রোদের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আকাশের রঙ মেশানো চা খাচ্ছিলাম,
বিকেলের নদীটা উচ্ছল ; খুব জল তর তর ! চায়ের চুমুকে উঠে এলো....
সহসা থমকে গেলো জলের নূপুর - জলারতি । আমার ঠোঁটের ভাঁজে
সুরালাপ, নক্ষত্রের বৃতি ; সপ্তসুরে বেজে উঠে হৃদয়ের সীমানা অবধি ।
একটি মায়াবী গাঙচিল - উড়াল মেঘের রোদ, ইতিউতি উড়ে যাচ্ছিলো
অরণ্যে মুখর ডানা, ব্যতিহার ! উড়োঝুড়ি পুরোটা আকাশ নিয়ে ঠোঁটে -
শিশিরে আনত চোখ - চায়ের ছায়ায় নেমে এলো । ফাগুনের ফুলাসার -
প্রিয়সুর প্রেয়সী যেমন - রতিরঙ বরষাত ; বুকের উঠানে নেমে আসে ।
রোদের ব্যালকনিতে এখন মেঘ নদী ফুল আর যুথবদ্ধ পাখিদের ভীড়,
চায়ের বিথার ভাঙা ধূমায়িত কুণ্ডলীর মেঘে উড়ে যাচ্ছে সব - চলছবি -
জলরঙ ফুলের বিভাস, নদীর ডাগর ঢেউ ; পাখিদের মগ্ন কোলাহলে
গোধুলীর ধুপছায়া-বালি ; আমার তাবৎ প্রেম, কবিতার বিমোহ বিস্তার ।
আমার ঠোঁটের ভাঁজে ঘাসফুল সবুজের ছায়া, বিকেলের ভরাজল নদী -
মাধবীলতার রঙ - উড়ছে বালিকা ; আমার উড়াল চোখ - চায়ের পিরিচ !

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


