somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ গোফরান
জামাত শিবির,ধর্মান্ধ মোল্লা ও একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বিদ্বেষী মুক্ত ব্লগ।আপনার প্রতি আমি কেমন ব্যাবহার করব তা আপনার আচরণের উপর নির্ভর করবে।সত্য মিথ্যা যাচাই না করে অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে যদি আমার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন,তাহলে আমার বন্ধু হওয়ার দরকার নেই।

এঁ শখ কতো? বাংলাদেশে মেয়ে হয়ে জন্মেছে আবার হিমু হবে।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৪ রাত ১:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন সে একটা পাগলি। ইমোশানাল ফুল আর কি। সে বাংলাদেশের মতো একটি দেশে জন্ম নিয়ে মেয়ে হিমু হতে চায়। এমন বেকুব মেয়ে আর আছে? বলেনতো? বিস্তারিত ভেতরের আলোচনা হয়েছে। আমার পাঠকদের উদ্দেশ্যে বরাবরের মতো অনুরোধ আপনি যদি একজন নারী বিদ্বেষী হোন অনুগ্রহ করে পোস্টটি এড়িয়ে যান। কারণ পোস্টটি আপনাকে কষ্ট দিতে পারে।

একটি মেয়ে। জিন্স টপস পরে।দেখতে স্মার্ট। ব্যাকগ্রাউন্ড ইংলিশ মিডিয়াম।কিন্তু রেপড হচ্ছে।আরেকটি মেয়ে ওয়েস্টার্ন এর সাথে হিজাব করে। সেও দেখতে স্মার্ট। বাংলা মিডিয়াম। সেও রেপড হচ্ছে। আর অন্য একজন বোরকা নেকাব দুইটাই পরে।দেখতে কেমন বুঝার উপায় পর্যন্ত নেই। সেও রেপড হচ্ছে। আসলে ড্রেসাপ খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। হিজাব করলে কেউ যেমন আনস্মার্ট না ঠিক তেমনি ওয়েস্টার্ন পড়লেও কেও অধার্মিক না। প্রভু মহাগ্রন্থ আল কোরানে পর্দার কথা বলেছেন। আসলে আমার মনে হয় তিনি যে পর্দার কথা বলেছেন সেটা আসলে সাংকেতিক রূপ। তিনি পর্দা বলতে নিজের মগজ ও যৌনাঙ্গকে সংযত রাখতে বলেছেন।

খেয়াল করলে দেখবেন - একজন ধর্ষকের কাছে নারী কি ড্রেস পরছে এটা কখনই মেটার করেনা। ধর্ষক সুযোগ পেলে নারী পুরুষ শিশু বৃদ্ধা সবাইকে রেপ করতে চিন্তা করেনা কারণ তার মগজের পর্দা উঠে গেছে। ফলে তা বিকৃত হয়ে গেসে। আবার এই ব্লগের যেকোন ব্লগারের সামনে যদি কোন মেয়ে বিকিনি পরেও ঘুরে বেড়ায় কেউ রেপ করবেনা। কারণ এখানে সবাই নিজেদের মগজকে কন্ট্রোল রাখার মতো শিক্ষিত ও বিবেকবোধ সম্পন্ন। একজন বিকৃত মগজের রেপিস্ট বোরখা পড়া কোন মেয়েকে রস্তায় একা পেলে রেপ করবে। অন্যদিকে একজন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কখনোই সে কাজ করবেনা। পুরা ব্যাপারটি হলো মাইন্ডসেট এর। আর বিজ্ঞান বলছে মানুষের মন মগজের সাথে একনিষ্ঠ ভাবে সংযুক্ত। ব্রেন বা মগজ বিহীন মনের কোন নিজস্বতা নেই। তাই যারা বলে ধর্ষণের জন্য পোশাক দায়ী ওরাও একপ্রকার বিকৃত মস্তিষ্কের ধর্ষক সমতুল্য। যদিও আমরা তাদের মানসিক বিকারগ্রস্ত বলি আসলে শব্দটি হবে মগজিক বিকারগ্রস্ত।

একজন ধর্ষণ করছে অন্যজন নিরীহ পোষাকের দোষ দিয়ে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধকে আড়াল করছে। ফলে দুইটাই ধর্ষক। একজন নিজে ধর্ষন করছে আরেকজন ধর্ষনকারীর অপরাধ আড়াল করতে মরিয়া। যারা ধর্ষণের জন্য পোশাককে দায়ী করে ওদেরকে আমরা মৌলবাদী বললেও মানসিক থুক্কু মগজিক বিকারগ্রস্ত কিন্তু বলিনা।

ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন তার খুব ইচ্ছা সে হিমু হবে। মধ্যরাতে পকেট বিহীন হলুদ পাঞ্জাবি পরে খালি পায়ে হাটবে। রাস্তাঘাটে অস্বাভাবিক আচরণ ও কথা বলায় পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাবে। থানায় যাওয়ার পর সে অসির সাথে রসিকতা করবে। একপর্যায়ে ওসি মনে করবে ও পাগল। তারপর ছেড়ে দিবে। হিমু যেমন রূপাকে ভালোবাসে কিন্তু কখনোই বিয়ে করেনা বা ডেট করেনা কারণ মহাপুরুষগণ কখনো প্রেম বিবাহ এগুলো করেনা, ঠিক তেমনি তারও একটা বয়ফ্রেন্ড থাকবে। যাকে রাত দুটো'ই ফোন সে বের হতে বলবে। বের হয়ে দেখবে সে নিরুদ্দেশ হয়ে গেসে। তারপর বলবে - হিমুরা কখনোই বয়ফ্রেন্ড এর সাথে রাতের শহরে হাত একা হাঁটেনা।এগুলো নরমাল প্রেমিক প্রেমিকার কাজ। মহাপুরুষ সাধারণ মানুষের মতো আচরণ করলে চলবে। এক কথায় হুবুহু হিমু যেমন সেও তেমন হবে। ২/৩ দিন হিমুর মতো লাইফ লিড করার পর সে বুঝলো আমাদের দেশে মেয়েদের হিমু হওয়া অসম্ভব। কারণ এখানে একটি মেয়ে রাতের বেলা হলুদ পাঞ্জাবি পড়ে খালি পায়ে হলুদ পাঞ্জাবি পরে হাঁটলে ধর্ষকরা এর পরের দিন জাতীকে মেয়েটির লাশ উপহার দিবে। পত্রিকার শিরোনাম গুলো কি হবে জানিনা। তবে এই দেশের বিকৃত মস্তিষ্কের জঘন্য মানসিক রোগীরা বলবে - "ভালোই হইছে -রাতের বেলা ঘুরে বেড়াবে অথচ ধর্ষণ করবেনা তা হয় নাকি। অর্থাৎ সব দোষ দিবে হিমু হতে চাওয়া মেয়েটার। ধর্ষকগণ অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপরাধ। রাস্তায় একা ঘুরে বেড়ান মেয়েদের রেপ করা ধর্ষকদের অধিকার "
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৪ রাত ১:৩০
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল কোরআনের ১১৪ সূরা ও সিহাহ সিত্তায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৬)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:২৮



সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৩ এর অনুবাদ-
১৫৩।আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

'দুই শুকর

লিখেছেন আহমেদ রুহুল আমিন, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৫

'যাদের জ্বালায় বিশ্ব এখন
অশান্তিতে মুখর,
'লাল- শেতকায়' মানবরুপি
দুই বন্য শুকর।

বিশ্বের সব সূখী মানুষের
শত্রু যখন 'পুওর',
বন্ধুু'যে তার লেজপাকানো-
ঘাড়তেড়া দুই শুয়োর।

ডাস্টবিনের আবর্জনায়
ময়লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:২৫



আমি একজন প্রতিভা শূন্য মানুষ।
আমি দুটো কাজই পারি, এক, মাথা নিচের দিকে রেখে পা উপরের দিকে রাখতে। তাও বেশিক্ষণ পারি না। বড়জোর এক মিনিট। দুই হচ্ছে আমি সুপারম্যান... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভোজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৪০


গতকাল শরীরটা ভালো ছিলো না। তার জেরেই সম্ভবত ঘুম থেকে উঠতে বেশ বেলা হয়ে গেল। ঘুম ভাঙলেই আমি প্রথমে মোবাইল চেক করে দেখি কোন জরুরী কল এসেছিল কিনা। আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক: একটি প্রগতিশীল (?) অগ্রযাত্রা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০৮


আমি আসলে জন্মগতভাবেই খুব আশাবাদী মানুষ। সত্যি বলছি। ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে যখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা জারি করল, আমি মনে মনে বললাম , অবশেষে কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×