somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্ষমা করো পরিমল দা!

২৬ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক্ষমা করো পরিমল দা!

ছাত্ররা শিখবে আর শিক্ষকের দায়িত্ব হোল শিখানো। একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা মানুষ হয়েও বোধ করি তা ভুলতে বসেছিলাম! ছোট ভাইবোন, ছাত্রছাত্রী এমনকি সমাজের সবাইকে শিখানোর ব্রতী নিয়ে চলছি বেশ ছোট বেলা থেকেই। নিজের অধ্যয়নই শেষ হয়নি তবুও। মাজে মধ্যেই গ্রামে ছুটে গিয়ে ঘটা করে কোন অনুষ্ঠান, সিম্পজিয়াম, সেমিনার, পাবলিক পাঠাগার প্রতিষ্ঠা, কোচিং সেন্টার এমনকি এ বয়সে একটি স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেছি শুধুই সমাজকে জাগানোর জন্যই। কিন্তু কোই, কোথায় পারলাম তোমাদের মতো সাড়া জাগান সাহসী উদ্যোগ নিতে? হাজার বছরের ধর্মীয় শৃঙ্খলা আর শত বছরের লালিত সংস্কৃতির ধারক এ জাতির বাঘা বাঘা নেতা, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, আলেম কেহই যা করতে পারেনি তোমরা তা পারলে বটে! আমি অবোধ বুজতে পারিনি। তোমাদের কতনা গালি দিয়েছি, প্রতীবাদ করেছি, শাস্তি চেয়েছি!

অনেক সমালোচনার পরেও ২০১৪ শিক্ষা বর্ষ হতে “শারীরিক শিক্ষা” নামক বইটি পাঠ্য ভুক্ত হয়। সচেতনতার নামে যৌন উদ্দীপক এ বইটি শিক্ষকদের হাতে গেলেও তা শুধু রুটিনেই থাকে কিন্তু পড়ানোর মতো কুরুচিপূর্ণ যোগ্যতা এদেশের শিক্ষকদের নেই! ভাবছিলাম আগামী বছরেই এর একটা সুরাহা হবে। সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট তো তা বলেনা বরং আরও ভয়ঙ্কর ভাবে ভাবিয়ে তুলছে আমাদের। “নিজেকে জান” নামক আরও একটি বই বিতরণ চলছে উটটি বয়সী তরুন তরুণীদের ক্লাসে! বইটির আগা গোঁড়ায় এমন পরিমার্জিত পরিভাষা (!) শুনলে সাত বছরের শিশুটিরও ছটপটানি শুরু হবে এইভেবে যে, কবে শুরু হবে সে যোগ্যতা আমার! ওদিকে নিরানব্বই বছরের বুড়া বুড়িও নিশ্চয় লাফ দিয়ে উঠবে, সময় থাকতে আর দুই একটারে সঙ্গ দিতে! কি নাই বইটিতে? যা একটু বাকী ছিল “শারীরিক শিক্ষা” নামক বইটিতে, তার পুরাটাই দেয়া হোল এবার “নিজেকে জান” এর মাধ্যমে।

এখন বুজতে পাচ্ছিরে দাদা তোমরাই যে ঠিক ছিলে! শিক্ষা সচেতনতার কত গুরুত্বপূর্ণ পাঠইনা তোমরা শিখাচ্ছিলে! বাড়তি কোন বেতন বোনাস ছাড়াই নিজেদের শ্রম কে পানি করে নিজ উদ্যোগে কত বড় দায়িত্বই না তোমরা নিয়েছিলে! থিউরিক্যালের চেয়ে যে প্রাকটিকাল সবাই ভালো বোঝে তা তোমরা মনে রাখলেও আমি গাধা তা ভুলেই গিয়েছিলাম! দেখো কি ক্ষুদ্র জ্ঞানের সাথেই না আমার বসবাস! ওহে পরিমল, জয়ধর, পান্না মাস্টার আর তোমাদের গংরা, জানিনা তোমরা কে কোন কারাগারে আজ অপেক্ষা করছ? আমি অনুজ বুজতে পারিনি তবে এখন বুজতে পাচ্ছি! ক্ষমা করে দিয়ো গো অগ্রজ বৃন্দ!
কিছুই করতে পারলাম না তোমাদের জন্য! তবে হে অভয় দিতে পারি তোমাদের, আর বেশী দেরি নয় তোমাদের বিজয় অবশ্যম্ভাবী! তোমরা একটু আগ বাড়িয়ে প্রাকটিকেল শুরু করেছিলে তো এটাই মনে হয় ভুল, দেখনা সবে থিউরিকেল শুরু হয়েছে? আর একটু ধৈর্য ধরো অচিরেই প্রাকটিকেল ক্লাসের ব্যবস্থা হবে নিশ্চয়। আর তখন তোমরাই তো ডাক পাবে সরবাজ্ঞে। শুধু তাই নয়, প্রশিক্ষিত শিক্ষক শিক্ষিকা গড়ার জন্যও তোমাদের মতো দক্ষ প্রশিক্ষক কি আর একটিও হবে বল!


৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাষ্ট্রভাষা নিয়ে জিন্নাহর সেই ভাষণ। কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


জিন্নাহর সেই ভাষণ
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে জিন্নাহর একটি বক্তব্য যাতে দাবী করা হচ্ছে তিনি নাকি আমাদের ওপর উর্দু যেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এতকাল “প্রচার”... ...বাকিটুকু পড়ুন

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×