somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বইয়ের ভেতরের নান্দনিক এনাটমি দেখলেই মুগ্ধতা কাজ করে

২৯ শে অক্টোবর, ২০২২ রাত ৮:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের দেশের অনেক লেখক আছেন যারা বইয়ের ব্লার্ব (অথর ফ্ল্যাপ, বুক ফ্ল্যাপ) নিয়ে মোটেও সচেতন নন। লেখক পরিচিতিতে তারা চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করেন। বইয়ের ডেডিকেশন পেজেই ন্যারেট করেন পৃষ্ঠা জুড়ে। এই বিষয়গুলো পাঠকদের বিরক্তিকর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রচ্ছদ, পোস্তানী, পৃষ্ঠা বিন্যাস, ইলাস্ট্রেশন এই বিষয়গুলোতে অনেক লেখক, প্রকাশক মোটেও রুচির স্বাক্ষর রাখেন না। তারা বইয়ের পেছনে বিনিয়োগ করেন ঠিকই, বিনিয়োগ হয়। দিনশেষে বইয়ের প্রডাকশন নান্দনিক হয়ে উঠে না।

অনেক বই দেখেছি বইয়ে অস্বাভাবিক ফন্ট সাইজ ব্যবহার করেন। অনেকে ২/৩ রকমের ফন্ট ব্যবহার করেন। সেলফ পাবলিশড বইগুলোর ক্ষেত্রে এই ঘটনাগুলো বেশি ঘটে থাকে। আবার দেখা গেছে অনেকে লেখক বিরক্ত হন যদি তাদেরকে এই বিষয়গুলো নিয়ে কিছু বলা হয়।
অনেক বই আছে, যেগুলোতে শুদ্ধ বানানের ব্যাপারে একদম খেয়াল করা হয় না। পাণ্ডুলিপি মোটেও সম্পাদনা করা হয় না। হয়তো অনেকেই বলবেন এরকম বই কিনেন কেন, পড়েন কেনো? অনেক সময় প্রয়োজনে, অনেক সময় অপ্রয়োজনে পড়তে হয়।

আজকাল অনেক মানুষই বই লিখেন, কিন্তু খুব কম মানুষই বই পড়েন। বইপড়ার সংস্কৃতি কমে গেছে ডিজিটাল অনেক ডিভাইসের আগ্রাসনের কারণে। এ ছাড়াও অবসর সময় কাটানোর জন্য অনেক প্লাটফর্মও তৈরি হয়েছে। এখন একটা অদ্ভুত সময় পার করছি আমরা। জীবনে কখনো বই না পড়েও সময় ও জীবন পার করে ফেলা যাচ্ছে।

আমার কাছে বই পড়াটা একটা যাদুময় পরিভ্রমণের মতো। খুব ভালো লাগে বই পড়তে। এই পরিভ্রমণে অন্যরকম মাধুর্যতা কাজ করে। জীবনের অবসর দিনগুলোতে অন্তত বই পড়া উচিত। বই পড়ে হয়তো দেউলিয়া হয়ে যেতে পারেন কিন্তু বইয়ের সৌরভ আপনাকে একরাশ মুগ্ধতা দিবে আপনার প্রিয়জনদের মতো। হ্যাপি রিডিং।


(ছবিটি ব্যাংককের একটি লাইব্রেরি থেকে তোলা। এই লাইব্রেরিয়ান কখনো বই পড়েন না। তিনি সেখানে চাকুরি করেন। তার বইপড়ার সময় ও সুযোগ দুটোই আছে। তবে বইপড়ার অভ্যেস নেই।)

হাসান ইকবাল
১৯ অক্টোবর ২০২২
চিলডম, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০২২ রাত ৮:০৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন তার আকাশের বলাকা || নিজের গলায় পুরোনো গান || সেই সাথে শায়মা আপুর আবদারে এ-আই আপুর কণ্ঠেও গানটি শুনতে পাবেন :)

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৬ ই জুন, ২০২৪ রাত ১০:০০

ব্লগার নিবর্হণ নির্ঘোষ একটা অসাধারণ গল্প লিখেছিলেন - সোনাবীজের গান এবং একটি অকেজো ম্যান্ডোলিন - এই শিরোনামে। গল্পে তিনি আমার 'মন তার আকাশের বলাকা' গানটির কথা উল্লেখ করেছেন। এবং এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাইকা লেন্সে তোলা ক’টি ছবি

লিখেছেন অর্ক, ১৭ ই জুন, ২০২৪ সকাল ১১:৩০




ঢাকার বিমানবন্দর রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকার সময়, ক্রসিংয়ে তোলা। ফ্ল্যাস ছাড়া তোলায় ছবিটি ঠিক স্থির আসেনি। ব্লার আছে। অবশ্য এরও একরকম আবেদন আছে।




এটাও রেল ক্রসিংয়ে তোলা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কার গল্প জানেন ও শুনতে চান?

লিখেছেন সোনাগাজী, ১৭ ই জুন, ২০২৪ বিকাল ৫:৩১



গতকাল সন্ধ্যায়, আমরা কিছু বাংগালী ঈদের বিকালে একসাথে বসে গল্পগুজব করছিলাম, সাথে খাওয়াদাওয়া চলছিলো; শুরুতে আলোচনা চলছিলো বাইডেন ও ট্রাম্পের পোল পজিশন নিয়ে ও ডিবেইট নিয়ে; আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাবাকে আমার পড়ে মনে!!!

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৭ ই জুন, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫২

বাবাকে আমার পড়ে মনে
ঈদের রাতে ঈদের দিনে
কেনা কাটায় চলার পথে
ঈদগাহে প্রার্থনায় ..
বাবা হীন পৃথিবী আমার
নিষ্ঠুর যে লাগে প্রাণে।
কেন চলে গেলো বাবা
কোথায় যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×