বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপনের ফলপ্রসূতা নিয়ে যখন কর্পোরেট হাইজগুলো খুব চিন্তিত ছিল ঠিক তখনই ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ের হাতের নাগালে জনগণের সামনে সহজে ও খুবই চিহ্নিত টার্গেটে নিজেদেরকে জাহির করার ক্ষমতা নিয়ে আসে অনলাইন মার্কেটিং, বিশেষভাবে বললে ফেসবুক মার্কেটিং। সামান্য কিছু অর্থ ব্যয় করেই নিজের লোকেশনের নিজের টার্গেট মার্কেটের জন্য বিজ্ঞাপন করা তাও এমন জায়গায় যেখানে কাস্টমাররা অবশই থাকবে । বিরাট ব্যাপার, তাই না
তবে এটা যে কতবড় একটা ক্ষতি করছে সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। যেই প্রমোশনাল বাজেটের টাকা একটা সময় দেশের বিভিন্ন প্রমোশনাল সোর্সে ব্যয় করা হত এখন সেই সব টাকা চলে যাচ্ছে ফেসবুক কর্পোরেশনের কাছে। এখন স্পন্সরড বিজ্ঞাপনের চলটা কম। ধীরে ধীরে যখন যেটা বিস্তার পাবে তখন দেশের প্রোমোশন চ্যানেলগুলো বড় রকমের ধস খাবে।
চাহিদা বেড়ে গেলে ফেসবুকের প্রোমোশনের দাম আরও বেড়ে যাবে। তখন আরও টাকা বিদেশে চলে যাবে। দেশের কোটি কোটি টাকার একটা পুরো ইন্ডাস্ট্রি তখন একটা বড় কোম্পানির কাছে মুষ্টিবদ্ধ হয়ে যাবে। আফ্রিকার গরীব দেশগুলোও এর থেকে নিস্তার পাবে না।
চাইনিজ, রাশিয়ানরা ব্যাপারটা আরও আগে থেকে বুঝতে পেরেছিল মনে হয় তাই যেখানে নিজেদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কের চলটা এই কালচার তৈরি হওয়ার উঠতি সময়ই বিষয়টাকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে পেরেছে। আমাদেরও উচিত নিজেদের দেশীয় সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর হওয়া।
ফেসবুক একটা সময় থাকবে না। তখন দেখা যাবে প্রতিটা দেশেরই নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া আছে কিন্তু চাইলেই অন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মানুষের সাথে সমানভাগে যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু যখন ফাইনান্স, কালচার লেনদের ব্যাপার আসবে তখন বিধিনিষেধ থাকবে। সেদিন কবে আসবে জানি না তবে বর্তমান সময়ের জন্য আসলেই আফসস লাগবে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



