যেমন কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিয়াছিলো সে মরে নাই
যেমন ডাক্তার মইন করোনা আক্রান্ত হইয়া মরিয়া প্রমাণ করিলো চিকিৎসা প্রতিরক্ষা ঠিক নাই
যেমন ধর্মীয় পীর মরিয়া জানাজায় প্রমাণ করিলো মুরিদগন কোরআন হাদিস বুঝে নাই
তেমনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছা্ত্রনেতা মামলা করিয়া প্রমাণ করিলো তাহারা কথায় অকথায় মারামারি, খুনাখুনি, পা কেটে উল্লাস এবং মামলায় বলদ, বর্বর ভুল বলে নাই।
নেতা মামলা না করিয়া যদি ফুল পাঠাইতো (করোনা লকডাউনের কারনে সম্ভব না হয়তো) বা আবেগি স্টাটাস দিতো তা না করিয়া সে এলাকার মান রাখিয়াছে অহেতুক আবেগ দেখাইয়া মামলা করিয়াছে সে কি প্রচ্ছন্নভাবে ঐসকল ধর্মা্ন্ধদের উৎসাহিত করিলোনা? প্রচলিত কৌতক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ শেষ যেবার যুক্তিযুক্ত কারণে মারামারি করিয়াছিলো তা ছিলো লুডু খেলায় কেনো ছক্কা উঠে নাই। এর আগের সব ছিলো তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে। ঐ মামলাবাজ বলদ নেতার পদত্যাগ চাই, যে তার পদের অপব্যবহার করেছে বলে আমার মনে হয়। কুমিল্লা, নোয়াখালি, বরিশাল নিয়ে কত শত কৌতুক আছে কৈ কেউ তো এই সস্তা মামলাবাজ নেতার মতো এমন উর্বর মস্তিস্কের নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

