেকে জানি রিপোর্ট করে,
" ক্রেস্টের ষোল আনাই নাকি মিছে!!!!
পাদটীকাঃ
সোনা সোনা সোনা লোকে বলে সোনা!
সোনা নয় তত খাটী তার চেয়ে খাঁটি
আরও যত খাটী
বাংলাদেশের মাটিরে আমার বাংলাদেশের মাটি!
আমার জন্মভূমির মাটি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



