সরকারের সাথে কথা নাই, যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমোদন নাই সে মাস্ক নিয়ে আসছে।
এটার রেশ কাটতে না কাটতেই সে আবার র্যাপিড টেস্টিং কিট নিয়ে আসছে।
এখন সরকারের কোনো নির্দেশনা নাই, জেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা নাই, সে মসজিদে চলে আসার আহ্বান করছে।
অনেকেই বলতে ভালোবাসেন, গার্মেন্টস, বাজার, অফিস খোলা রেখে মসজিদ বন্ধ রেখে লাভ কি? যারা এই কথা বলে তারা নিজেরাও জানে লাভকি, তবুও তাওয়া গরম করতে এই প্রশ্নো। বাজার যেহেতেু দৈনিন্দন ব্যাপার এবং প্রতিদিন কারও বাজার করার কথা না বর্তমান পরিস্থিতিতে কিন্তু মসজিদ পাচ ওয়াক্তের ব্যাপার এবং পাশাপাশি দাড়ানোর ব্যাপার। তিন/চারটা ক্ষতিকরের যদি দুই একটা স্থগিত বা বন্ধ রাখা যায় তবে সমস্যা কি? বাজার খোলা জন্য মসজিদের অবাধ জামায়াত করতে দিতে হবে তাহলে তো স্কুল-কলেজও খুলে দিতে হয়?
অনিয়ন্ত্রিতভাবে গার্মেন্টস খোলা রেখে করোনার সংক্রমন আবার বাড়ার একটা পদক্ষেপ নেয়া হলো, বসুন্ধরার হাজার বেডের হাসপাতালে রুগি ভড়তে হবে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

