বাণিজ্যমন্ত্রী অনেক চেষ্টা করছেন। আপাতত দৃষ্ঠিতে তাই মনে হচ্ছে।
বাজার নিয়ন্ত্রনে উস্কানির একটা মূল্য আছে। যা ক্ষমতা বা জোর করে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়।
তার জন্যে কৌশল অনেক কার্যকরি। ক্রেতা সাধারনের ভোগান্তি সমষ্টিক অর্থনীতির একটা দায় মাত্র।
আমাদের সমষ্টিক অর্থনীতির একটা সমস্যা হলো অনিয়মিত অলস অর্থ রমজান মাস কে ঘিরে ব্যাবহার করা হয়।
বাজার ব্যাবস্থার উপর এই অনিয়মিত অর্থ বাড়তী চাপ সৃষ্ঠি করে।
সাধারন মানূষের ক্রয় ক্ষমতা এবং অর্থ প্রাপ্তির সহজলভ্যতা এক্ষেত্রে সব অর্থনীতির ডাটা ভেঙ্গে ফেলে কোন ডাটা আর কাজে আসে না।
ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম জোরদার হওয়ার পর খুচরা বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। মানূষের চাহিদা এবং সরবরাহ সব সময় অপ্রতুল থাকে। সেই সূযোগে পণ্যের দাম বাড়িয়ে নেয়ার সূযোগ থাকে।
আর বাংলাদেশ হয়ে পড়েছে খুচরা ব্যাবসায়ী দোকানদারদের দেশ। এতো দোকান যে দাম যার যার মতো । কোন সৎ ব্যাবসায়ী কোন একটি পণ্যে অধিক মুনাফা করেও একচেটিয়া ভাবে অন্য পণ্যে এভারেজ করতে পারে না। সব দোকানদারদের ব্যায় সমান কিন্তু লাভ থাকে না। কারণ প্রতিযোগিতা এবং অপরিকল্পিত ভাবে পাড়ায় পাড়ায় দোকান গড়ে উঠা এর একটি কারণ।
এখন সাধারন মানূষের যে ক্রয় ক্ষমতা তার আমি নাম দিতে পারি সূদযুক্ত ক্রয় ক্ষমতা।
এ থেকে পরিত্রান পেতে হলে রপ্তানীযোগ্য উৎপাদন মুখি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।
সাধারন মানূষকে সচেতন করতে হবে। যে রমজান মাসকে ঘিরে মানূষের নিয়ন্ত্রিত ক্রয় ক্ষমতা। প্রতিদিন অল্প অল্প বাজার একটা আপাতত সমাধান হতে পারে। পণ্য পরিবহন ব্যাবস্থাকে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনায় ঢেলে সাজাতে হবে। রেলপথকে পণ্য পরিবহনের জন্য সম্পূর্ন কার্যকরি তার সাথে বি, আর, টি, সির মাধ্যমে নদী পথে এবং সড়ক পথে পণ্য পরিবহন এর ব্যাবস্থা করতে হবে। সরকারী পর্যায়ে সব উপজেলা সদরে খাদ্য গুদামের আকার বড় করতে হবে এবং হিমাগারসহ খাদ্য পণ্য সারা বছর ধরে সংরক্ষনের ব্যাবস্থা করতে হবে। এই কাজ সরকারের একটি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে সারা বছর ধরে করতে হবে। হঠাৎ করে পুলিশ বিডিআর ড়্যাব অথবা আর্মি নামালে সমস্যা আরো খারাপের দিকে যেকে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



