3 দিনব্যাপী বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ মুসলিম সম্মিলনের শেষ দিনে ইজতেমাস্থলে এসে হাজির হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদের কতিপয় সদস্য এবং সাংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং মুসলমানদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব সৃষ্টির পাশাপাশি বাংলাদেশে যে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে এবং জঙ্গিদের আত্মঘাতী বোমা হামলায় যেভাবে নিরীহ মানুষজন প্রাণ হারাচ্ছেন তা থেকে পরিত্রাণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে সবাই ফরিয়াদ করেছেন । ব্যক্তি-পরিবার তথা জাতির ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মুক্তি কামনায় আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা চোখের পানি ফেলেন।
দুপুর 12টা 42 মিনিটে মূল মঞ্চ থেকে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন দিলি্লর মওলানা জুবায়ের"ল হাসান। 17 মিনিট স্থায়ী মোনাজাতে ইহজাগতিক পাপ-পঙ্কিলতা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখার তৌফিক দিতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে প্রার্থনা করা হয়। সেই সঙ্গে মুসলিম উম্মাহর ভ্রাতৃত্ব ও দেশে দেশে নির্যাতনের শিকার মুসলমানদের মুক্তি কামনা করা হয়। ইসলাম ধর্মের মূল আদর্শ বজায় রাখা, ইসলাম ও মুসলমানদের হেফাজত এবং ইজতেমাকে কবুল মঞ্জুর করতে প্রার্থনা করা হয় আল্লাহর দরবারে। তাছাড়া দেশে চলমান আত্মঘাতী বোমা হামলা যেন বন্ধ হয় তার জন্যও আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা মোনাজাতে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৫:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


