somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এলোমেলো ভাবনা

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আড়াইশত বছর আগেও এই বাংলায় কোন পতিতালয় ছিলনা। এটা ব্রিটিশদের দান। আজও এর রক্ষনাবেক্ষন তারাই করে যাচ্ছে। সর্বমোট পতিতার সংখ্যা আমার জানা নেই।

রাজনীতিতে কিছু পছ্ন্দ না হলে হরতাল করে গাড়ি ভাংচুর - এটা আমাদের জন্য ভারতের দান। আমাদের পড়াশুনা ও জ্ঞানের মাপ অতটুকুই যেন আমরা শুধু নিজেদের ধংসটুকুই করতে পারি। কিছু গড়তে নয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এর নাম আগে ছিল জাহাঙ্গীরনগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়। এটা ১৯৭০ সালে পাকিস্তান প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান তৈরী করেছিলেন। - এ কথা বলার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রভাষক খুবই রাগ করেছিলেন। কেন? সত্যি কথা বলতে না পারা এবং সত্যি কথা শুনতে না পারা - এটা জাতির একজন হিসেবে আমার জন্য দুর্ভাগ্য।

ব্রিটিশরা ভাল করেই বুঝেছিল যে ভারত উপমহাদেশকে দখল করতে হলে বাংলার অংশটিকে আগে পরাস্ত করতে হবে। এরপর বাকিটা অনেক সহজ কাজ। এরপর খুবই যত্নের সাথে এই বাংলাকে কুচি কুচি করে ধ্বংসের কাজ চালানো হয়েছে। বাংলার মানুষ যেন আর কখনো মনস্তত্ত বুঝতে না পারে, ভিক্ষুকের মতো যেন দেশগুলোর দরজায় দরজায় ঘুরে; শিক্ষায় যেন তলানীতে পড়ে থাকে; নিজেরা নিজেরা যেন মারামারি করে সেজন্য অনেক অনেক কিছু দেয়া হয়েছে আমাদেরকে। এবং আমরাও খুশি। নিজে ধ্বংস হয়েও খুশি, আরেকজনকে ধ্বংস করেও খুশি; অবশ্য এটা বোঝার মাথাও আমাদের ধ্বংস হয়েছে অর্ধশত বছর আগে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ কেলেংকারী - এটা ভারতের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য অপুর্ব এক শিক্ষা। কম্পিউটার টেকনোলজি - এটা আমাদের নিজেদের করে নিতে হবে। না হয় প্রতি ২০ বছরে একবার করে শেয়ার বাজার কেলেংকারী আর অর্থ লুট; এটা থামানো যাবে না।

পোষাকশিল্প কে নিজেদের করে নেয়ার এখনই সময়। সুতা, সুই, সেলাই মেশিন এগুলো সব আমাদেরকে বানাতে হবে। যতদিন এগুলো বাইরে থেকে কেনা হবে, ততদিন এই শিল্প ঝুকির মধ্যে থাকবে। এবং একদিন এই খাত ধ্বংস হয়ে যাবে। যেমন ধ্বংস করা হয়েছে পাট শিল্প।

গুলশান নতুন বাজার এ একটি ২০ বছর পুরনো স্কুল আছে। তেমনি পুরনো শিক্ষকও আছেন। স্কাউট, গার্লস ক্যাডেট - এগুলো এখনো চালু হয়নি। আমি অনেক ভেবে কারনটা বের করেছি। আমরা শুধু নিতে জানি, দিতে জানি না।

এই লেখাটি লেখার জন্য আমার প্রচুর সাহসের প্রয়োজন হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপারটা অন্য জায়গায়। এই লেখাটি বাংলাদেশের কেউ বুঝবে না। যতটুকু বুঝবে ইন্ডিয়া এর র্‌।

আমি একবার টানবাজার এ গিয়েছিলাম। ওখানের একটি মসজিদে।





সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:১৮
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×