ুমায়ুন াহমেদ।আজ থেকে এক বছর আগেও আমি এই লোকটাকে খুবই অপছন্দ করতাম।যদিও খুব ছোট বেলাতে তার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়।তার যেই বইটি পড়ে আমি আমার হুমায়ুননামা শুরু করেছিলাম সেই বইটির নাম ছিল খুব সম্ভবত "ভুত,ভুতং,ভুতউ"।মন্ত্রমুগ্ধের মত পরেছিলাম বইটি।এর পর একে একে পরিচয় হল হিমু,মিসির আলি,শুভ্র,রুপা দের সাথে।মনের অজান্তেই কি ভাবে যেন এক নীবির মায়ার বাঁধনে আবদ্ধ হয়ে গেলাম এই মহান মানুষটির সাথে।এর পর ঘটে গেল সেই বহুল বিতর্কিত ঘটনা।থাক আমি আজ সেই কথা নাই বললাম। এর পর প্রায় আট বছর কেটে গেল।পড়ে দেখা হয়নি আর একটাও হুমায়ুননামা।এক কথায় বলতে গেলে আমার চোখে হুমায়ুন আহমেদ হয়ে উঠল এক আসুস্থ মানুষ যে কিনা সমাজের সকল নিময়কে বৃধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের মেয়ের বান্ধবীকে বিয়ে করে বসল।
এরপর হটাত কোন এক অজানা কারনে তার "একজন মায়াবতী" বইটি পড়ে ফেললাম। বইটি শেষ করে নিজের মধ্যে এক ধরনের অপরাধবোধ কাজ করা শুরু করল।একজন লেখককে আমি তার লেখা দিয়ে বিচার না করে তার কৃতকর্ম দিয়ে কেন এই দীর্ঘ সময় বিচার করলাম।আমার কি আদৌ সেই যোগ্যতা আছে।এর পর এক নাগারে পড়ে ফেললাম তার 'তেতুল বনে জ্যোৎস্না','কবি','বল পয়েন্ট','কাঠ পেন্সিল'...........আর অনেক বই।তার এই বই গুলো আমাকে নতুন করে আবার ভালবাসতে শেখাল।
আজ সে নেই।আমাদের ছেড়ে চলে গেছে অনেক দুরে।তবুও আজ কিছু মানুষ তাকে নিয়ে সেই একই ভুল করে যাচ্ছে।যেই ভুল আমি করেছিলাম কোন এক সময়।
সবার কাছে আমার একটি ছোট অনুরোধ।আসুন আমরা সবাই মিলে তাকে একটু শান্তিতে ঘুমাতে দেই।
আমি আমার লেখা শেষ করব স্যার এরই একটি বইয়ের লাইন দিয়ে.....
"তুমি ামার জন্য দু'ফোটা চোখের জল ফেলেছ-তার প্রতিদানে আমি 'জনম জনম কাঁদিব।'"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



