সখী, N95 মাস্ক কাহারে বলে
সখী, কোয়ালিটি কাহারে বলে
তোমরা যে বলো দিবস-রজনী N95, N95
সখী, N95 কারে কয়! দেখো ফল গবেষণায় ।
সরকারের পাশাপাশি বাংলার ছোট ছোট গার্মেটস ফ্যাক্টরি তাদের দিব্য ব্যাবসায়িক দৃষ্টিতে মাস্কের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলো আর তাই তারা আন্ডারপ্যান্ট, বক্ষবন্ধনী, স্যান্ডো গ্যান্জি, টি-শার্ট বানানি বাদ দিয়ে সেই সকল উপকরন দিয়ে মাস্ক বানানো শুরু করেছিলো। আর চিকিৎসকগন, ব্লগার, অনলাইনের শুশীল সমাজ এমনকি কি আমিও মাস্কের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছিলাম। মাস্কের সল্পতার কারনে প্রধানমন্ত্রী সহো বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা বলা শুরু করলো সবার মাস্ক পরার দরকার নেই শুধু আক্রান্ত আর চিকিৎসা কার্য্যক্রমের সাথে জড়িত ছাড়া। পরবর্তীতে আমরা দেখলাম মাস্ক পরে বের না হলে পুলিশ-আর্মির মাইর।
দিন দুই আগে এক হাসপাতাল পরিচালক ওএসডি হলেন মাস্কের মানের ব্যাপারে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে।
এখন আমেরিকার গবেষণাগার হতে জানা গেলো গবেষকের তথ্য গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি কার্যকর। গবেষণায় মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় নেওয়া হয়। গবেষণায় গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড়ে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গেঞ্জির কাপড়ে তৈরি মাস্ক প্রচলিত মেডিকেল বা সার্জিক্যাল মাস্কের সমতুল্য বা এর চেয়েও বেশি কার্যকর। এই মাস্ক ঘরেই বানানো যাবে এবং বারবার ধুয়ে ব্যবহার করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
এই গবেষণা দলের নেতৃত্বে আছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনের মেকানিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক তাহের সাইফ। তিনি তাঁর দুই পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা করেন। তাঁরা হলেন বাংলাদেশের বাশার ইমন ও তুরস্কের আনুর আইদিন।
করোনা নিয়ে আর এর চিকিৎসা নিয়ে কোনো তথ্যই ঠিক থাকতেছে না শুধু পরিবর্তনশীল।
খবর সুত্র প্রথম আলো

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

