
বিগত সরকারগুলো যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি করে গেছে, তা পুষিয়ে নিতে ১০টা বছর যোগ্য এবং শিক্ষিত শ্রেনীর হাতে সরকার ব্যবস্থা থাকা খুব জরুরী। গোমূর্খ চাঁদাবাজ আর নারী লিপ্সুদের ভীড়ে জামায়াতে ইসলাম মন্দের ভাল। তাদেরই ক্ষমতায় থাকা দরকার অনুভব করছি।
বাইসাইকেলের লোভে যে দেশের শত শত বাচ্চারা মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, সে দেশে ভোটার অভিভাবকরা মানে এডাল্টরা মনে প্রাণে ভাল লোকের কথা বললেও, দিন শেষে টাকা/অবৈধ সুবিধার লোভ সামলাতে পারে না। যার শেষ পরিনতি বিএনপি ক্ষমতায় বসবে। ক্ষণস্থায়ী লোভের কারনে দেশবাসী দীর্ঘমেয়াদী বিপদ আপদ ডেকে আনবে।
এদেশের মানুষ কখনও ভালকিছু করবে না, ভাল থাকবে না। প্রতিহিংসা আর অতি লোভ এ জাতিকে সর্বদা পিছিয়ে রাখবে। এত এত ট্যালেন্ট আর পরিশ্রমী জাতীর পিছিয়ে থাকার আর কোন কারন দেখি না।
একটা তুলনামূলক তালিকা নিচে দিলাম। দেশের ভোটারদের উচিত দুবার ভেবে যোগ্য লোক/দলকে নির্বাচন করা এবং অবশ্যই হ্যাঁ ভোট দেয়া।


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP):
রাষ্ট্রপতির পদের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলে, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯ দফা কর্মসূচির উপর ভিত্তি করে। সেগুলোই দলটির উদ্দেশ্য। পরবর্তীতে জাগদল বিলুপ্ত করে বিএনপি গঠিত হয়।
ভাবাদর্শ: বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রক্ষণশীলতা (বাংলাদেশী), উদার অর্থনীতি, ভারতীয় সংশয়বাদ
রাজনৈতিক অবস্থান : কেন্দ্র থেকে মধ্য-ডানপন্থী
সংগঠন: ছাত্র শাখা, যুব শাখা, মহিলা শাখা, শ্রমিক শাখা, স্বেচ্ছাসেবক শাখা, কৃষক শাখা
স্লোগান "বাংলাদেশ জিন্দাবাদ"
বিএনপি আর্থিক সংগতি: চাঁদাবাজি, দখল, ভূমিদস্যুতা, লবিং, টেন্ডারবাজি ইত্যাদি
নারী স্বাধীনতা: উদারপন্থী
দলীয় নিয়ন্ত্রন: খুবই দুর্বল
অপরাধের মাত্রা: অনিয়ন্ত্রিত এবং চরম উৎকন্ঠার
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি: ৪৯ জন ঋণখেলাপী পদপার্থী নিয়ে গঠিত বর্তমান বিএনপির অধিকাংশ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অদূরদর্শী এবং অবস্তাব।
আওয়ামী লীগের ছায়া দ্বায়ীত্ব নিয়ে নির্বাচনের অংশগ্রহন করছে। ৪০% লীগপন্থী কর্মীরা বিএনপির বর্তমান ভোটার এবং দলীয় পদপার্থী
অন্তর্নিহীত পরিবারতন্ত্র প্রথা সচল।
অপরাধের শাস্তি প্রশ্নবিদ্ধ এবং নমনীয় জবাবদিহীতা বিদ্যমান।
দলীয় শীর্ষপর্যায়ের নেতাদের সমসাময়ীক দেশ-বিদেশ নিয়ে জ্ঞান ও দূরদর্শীতার অভাব রয়েছে।

জামায়াত:
এই সংগঠনের উদ্দেশ্য হলো শরিয়াহ ভিত্তিক একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা ।
ভাবাদর্শ: সামাজিক রক্ষণশীলতা, ইসলামবাদ, ইসলামি মৌলবাদ, ইসলামি গণতন্ত্র, সর্ব-ইসলামবাদ, ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদ
রাজনৈতিক অবস্থান: ডানপন্থী
সংগঠন: ছাত্র শাখা, শ্রমিক শাখা, চিকিৎসক সংগঠন
স্লোগান "আল্লাহর আইন চাই সৎ লোকের শাসন চাই"
জামায়াতের আর্থিক সংগতি: দান, ব্যবসা, লবিং, টেন্ডারবাজি ইত্যাদি
নারী স্বাধীনতা: শরীয়াভিত্তিক শর্তসাপেক্ষ স্বাধীনতা
দলীয় নিয়ন্ত্রন: অত্যন্ত সুসংগঠিত এবং নিয়ন্ত্রিত।
অপরাধের মাত্রা: বিরল এবং সমসাময়ীক পরিস্থিতির শীকার
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি: বাস্তব সম্মত. দূরদর্শী কিন্তু পূর্ববর্তী সরকার গঠনে অনভিঙ্গ।
১০% লীগ পন্থী কর্মীরা জামায়াতের ভোটার । কিন্তু কোন দলীয় পদপার্থী নয়।
ব্যক্তি যোগ্যতাই প্রধান যোগ্যতা।
অপরাধের শাস্তি স্পষ্ট এবং জবাদিহীতা সর্বস্তরে কোঠর ।
৬০ % দলীয় সদস্যদের সমসাময়ীক দেশ-বিদেশ নিয়ে যথেষ্ট জ্ঞান ও দূরদর্শীতা রয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


