গাজার অগনিত অসহায় সাধারণ মানুষের জীবনের তুলনায় আরবপতিদের কাছে অনেক অনেক গুন দামী উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া তাদের রাজতন্ত্রকে রক্ষা করা..
-------------------------------------------
ইসরায়েল আর প্রাশ্চাত্য বিশ্বের ভাই-ভাই খেলায় আরব রাজাদের অবস্থান কোথায়?
গাজায় ইসরায়েলের অমানবিক আক্রমনে আর্থিক কিংবা সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা যুক্তরাষ্ট্র এবং বৃটিশ সরকারকে বড় ভাই ছোট ভাইয়ের ভুমিকায় দেখেছে বিশ্ববাসী।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে সেই খেলায় আর্থিক সহায়তা করে ইসরায়েলীর সাথে অমানবিক খেলায় অংশ নিয়েছে মুসলিম জাহানের অধিপতিরাও।
প্রস্ন হচ্ছে, আরবপতিরা যতই চেস্টা করছে ইসরায়েল আর পশ্চিমাদের ভাই হতে কোনদিনো কি ইসরায়েল কিংবা তার দোশররা তাদেরকে ভাইয়ের মর্যাদা দিবে?দেওয়ার প্রস্নই উঠে না বরংচ আরবপতিদের অবস্থান ব্যাক্ত করতে গিয়ে ইসরায়েল অনেকবার জানিয়েও দিয়েছে যে.ইসরায়েল আরবপতিদের একটি বিশেষ শ্রেনীর প্রানী ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না।
তবে কেন মুসলিম জাহানের অধিপতিরা হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ করে একটি অফাদার গোত্রীয় বিশেষ শ্রেনীর প্রানী হতে চাইছে?
উত্তরটা খুবই সহজ, পশ্চিমা বিশ্ব গনতন্ত্রের নামে বিশ্ব ব্যাপী অন্ধকার যুগের মানুষদেরকে নিয়ে যে বিলিয়ন ডলার ব্যাবসা করছে তার একজন এন্টারপ্রিনার হচ্ছে এই ইহুদিবাদী ইসরায়েল। তাদের ঈশারায় যে কোন মুহুর্তে ধস নামতে পারে আরব রাজাদের উত্তরাধিকারী সুত্রে পাওয়া রাজতন্ত্রের্।
আরব পতিদের ইসরায়েলের কিংবা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য একধরনের বিশেষ শ্রেনীর প্রাণীর ভুমিকায় অভিনয় করার একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে., তাদের রাজতন্ত্রের উপর যাতে কোনরূপ আঘাত না আসে। গাজায় অগনিত অসহায় সাধারণ মানুষের জীবনের তুলনায় অনেক অনেক গুন দামী তাদের এই উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া রাজতন্ত্র।
খবর্: আরব রাস্ট্র গুলো গাজায় হামলাকারী মানবতার শত্রু ইসরায়েলের যুদ্ধের খরচ বহন করছে।
মন্তব্য : কেনই বা করবে না? আরব রাজারা কোনদিনই মানবতার পক্ষে ছিল না। তারা সবসমই ছিল অমানবিক। একজন মানবতার শত্রু আরেকটি মানবতার শত্রুকে সাহায্য করবে এটাই ত সাভাবিক।
*ফিলিস্তিনিদের এই আন্দোলন কোন ধর্মীয় আন্দোলন নয়। সেটলার কলোনিয়াল ইসরায়েলের হাত থেকে তাদের সাধীনতা পুনোরুদ্ধারের করার জন্য লড়ে যাচ্ছে তারা।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৭:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



