somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিষয়: অংকশাস্র, জনগণ নিজেকে চুরের হাত থেকে বাচাতে গিয়ে ধরা দিচ্ছে ডাকাতের হাতে!

০৯ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিষয়: অংকশাস্র, জনগণ নিজেকে চুরের হাত থেকে বাচাতে গিয়ে ধরা দিচ্ছে ডাকাতের হাতে!
---------------------------------------------------
সৈরাচার এরশাদের হাত থেকে যেভাবেই হোক দেশকে রক্ষা করতেই হবে। জীবন দিল ডা মিলন,নুর হোসেন সহ অনেকেই। জনগণের ভোটে গনতান্ত্রিক সরকার গঠন করলো বিএনপি। পাচ বছরের ক্ষমতায় জাতিকে নিয়ে গেল মাইনাস নামক জায়গায়। আমরা বিরাট ক্ষমতার অধিকারী জনগণ পরের বার বিএনপিকে আস্তাকুরে ফেলে দিয়ে দিলাম নৌকায় ভোট। জনগণ ত বিরাট খুশী যে এইবার বিএনপির শিক্ষা হয়েছে। কয়েক দিন যেতে না যেতেই জনগণ দেখলো ওমা এরা দেখি বিএনপির থেকে বেশী খারাপ! এরাতো জনগণকে এলাকাই থাকতে দিচ্ছে না।তারা জনগণকে দেখিয়ে দিল যে অংকশাস্রে মাইনাসের পরেও গননা করা যায়।
কি আর করা সাধারণ জনগণ মনে মনে ভোটের দিন কবে আসবে তা গুনতে থাকে। এদিকে বিএনপিও ক্ষমতা হারিয়ে জনগণ-জনগণ বলে কেদে যাচ্ছে। চালাক জনগণ ভাবলো বিএনপির বুঝি বোধোদয় হয়েছে। এইবার ধানের শিষে ছিল মেরে বুঝিয়ে দিব আওয়ামী লিগকে যে, আমাদেরও ক্ষমতা আছে। যা ভাবা তাই তারা করলো। ক্ষমতায় এলো জনগণের অতি প্রিয় দল বিএনপি। জনগণ ভাবলো যাক বাচা গেল। কিছু দিন যেতে না যেতেই দেখা গেল বিএনপির নতুন রুপ। আগে ত ক্ষমতাসীন দল বিরোধীদল আর সাধারণ জনগণের উপর স্টিমরুলার চালাত এরা সেই সংগে যোগ করলো তার নিজের দলের ক্যাডার সহ বিএনপি উত্থানে জিয়াউর রহমানের যাদের ভুমিকা ছিল তাদের উপরও। ফলে অত্যাচারীত জনগণের সাথে আরেক নাম যুক্ত হলো জিয়াউর রহমানের সাথে যারা বিএনপি নামক রাজনৈতিক সংগঠনটি বানিয়ে ছিল তারা। ঠিক এই জায়গাটাই সফল হয়েছিল বিএনপির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলিগ। ফলাফল যা হওয়ার তাই হলো বিএনপি ছাড়তে বাধ্য হলো তারা। আর সেই যায়গায় স্থান করে নিল আওয়ামীলিগে স্থান করতে না পারা ফেলু নেতারা। তাদের উদ্ভট মস্তিষ্কের ফল অনুযায়ী বিএনপি এক্ষান প্রহসনের নির্বাচন করে বসলো। করলো এই কারনে যে সাভাবিক নির্বাচন দিলে এর ফলাফল কি হতে পারে তা তাদের জানা ছিল। রাজনীতিবিদদের বাইরে রেখে এখান সেখান থেকে আসা সুবিধাবাদীদের কথার উপরে যে এরকম একটা ইলেকশন করা যে উচিত হয়নি তারেক জিয়াকে কয়েকদিন পরেই বুঝিয়ে দিল ফকরুদ্দিন মইনুদ্দিনেরা। সে এখনো বাংলাদেশের বাইরে বসে বুঝে যাচ্ছে তা। বিএনপির তথাকতিত শুভাকাংখীরা গা ঢাকা দিল।
সামরিক শাষন আর কতোদিন রাখা যায় তাই ফকরুদ্দিন মইনউদ্দিনেরা দিল নির্বাচন। বলা বাহুল্য চক্রাকার ভিত্তিতে জিতল আওয়ামীলিগ। বিএনপি দিন গুনছে পাচ বছর পর তো আবার ক্ষমতায় আসবো তাই সব নেতারা অপেক্ষার দিন গুনছিল আর তাদের সাথে ছিল ক্ষমতায় থাকার সময়ের ধান্ধা করে কামানো টাকা। তারা ভুলে গিয়েছিল যে, তারাও বক্কর চক্কর এক্ষান জীবন্ত নির্বাচন করেছিল। আওয়ামীলিগ তাদের দেখানো রাস্তায় খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করলো ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন। তবে এবার তারা বিদেশীদের হাত করে নিলো আগেই।
এর ভিতরে বিএনপি ভরে গেল বাটপা বাবাতে। খালেদা জিয়া যতই আন্দোলনের ডাক দিচ্ছে জনগণ কিংবা সাধারণ কর্মীরা রাস্তায় নামছে না। সারা জীবন বিএনপির জন্য খেটে গেল অমুক তমুক আর এখন বাটু মিয়া তারেক জিয়ার বন্ধু বলে আর তিটু মিয়া খালেদা জিয়ার কাছের লোক বলে সবাই সব গুলি অংগ সংগঠনের সভাপতি তারা কোথায়? আগে হাই কমান্ডের সহযোগিতায় প্রচুর মাল কামিয়েছে বলে তারা এখন বিদেশে আছে। যে দলের তৃণমূলের কর্মীদের এই অবস্থা জনগণ সায় দেয়নি তাদের ডাকা আন্দোলনে। তার থেকেও. বড় কথা হলো জনগণ কোথায় যাবে? তারা ত এক চুরের হাত থেকে সরে গিয়ে আরেক চুরের হাতে পড়ছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১২:৫১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×