[সাইজ=4]সুপার লাভ স্টোরি[/সাইজ]
প্রেমের অপূর্ব এক লীলা সমাচার নিয়ে রায়গঞ্জের রসিক মহল এখন সরগরম। প্রেমের এই বিরল ঘটনা ঘটেছে উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের ঝাপড়া চক অভিরাম গ্রামে। ঐ গ্রামের এককালের রূপগরবিনী তারাবানু (60) তার দ্বিতীয় স্বামী একই গ্রামের রফিকুল ইসলামকে (30) নাত জামাই হিসাবে বরণ করে নিয়েছেন। সতীন এখন তার বড় মেয়ের 15 বছরের কন্যা লিপি খাতুন। এ ঘটনা এখন এলাকায় সবার মুখে 'সুপার লাভস্টোরি'। সরেজমিনে গেলে গ্রামবাসী জানায়, গ্রামের গৃহবধূ তারাবানু প্রায় 15 বছর আগে বিধবা হন। একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম প্রেমলীলার নায়ক তখন 15 বছরের কিশোর। পাড়াপড়শি সম্পর্কে সদ্যবিধবা নানী তারাবানুর সাথে তার মধুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 5 বছর পর 20 বছর বয়সী টগবগে তরম্নণ রফিকুল নানীকে প্রেম নিবেদন করলে নানী পুলকিত হয়ে তাকে স্বাগত জানায়। এক পর্যায়ে উভয়ে ঘর বাঁধে। এর প্রায় 2 বছর পর তারাবানুর বড় মেয়ে লায়লা বেগম স্বামীর ঘর ছেড়ে 7 বছরের শিশুকন্যা লিপি খাতুনকে কোলে নিয়ে মায়ের কাছে এসে আশ্রয় নেয়। রফিকুল ও তারাবানুর পরম যত্নে বেড়ে উঠতে থাকে নাতনী লিপি খাতুন। আদরে প্রশ্রয়ে লিপি ক্রমশ যুবক নানার ভক্ত হয়ে ওঠে। এই সুযোগে রফিকুল নাতনীকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো, সিনেমা দেখা, মন ভুলানো নানা লীলা-কলাসহ সতত বিনোদনে মেতে ওঠে। শুরম্ন হয় নতুন প্রেমের পালা। তারাবানু অবস্থা বুঝে রাশ টানলেও কাজ হয়নি। পরে তারও প্রেমের রশি ছিঁড়ে যায় ভয়ে সে আর বাদ সাধেনি। এই সুযোগে গত মঙ্গলবার রফিকুল তার দ্বিতীয় প্রেমিকা ষোড়শী লিপি খাতুনকে বিয়ে করে। খবর পেয়ে তারাবানু প্রথমে কান্নাকাটি করলেও পরে নবদম্পতি নাতিন জামাই স্বামী ও সতীনকে বরণ করে নিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তারাবানু বলেন, রফিকুল তো আমার হাউসের (সখের) স্বামী। তার সখ আহলাদ মেটাতে আমি জানও কোরবানী করতে পারি।
ইত্তেফাকের অনলাইন ইস্যুতে পাবেনঃ !@!6971
বিঃদ্রঃ নেট থেকে সংগৃহিত ছবির সাথে পোস্টটির কোন সম্পর্ক নাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



