প্রথম সমস্যা (ব্যাবসাকেন্দ্রিক): নতুন মাল নাই, পুরান মালই নতুন মাল বলে চালাতে হবে। আবার পাইকাড়দের কাছ থেকে স্টকের মাল আনতে গেলে আগের বাকি টাকা চাইবে এবং বর্তমান চালানের বেশি অংশ নগদে বেচতে চাইবে অজুহাত, করোনা। দোকানের কর্মচারীরা বকেয়া বেতন চাইবে, কেউ কেউ করোনার সময়ের ডিউটির কারনে বোনসা বা কিছু বেশি চাইতে পারে। শপিংমল বা দোকান মালিকরা বকেয়া ভাড়া/সার্ভিস চার্জ চাইবে সেই সাথে করোনার সময়ে খোলার কারনে ডাবল সার্ভিস চার্জ আদায় করবে মার্কেট স্যানিটাইজ ব্যাবস্থার টাকা নিবে। মালামাল আনা নেওয়া, দোকানে আসা যাওয়ার ভাড়া বেশি দিতে হবে, গাড়ির সল্পতায় ভুগতে হবে।
দ্বিতীয় সমস্যা (ব্যাক্তিজীবন কেন্দ্রিক): বাসাওয়ালা বকেয়া ভাড়ার টাকা চাইবে (অনেক বাড়িওয়ালা এখনো ভাড়াটিয়াদের কাছে ভাড়া পান নাই, বিশেষ করে দোকান করে এমন ভাড়াটিয়া), মাসিক বাকির মুদি দোকান, ঔষধের দোকান, সব্জির দোকান বাকি টাকা চাইবে। অনান্য পাওনাদারও টাকার জন্য তাগাদা দিবে। দোকান তো খুলছেন, ব্যাবসাতো জমজমাট নিকট আত্মীয়, বন্ধু টাকা ধার চাইবে। পরিবার-পরিজন নিকট আত্মীয়দের জন্য ঈদের কেনাকাটার তাগাদা থাকবে।
প্রধান সমস্যা (করোনা কেন্দ্রিক): নানান ধরনের কাস্টমার আসবে, তাদের পন্য দেখাবেন, টাকা নিবেন। আপনি জানেন না কার করোনা সংক্রমিত। অতএব অজানা অচেনা করোনা সংক্রমনের লক্ষন প্রকাশ না পাওয়া কাস্টমারের কাছ থেকে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার শতভাগ ঝুকিতে থাকবেন।
লাভের চাইতে লস বেশি। জন্মদিন গেলো, বৈশাখ গেলো, জুম্মা গেলো, তারাবি গেলো। কেনো শুধু শুধু ইফতার আর ঈদের কেনাকাটা বলে ঝুকি বাড়ানো? শপিংমল খোলার স্বিদ্ধান্ত থেকে সড়ে আসতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

