গোলাম মহিউদ্দিন নসু,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালী জেলার রিটানির্ং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের দেয়া তথ্য মতে জেলার মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪১ জন। তন্মধ্যে পূরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৬৪৮ জন এবং নারী ভোটার ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গ বা হিজড়া ভোটার ১৪ জন। জেলাতে ৮৭৫ কেন্দ্রে ৫ হাজার ৬০৯টি বুথে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের দেশে বিদেশ অবস্থানরত ভোটারদের মধ্যে ৬১ হাজার ২৫১ জন পোষ্টাল ভোট দেয়ার জন্য আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে। তন্মেধ্যে পূরুষ ভোটার ৫৫ হাজার ৮৮৮ জন এবং নারী ভোটার ৫ হাজার ৩৬৩ জন। একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
এক তথ্যে জানা গেছে, বিভিন্ন দেশ থেকে নোয়াখালীর ছয়টি আসনের মোট ৬১ হাজার ২৫১ জন প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছেন। এরমধ্যে নোয়াখালী-১ আসনের ১৩ হাজার ৬৬৭ জন, নোয়াখালী-২ আসনের ৯ হাজার ২২৭ জন, নোয়াখালী-৩ আসনের ১২ হাজার ৮৫৯ জন, নোয়াখালী-৪ আসনের ১০ হাজার ৩৬০ জন, নোয়াখালী-৫ আসনের ১১ হাজার ৭০৩ জন ও নোয়াখালী-৬ আসনের ৩ হাজার ৪৩৫ জন আবেদন করেছেন।
সরকারি চাকরীজীবী ও নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নোয়াখালীর মোট ১৩ হাজার ৮৫১ জন পোস্টাল ব্যালটের আবেদন করেছেন। এরমধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ২৪৬ জন ও মহিলা ৩ হাজার ৬০৫ জন। তম্মধ্যে সরকারি চাকরীজীবী ৯ হাজার ৯৪৪ জন, নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩ হাজার ৭০৪ জন, আনসার ও ভিডিপি ১৩১ জন ও কারাবন্দি ৭২ জন আবেদন করেছেন
নোয়াখালী জেলা কারাগারে বন্দি আছেন ৯৪১ জন। এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার আবেদন করেছেন মাত্র ৪৪ জন। যা মোট বন্দির ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জেল সুপার আবদুল বারেক এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, বন্দিরা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগে জামিনের আশায় পোস্টাল ব্যালটে আবেদন করতে এর বেশি রাজি হননি। কারণ এখানে আবেদন করে জামিন পেলে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। তারা অনেক বুঝিয়ে ৪৪ জনকে রাজি করিয়ে আবেদন করিয়েছে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন কারাগারসহ নোয়াখালীর ছয়টি আসনের মোট ৭২ জন বন্দি পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছেন। এরমধ্যে নোয়াখালী-১ আসনের ১২ জন, নোয়াখালী-২ আসনের ৬ জন, নোয়াখালী-৩ আসনের ৭ জন, নোয়াখালী-৪ আসনের ৩১ জন, নোয়াখালী-৫ আসনের ১২ জন ও নোয়াখালী-৬ আসনের ৪ জন আবেদন করেছেন।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, ভোটারের কাছে দেওয়া খাম অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটগুলো জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ডাকযোগে এসে পৌঁছবে। পরে তা ছয়টি সংসদীয় আসনের আলাদা বক্সে রাখা হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৪টার পরে প্রার্থীদের মনোনীত এজেন্টদের সামনে তা খোলা হবে।#

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


