somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ গোফরান
জামাত শিবির,ধর্মান্ধ মোল্লা ও একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বিদ্বেষী মুক্ত ব্লগ।আপনার প্রতি আমি কেমন ব্যাবহার করব তা আপনার আচরণের উপর নির্ভর করবে।সত্য মিথ্যা যাচাই না করে অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে যদি আমার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন,তাহলে আমার বন্ধু হওয়ার দরকার নেই।

হালাল রোজগারে সৃষ্টিকর্তা বরকত না দিলে অনেক মানুষ খেতে না পেরে মারা যেতো।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ অফিসে দুইজন জয়েন দিয়েছে। একজন পিওন, একজন সিকিউরিটি গার্ড।এতোটুকু স্বাভাবিক। যেটা অসাধারণ সেটা হলো দুইজন পিতা পুত্র। পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম ছেলেকে পড়ালেখা না করিয়ে এই বয়সে চাকুরী কেন করতে দিচ্ছেন? শান্ত ভাবে উত্তর দিলেন- ক্ষুধার যন্ত্রণায়। বড় ছেলেকে এইচ এস সি পাস করিয়েছেন। এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন।ছেলে একটা গার্মেন্টস এর ফ্লোর সুপারভাইজার।গার্মেন্টসের এক মেয়ের পাল্লায় পড়ে তাকে বিয়ে করে, তার প্ররোচনায় আলাদা।বৃদ্ধ মা বাবাকে দেখে না। মেয়ের অভাবের সংসার।

তাই এই বয়সে তিনি সিকিউরিটি গার্ড এর কাজ করছেন। সামান্য বেতনে আরেক ছেলে, এক মেয়ে স্ত্রী তিনি নিজে। ঘর ভাড়া, খানা মিলিয়ে সারভাইব করা অসম্ভব। সব কিছুর দাম বাড়তি। মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তের যেখানে চলতে খবর হয়ে যাচ্ছে সেখানে দরিদ্ররা কতো মানবেতর জীবন যাপন করছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

ছেলেটিকে দেখতে ছোট মনে হলেও ওর বয়স ১৯।সিকিউরিটির মনের অবস্থা বুঝার চিন্তা করলাম। যে বয়সে ছেলেটির পড়ালেখা করার কথা সে বয়সে তিনি যেখানে কর্ম করেন সেখানে কর্ম করবে তার নিজের সন্তান শুধু দারিদ্রতার কারণে। তার সামর্থ্য থাকলে হয়তো ছেলেকে পড়া লেখা করাতেন। কিন্তু বিধিবাম ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়। পিতা পুত্র মিলে সারাদিন ডিউটি করে মাস শেষে হাজার বিশেক টাকা রোজগার করবে।তার চোখের সামনে ছেলেটির বয়সি ছেলে মেয়েরা যখন কলেজে পড়া লেখা করতে যায় তার কেমন লাগে! এই সামান্য টাকা দিয়ে থেকে খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকবে ৫ জন মানুষ।

খেটে খাওয়া হালাল রোজগার এর মধ্যে যে বরকত ও শান্তি আছে সে শান্তি অবৈধ ভাবে হওয়া কোটিপতিও পায়না।আমরা লাখ টাকা সেলারি পেয়েও কাভার করতে পারিনা। আর ওরা মাত্র ২০ হাজার দিয়ে কত সুন্দর ভাবে চলে যায়।


গরীবের অফিসে ২ জন খেটে খাওয়া।ছেলেটা নিজেই তার বাবাকে অফিসে চা বানিয়ে খাইয়েছে জয়েনিং এর ১ম দিনই।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪০
১৮টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাকে উদ্দীপ্ত করে

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩৯

বৃক্ষরা মরে যায়, মাটিতে মজে যায়
বিশাল ফসিল
আজকের গান, আজকের কবিতা
হারিয়ে যাবে নিশ্চিত একদিন
যতটুকু ভালোবাসো আজকের দুপুরে
কিংবা বেসেছ গতকাল রাতে
এর কোনো সাক্ষী রেখেছ কি, অথবা চিহ্ন?
হয়ত ভুলে যাবে সবই আগামী প্রভাতে

তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব পুরুষ খারাপ হয় না... কিছু কিছু পুরুষ অতুলনীয় ভাবেও ভালো হয়;

লিখেছেন কৃষ্ণচূড়া লাল রঙ, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ২:০১

সব পুরুষ অজুহাত দেখিয়ে ছেড়ে চলে যায় না... কিছু কিছু পুরুষ ছেড়ে যাওয়ার হাজারটা যৌক্তিক কারণ থাকার পরেও পরম যত্নে ভালোবেসে আগলে রেখে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত হাতটি শক্ত করে ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্নে তুমি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৪৭

চলে যাবার একশ সাতাশি দিন পর,
আজই প্রথম তুমি আমায় দেখতে এলে!
আমার ডান বাহুটা শক্ত করে ধরে,
হাসিমুখে তুমি কাকে কি যেন বলছিলে
আমার ছেলেবেলা নিয়ে!

তোমার স্নেহের স্পর্শ পেয়ে-
ধন্য হ’লাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

হলুদ বসন্তে ফিরে এসো নেইমার

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৫৯


হলুদ বসন্ত নেমেছে যেন

শীতের মাঝেই যেন হলুদ বসন্ত নেমেছে
—এক ঝাক হলুদিয়া পাখি, তপ্ত মরুর বুকে
মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাই চেয়ে থাকি
যেন আরেক বসন্ত নামে
লিওনার্দো দা ভিঞ্চির শিল্প সম্ভার যেন
সাম্বার... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি অসভ্য জাতির আড্ডার গল্প!

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:২৯


(নিন্মোক্ত আলোচনার বিষয়বস্তু কাল্পনাপ্রসুত হতে পারে)
চারবন্ধু বসে আড্ডা দিচ্ছে মোড়ের চায়ের দোকানের পাশেই গুটি কতক চেয়ার পেতে। বেশ কয়েক বছর বাদে চার বন্ধু একখানে দেখা করার সুযোগ পেয়েছে। এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×