
আশা করি সবাই ঈদের খুশিতে ফুরফুরে মেজাজে আছেন। আর মাত্র দুই দিন পর অফিস, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে
এবার আসি মূল পোস্টে।
বিদ্যা সিনহা মিম: একজন সুপারস্টার, একজন মডেল, একজন অভিনেত্রী। একজন সফল ব্রান্ড এম্বাসেডর। ফটো মডেল ও র্যম্প মডেল দুইটি ডিপার্টমেন্টেই তিনি নিজেকে সেরা প্রমান করেছেন বহু আগে।বাংলা চ্যনেলে সংবাদ, বাংলা নাটক আর খেলা ছাড়া কোন ভদ্রলোক আর কিছু দেখে বলে আমার মনে হয়না। বিজ্ঞাপন নামের অখাদ্য গুলোর বিরক্তের কথা আর কি বলবো?
ঈদে প্রিয় মডেলের কোন কোন অনুষ্টান আছে দেখার জন্য গুগল সার্স করতেই আমি হতবাক! অনেক গুলো লিংকের মধ্যে একটি লিংক পেলাম বিদ্যা সিনহা মিম এক রাত ১০০০ টাকা। ব্যপুক উৎসাহ উদ্দীপনীয় ক্লিক করলাম লিংক এ। ইউটিউব ভিডিও আসল ১ মিনিট দেখেই বুঝে ফেললাম এটা মিম অভিনীত একটি নাটক যেখানে তিনি কল গাল চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
শুধু মাত্র হিটের জন্য এরকম শিরোনাম কেউ ব্যবহার করে তাও প্রিয় মডেল কে নিয়ে!! কম নলেজের একজন মার্কেটিং ছাত্র ও পেশাজীবী হয়ে কেন যেন নিজেই লজ্জা পেলাম!
এখানে ভিডিও আপলোডকারী লীড কে কাস্টোমার এ রূপান্তর করার জন্য এমন আবেদনময়ী শিরোনাম ব্যবহার করেছেন। আপনি যখন ওই লিংক টা দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তখন আপনি ছিলেন আপলোড কারীর লিড। সাধারণত নিষিদ্ধ জিনিসপত্রের প্রতি আমাদের আকর্ষণ বেশী। এই আকর্ষণকেই কাজে লাগিয়ে চালাক ভিডিও আপলোড কারী আপনাকে কখন তার কাস্টোমারে পরিণত করে ফেলছে আপনি টেরই পান নি।ইউটিউবে ফলো করা শুরু করলেন তাকে। মাঝে মাঝে দেখেন কোন নতুন আইটেম আছে কিনা
মার্কেটিং খুব উপভোগ্য একটা পেশা। কিন্তু আনইথিকেলি মার্কেটিং করার শিক্ষা কোন শিক্ষক কোন ছাত্রকে দিয়েছে বলে আমার জানা নেই। এসব সাইকোদের সুস্থতা কামনা করি ও তুখোড় ব্রিলিয়ান্ট বিদ্যা সিনহা মিমদের কাছে আমি ক্ষমা চাই। আমরা একদিকে ধর্ষণের বিরুদ্ধাচরণ করি, বড় বড় কথা বলি অন্যদিকে কুরুচীকর অনলাইন নিউজপোর্টাল গুলোকে উসকে দেই। তাদের হিট বাড়িয়ে দেই।অদ্ভুত শিরোনামের সাথে (ভিডিও সহ) যুক্ত করার পর সেই কুরুচি পূর্ণ ভিডিও টি দেখার লোভ সামলাতে পারিনা আমরা নিজেরাই।
সেই মেয়েটি:
ঈদের জন্য নির্মাণ হওয়া বিশেষ নাটক সেই মেয়েটি সম্প্রচার করা হবে ঈদের ৩য় দিন রাত ১১:৪৫ মিনিটে আর টিভি তে । নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মিজানুর রহমান আরিয়ান। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন তাহসান খান, বিদ্যা সিনহা মীম, শারমিন আঁখি, আনন্দ খালেদ ও আরো অনেকে।

টেলিফিল্মটির গল্পে দেখা যাবে, অরণী ও হিমেল। তারা দুজনেই ঢাকায় থাকেন। দুজনই ভীষণ পরোপকারী। অরণী পেশায় চিকিৎসক। যে কোন বিপদে তারা দুজন সাধারণ মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। একটা সময় তাদের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্বের একটি সম্পর্ক গড়ে উঠে। সেখান থেকে প্রেম। এরপর বিচ্ছেদ। তারপর তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন যোগাযোগ নেই।এদিকে কাল বৈশাখী এক ঝড়ে রসূলপুর নামে একটি গ্রামের সবকিছু লণ্ড-ভণ্ড করে দিয়ে যায়। তখন সেখানে স্বেচ্ছায় চিকিৎসা সেবা দিতে আসেন অরণী। এছাড়ও কয়েকজন চিকিৎসক আসেন। সেই সাথে আসেন হিমেলের মতো কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক। এখানেই এসেই ফের দেখা হয়ে যায় হিমেলের সঙ্গে। যদিও ততদিনে অরণী নতুন সঙ্গী জুটিয়ে ফেলেছেন। শরনার্থী শিবিরে তাদের দেখা হওয়ার পর থেকেই ঘটতে থাকা নানা ঘটনায় এগিয়ে যায় টেলিফিল্মটির গল্প। শেষ পরিনতি কি!! মিলন নাকি বিচ্ছেদ!! বাস্তব জীবনে সাধারণত মেডিকেল নন মেডিকেল মিলেনা। এই নাটকে কি ভালোবাসার জয় হবে নাকি বাস্তবতার মতো ছেলেটি হারিয়ে ফেলবে তার ডাক্তার প্রেমিকা কে? পাঠক বাকিটা দেখতে চোখ রাখতে হবে আর টিভির পর্দায়।
আমি:
নাটক এর গল্পটি আমার সাথে অনেক মিল। তাই পোস্ট দিলাম। Brigitte Nicole এর একটি জনপ্রিয় উক্তি আছে : " Never apologize for being sensitive or emotional. Let this be a sign that you’ve got a big heart and aren’t afraid to let others see it. Showing your emotions is a sign of strength"
তার এই উক্তি থেকে পোস্ট দেওয়ার উৎসাহ পেলাম। ভুল ত্রুটি নিজ গুণে.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

