আমাদের নোয়াখালী শহরে আসলে দেখার কিছুই নেই।
খুবই সাধারণ ১টা শহর। ১রাস্তার শহর।
তবে বেশ কিছু হাসপাতাল আছে। ছোট এই শহরেই প্রায় ২০তির বেশী হাসপাতাল। কারন আমরা খাই বেশী... রোগেও পড়ি একটু বেশী।।
এই খাওয়া নিয়ে প্রচলিত বেশ কিছু গল্প আছে আমাদের। যেমন আমরা কোথাও দাওয়াত খেতে গেলে, খাওয়ার পরে আর নাকি অপেক্ষা করি না।জলদি চলে আসার চেষ্টা করি। কথাটা একেবারে মিথ্যা না। খাওয়ার পরে ওখানে বসে থাকার কোন মানে হয়? আপনি বলেন?
মানুষের সময়ের একটা দাম আছে না...
কথায় তো আছে “খাওয়ার আগে, আর মারামারির পরে যেতে হয়”
আমরা মনে হয় সব ব্যাপারে আমরা একটু অতিউৎসায়ি
যেমন ধরেন,
২জন মানুষের মধ্যে কোন কিছু নিয়ে বনিবনা হচ্চে না।
তারা শুধু তর্ক করেই যাচ্ছে...
এইসময় দেখবেন অতিউৎসায়ি একজন মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে যায়...২জনের কথা শুনে, এবং নিজ দায়িত্তে সমাধান করে দেন।
হতে পারে সমাধান ২জনের মনপুত না।আরে ভাই আপাতত যামেলা তো মিটল। সেটাও কয় জনে করে ।হাঁ আমরা নোয়াখ্যাইল্লারাই করি।
সব ঘটনার মাজখানে দিয়ে ডুকে যাই...হা হাঁ হাঁ
আর যদি সমস্যা নিয়ে আপনি আমাদের কাছে আসেন তাহলে তো কথাই নাই...একদম বানরের রুটি ভাগের মতো সমাধান হবে, ১০০ভাগ নিশ্চিত।।বিফলে মূল্য ফিরত।
একটা গল্প শুনেন
এক হুজুর ওয়াজ শুরু করছেন,তার আগে জেনে নিলেন এখানে নোয়াখাইল্ল্যা কেও আছে নাকি।।সবাই একবাক্কে বলল না।
হুজুর শুরু করলেন “বললেন আসমান থেকে ১টী পাতা মাটিতে পড়লে বাঘ হবে আর যদি পানিতে পড়ে কুমীর হবে। এমন সময় জন বলে ঊঠলো হুজুর পাতার অর্ধেক যদি পানিতে আর বাকী অর্ধেক যদি মাটিতে পড়ে তাহলে কি হবে?
হুজুর উত্তর দিলেন আমি আগেঈ বলছিলাম নোয়াখাইল্ল্যা থাকলে ওয়াজ করবো না।
আমরা নাকি স্বার্থপর,নিজের টা আগে বুজি...আমার প্রশ্ন হল, এমন কেও কি আছেন যে নিজের টা আগে বুজেন না???
যত দোষ, শুধু নন্দ ঘোষ। খারাপ কিছু ঘটলে আমাদের আর বরিশালের দোষ।আর বাকি বাংলাদেশ ধোয়া তুলসী পাতা।।
যাইহোক আমরা আমাদের নোয়াখ্যাইল্লা পরিচয়ে অনেক গর্বিত।
আমি সেই সৌভাগ্যবানদের ১জন যারা নোয়াখালীতে জন্মেছেন। বাংলাদেশে জন্মে আক্ষেপ থাকতে পারে, নোয়াখালী জন্মে না...।।
হা... হা... হা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



