গ্রীষ্মকাল
প্রচন্ড গরমে পিসির সামনে বসা জায় না। ফ্যানের বাতাস মনে হয় ঝলসানো রুটি!
এত কিছুর পরও যে শান্তিতে পিসিতে বসব তাও পারবো না, যখনই কিছু করতে যাবো ঠিক তখনি কারেন্ট তাহার আক্কেল দাত সহ বত্রিশটা বের করে চলে যাবে।
বর্ষাকাল
এইসময় মনে হয় প্রতিবেশি দু-চারটা দেশ থেকেও মশা বেড়াতে চলে আসে। তা না হলে এত মশা আসে কই দিয়া?? o.O
আর এক একটা মশার যা সাইজ তা দেখিয়া আমিই ভয় পাইয়া যাই।
আকাশে কোনমতে মেঘ দেখা গেলেই এক সপ্তাহেরে মধ্যে আর কারেন্টের দেখা পাওয়া যাবে না, এই কারেন্টবিহিন অবস্থায় কম্পুর দিকে করুন দৃষ্টিতে চাহিয়া রই।
শিতকাল
এই ঋতুতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কারেন্ট, মশা এই সব ইস্যু গুলো থাকে না। এইদিক গুলা দিয়া খুশি থাকা যায়,
তবে যদিও এখন শিতকালেও কারেন্ট যাওয়াও শুরু করছে। দিন দিন ইহা কারেন্টের ফ্যাশনে পরিনত হয়ে গেছে।
শিতের দিনে চেয়ারে পকেটে হাত দিয়া পিসির সামনে বসি কিন্তু পকেট থেকে আর হাত বের করাতে মন চায় না। কিবোর্ডের দিকে তাকাইলে মনে হয় একটি বরফের খন্ড।
আর আমার মনে হয় সরকারের আমাদের এই এহেন সমস্যাগুলোর দিকে গুলোতে নজর দেওয়া উচিত।
যাহোক, অনেকক্ষণ হাত বরফের খন্ডে রাখলাম(কিবোর্ডে রাখলাম) এইবার বিদয়।
অনেকে বলতে পারেন ঋতু তো ছয়টা এখানে তিনটা কেন? আরে ভাই ছয় ঋতু ভুলিয়া যান ওইগুলা প্রাইমারির বইতেই থাকতে দিন। সেই দিন কি আর আছে? দিন বদলাইছে না!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



