দিল্লী বিধান সভা নির্বাচনে ৭০টি আসনের ৬৭টি পেয়ে শুধু বিজয়িই হন নি কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে আম আদমি পার্টি, সরকারী বিজেপি ও পরিবারতন্ত্রের ধ্বজাধারী কংগ্রেসকে অলমোষ্ট হোয়াইট ওয়াশ করে মাটিতে শুইয়ে দিয়েছেন। কেজরিওয়ালের কাজ কাম ফলো করছি গত বিধান সভা নির্বাচনের পর থেকেই। তার কথা, কার্যক্রম যত দেখছি, যত পড়ছি ততই অভিভুত হচ্ছি। অনেকটা হিন্দি ছবির সেই 'নায়ক' এর অনিল কাপুরের মত।
তবে কথা হলো, তিনি কিন্তু মোটেই ভন্ড বা আত্ন প্রবন্চক নন। তিনি যা তিনি তাই। তিনি যা বলেছেন তা করে দেখানো অত সোজা না। কারন শত বছরের ভয়াল ও ঘৃন্যতম শাষক শোষকেরা তাকে এক মুহুর্তও শান্তিতে থাকতে দেবে না। তার কাজ কামকে সফল করতে দেবে না। সেক্ষত্রে এক হয়ে যাবে শোষক কংগ্রেস, বিজেপি, ঘুষখোর পুলিশ, আমলা, দুর্নীতি করে ব্যবসা বাণিজ্য করে বড়লোক হওয়া তথাকথিত শিল্পপতি ব্যবসায়ীরা। তাই বলে কি তিনি থেমে যাবেন? না, থেমে ছিলেন?
কথা হলো কে হবেন বাংলাদেশের কেজরিওয়াল? আছেন কেউ? সত্যিকারের কেজরিওয়াল? ভন্ডামির কেজরিওয়াল নয়, আত্ন প্রবন্চনার কেজরিওয়াল নয়, এক্কেবারে সেইরাম খাটি কেজরিওয়াল? ক্ষমতা পাইলেও চোকিতে, মাটিতে, শক্ত বালিসে ঘুমানো কেজরিওয়াল, না পাইলেও তাই!
জনগনের ভোটে পাচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েও যিনি ছয় মাসের মাথায় লাথি মেরে ছেড়ে আসতে পারেন, জনগন যাকে সহস্রগুন আরো বেশী ফিরিয়ে দিয়ে তাকে আবারও নিয়ে আসেন ক্ষমতায়, সেই কেজরিওয়াল!
কেজরিওয়ালের বাপের নাম গান্ধী বা মোদি নয়। তবুও ওরা পারে! আমরাও পেরেছিলাম একবার সিলেটে। ১৯৯০ সালের উপজেলা নির্বাচনে ছক্কা ছয়ফুরকে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করে। প্রধানমন্ত্রী পদে কবে পারবো কে জানে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



