১.ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
২.বিনা কারনে ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়া । বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিত গ্রহন করলে কিডনি রোগ হওয়ার ঝুকি বাড়ে।
৩.পরিমিত পরিমানে (পাঁচ-আট গ্লাস) পানি পান করুন । কিছুতেই শরীরে পানি কম পড়তে দেওয়া ঠিক নয় ।আবার বেশি বেশি পানি খেলেও কিডনি ভালো থাকবে ,এমন কথা ঠিক নয় । শীতকালে পানির প্রয়োজন কম হলেও গ্রীষ্ম কালে অধিক পরিমাণে পানি গ্রহন করতে হবে।
৪.শিশুদের গলাব্যথা ,খোস-পাঁচড়া হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।
৫.ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। কেননা সঠিক ভাবে ডায়রিয়ার চিকিৎসা না হলে হঠাৎ কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।
৬.পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা উচিত।
৭.হাত -পা ফুলে গেলে ,প্রস্রাবের পরিমান কমে গেলে, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে । কেননা এসব সমস্যা কিডনি রোগের লক্ষন প্রকাশ করে ।
৮.ধূপপান পরিহার করুন । ধূপপানের কারনে দেহের অন্যান্য অঙ্গের মতো কিডনি ও আক্রান্ত হতে পারে।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




