somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডেসটিনির চেয়ারম্যান-এমডিকে কেন জামিন নয়’

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সুপ্রিম কোর্ট প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দুটি মামলায় ডেসটিনির শীর্ষ দুই ব্যক্তিকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।
তারা হলেন- বিতর্কিত এই এমএলএম কোম্পানির এমডি রফিকুল আমিন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন।
দুই মামলায় ডেসটিনি-২০০০ কর্মকর্তাদের জামিন আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে রোববার বিচারপতি নিজামুল হক ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ পৃথক এই র“ল দেয়।চার সপ্তাহের মধ্যে দুদক ও রাষ্ট্রকে র“লের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে দুদকের প¶ে শুনানি করেন মো. খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপ¶ে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক। ডেসটিনির প¶ে শুনানি করেন আইনজীবী মো. বদিউজ্জামান।গত ৪ মে এই দুই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।এতে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি এবং ডেসটিনি ট্রি- প­ানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির এই মামলার প্রথমটিতে মোট আসামি ১৯ জন এবং দ্বিতীয়টিতে ৪৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রফিকুল আমিনের সঙ্গে ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হার“নুর রশীদ দুই মামলাতেই আসামি। এছাড়া আরো ১২ জন দুটি মামলায় আসামি থাকায় মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।গত জানুয়ারিতে অভিযোগপত্র অনুমোদনের পর জামিনে থাকা হার“নুর রশীদের বিষয়ে দুদক কমিশনার এম সাহাবুদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “হার“নুর রশীদ এই মানি লন্ডারিংয়ের ঘটনার পুরোটাই জানতেন।”তদš— কর্মকর্তা মোজাহার আলী আদালতে অভিযোগপত্র দেয়ার পর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ২০০৮ সাল থেকে ডেসটিনি ট্রি প­ান্টেশন প্রজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল।“এই প্রজেক্ট থেকে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। এই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী ¶তিগ্র¯— হয়েছেন।”
মাল্টি পারপাস কো-অপারেটিভ প্রজেক্টের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে।“এই প্রজেক্ট থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এতে আর্থিকভাবে ¶তিগ্র¯— বিনিয়োগকারীর সংখ্যা সাড়ে ৮ লাখ,” বলেন মোজাহার।বিনিয়োগকারীদের টাকা কিভাবে আত্মসাৎ করা হত- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি নামসর্ব¯^। আসামিরা প্রথমে প্রজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন, তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে স্থানাš—র করতেন।”তদš— করতে গিয়ে দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এ রকম ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পেয়েছেন জানিয়ে মোজাহার বলেন, এই হিসাবগুলো জব্দ করা হয়েছে।বিদেশে টাকা পাচারের প্রক্রিয়াটি কী ছিল- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মূলত হুন্ডির মাধ্যমে দুবাইয়ে টাকা পাঠানো হত। সেখান থেকে এই টাকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, হংকং ও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ব্যাংকে চলে যেত।”
ডেসিটিনির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করেছে কমিশন, যার আর্থিক মূল্য ৬৩১ কোটি টাকা।ডেসটিনির বির“দ্ধে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মামলা দুটি করে দুদক। প্রায় দুই বছর তদšে—র পর অভিযোগপত্র দেয়া হল।দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন ডেসটিনির ঘটনাকে বাংলাদেশের এমএলএম ব্যবসার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রতারণা হিসেবে উলে­খ করে বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে এর অনুসন্ধান ও তদš— হয়েছে। আমাদের তদš— কাজ যথাযথ ত্রুটিমুক্ত রাখার জন্যই কিছুটা সময় বেশি লেগেছে।”প্রচলিত আইন অনুযায়ী অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে টাকা পাচারের সর্বোচ্চ শা¯ি— ১২ বছরের কারাদÊ বলে জানান তিনি।ডেসটিনি মাল্টিপারপাসের মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিমউদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান ও আবুল কালাম আজাদ।ডেসটিনি ট্রি প­্যানটেশন মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- আজাদ রহমান, আকবর হোসেন সুমন, সাঈদুল ইসলাম খান র“বেল, সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মজিবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দিদার“ল আলম, এম হায়দার“জ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী ফজলুল করিম, মোল­া আল আমীন, শফিউল ইসলাম, জিয়াউল হক মোল­া, সিকদার কবির“ল ইসলাম, ফিরোজ আলম, ওমর ফার“ক, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির বিপ­ব, এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল­াহ, শাহ আলম, দেলোয়ার হোসেন, জেসমিন আক্তার ও শফিকুল হক।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×