* প্রত্যেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে পাবেন।
* লিবিয়া থেকে ফিরে আসার সময় বিমানবন্দরে পূরণ করা দু'টি ফরমের একটি অংশ প্রত্যাগতদের কাছে রয়েছে। এটি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
* ৩ জুলাই প্রথম কর্মদিবস থেকে আইওএম একটি কল সেন্টার খুলবে।
* কল সেন্টারে টেলিফোন করে প্রত্যাগতদের ব্যাংক হিসাব নম্বর নেওয়া এবং বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হবে।
* ব্যাংক হিসাবের নম্বরসহ এসব তথ্য নিয়ে প্রত্যাগতদের জন্য স্থাপিত কল সেন্টারে যোগাযোগ করে তথ্য পরীক্ষায় সহায়তা করতে হবে।
* জুলাইয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে ।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, "সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকল্প নিয়ে তা অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। ফলে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই লিবিয়া প্রত্যাগতরা সহায়তার অর্থ হাতে পাবে।"
লিবিয়াফেরত বাংলাদেশিদের পুনর্বাসনে বিশ্বব্যাংক ৪ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা) দিচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ সচিব জাফর আহমদ খান বলেন, প্রত্যেকে পাবেন ৫০ হাজার টাকা। এর আগে এসব ব্যক্তিকে দেশে আনতে জনপ্রতি ১ হাজার ২৬০ মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছে। ফলে জনপ্রতি সরকারি সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় দেড় লাখ টাকা।
আইওএম'র আঞ্চলিক প্রতিনিধি রাবাব ফাতেমা বলেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৫৪১ জন কর্মী লিবিয়া থেকে ফিরেছে। এখনো কিছু কর্মী ফেরতের অপেক্ষায় রয়েছে। তাদেরও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
এ বছরের শুরুতে লিবিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হলে বাংলাদেশিসহ প্রবাসী অন্যরা আফ্রিকার ওই দেশটি ছাড়তে শুরু করে। বাংলাদেশিদের ফেরাতে সহায়তা করে আইওএম।
আগামী জুলাইয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে জানিয়ে ফাতেমা বলেন, প্রক্রিয়া শেষে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য সোনালী ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে সহায়তার অর্থ বিতরণ করা হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



