বন্ধুত্বের শুরুর ইতিহাস আর পৃথিবীর ইতিহাস সমান বয়সী। তবে ঘটা করে বন্ধু দিবস পালনের ইতিহাস বেশি পুরনো নয়। 1935 সালে মার্কিন কংগ্রেস প্রতি বছরের আগস্টের প্রথম রোব বারকে জাতীয় বন্ধু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। যা আজকের বিশ্বে বন্ধু দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
কিছু বন্ধুত্ব হয় প্রকৃতির খেয়ালে, কিছু হয় আত্মার তাগিদে, কিছু সংস্পর্শে এসে, কিছু আবার গড়ে ওঠে স্বার্থের প্রয়োজনে। একটি ছেলের অন্য একটি ছেলের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় আনন্দ-বেদনার সঙ্গী হয়ে কাছে পাওয়ার আশায়। মেয়েতে-মেয়েতেও বন্ধুত্ব হয় একই কারনে। কিন্তু ছেলেতে-মেয়েতে যখন বন্ধুত্ব হয়, তখন তার মধ্যে নির্ভরশীলতা নামক নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। এজন্যই সক্রেটিস বলেছিলেন, " বন্ধুত্ব করার সময় খুব ধীর গতিতে এগোতে হবে এবং যখন বন্ধুত্ব হয়ে যাবে তখন সেটা স্থায়ী করতে হবে "।
দিন বদলের এই সময়ে প্রেম আর বন্ধুত্বকে এখন আর কেউ এক করে ফেলেন না। বন্ধু বন্ধুই । তাকে প্রেমিক হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। প্রেম ভেঙে যেতে পারে কিন্তু বন্ধুত্ব থাকবে অটুট। এক দশক আগেও এই ঢাকায় তরুণ-তরুণীর ঘনিষ্ঠতার মানে ছিল নির্ঘাত প্রেম। অতঃপর বিয়ে। কিন্তু এখন আর তেমনটি নয়।
বন্ধুত্ব- তা শুধুই যে মানুষের সঙ্গে হবে এমন কোনো কথা নেই। বই হতে পারে সবচেয়ে ভালো বন্ধু। হতে পারে প্রকৃতি বা হালের কম্পিউটার। বন্ধুত্বের তাই চূড়ান্ত সীমানায় যেমন নেই দেশ-কাল-পাত্র, তেমনি নেই কোনো নির্দিষ্ট ছক। যে থাকবে কাছে, হাঁটবে পাশে, বিপদে হাত বাড়িয়ে দেবে, সে-ই প্রকৃত বন্ধু।
[গাঢ়]সবাইকে বিশ্ব বন্ধু দিবস দিবসের প্রাণঢালা শূভেচ্ছা।[/গাঢ়]
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



