somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

.. আমার স্বাধীনতা দিবস ২০১০ ..

২৭ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সারারাত ঘুমাইনি। কি করে করে যেন রাত চলে যায়। ভোরের দিকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম ".. রাত্রি যেন প্রেয়সী, নির্ঘুম কাটে রাত এখন .." সোলস্ ব্যান্ডের গান। নাস্তা যখন করলাম, তখন মনে হয় সকাল ৭টা।

৯টার দিকে নাজমুল ভাই ফোন দিলেন :
- কি করিস?
- ব্লগ পড়ি।
- বের হবি?
- হুম। কখন বের হবা?
- আমিতো এখনই বের হয়ে যাচ্ছি।
- ঠিক আছে। কোথায় আসবা? TSC তে আসি?
- হুম, সেখানে আসলেই ভালো হয়।
- ok. আসতেছি।

রিকশায় করে TSC পৌছলাম ১০টার দিকে। এক হাতে চা আরেক হাতে সিগারেট নিয়ে শুরু হল আমাদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা। 'স্বাধীনতা দিবসের কোন চেতনাই নেই। কারো মাঝে এটা দেথা যাচ্ছেনা। কেউ চেততেছেইনা! এমন দিনে TSC তে মানুষ নেই। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানগুলো কোথায় হচ্ছে?' এইদিয়ে শুরু আমাদের আলোচনা। এরপর ৭ই মার্চ, ২৬শে মার্চ, বঙ্গবন্ধু, ভাসানী, বর্তমান রাজনীতি, যুদ্ধাপরাধী, বিজ্ঞান, ধর্ম ইত্যাদি অনেক কিছু নিয়ে দীর্ঘ আলেচনা শেষে প্রায় ১২.৩০টায় আমরা সেখান থেকে উঠলাম। এর মাঝে আমাদের প্রিয় রেজা আপু(!) আসছে বললো। বেশ কিছুক্ষন হাটাহাটি করার পর রেজা আসলো। আমরা হাটতে হাটতে নীলক্ষেত গিয়ে তেহারী খেলাম (নাজমুল ভাই খাবারে পোকা পেলেন :-*)। খাবার শেষে আমরা আবার ভার্সিটি এলাকায় ঢুকলাম।

আমি সোজা চলে এলাম চারুকলায়। তখন বাজে ৩টা। সেখানে রিমি তার বোন কথনকে নিয়ে এসেছিল যেমন খুশি তেমন আঁকো চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায়। প্রথম আলো ব্লগারস মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এটি আয়োজন করেছিল। সেখানে নিবির ভাই এর সাথে দেখা হলো। কথন ছবি একে একটি পুরষ্কারও পেলো।

এরপর আমি ধানমন্ডি ৮/a এর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। যাবার কিছুক্ষন পর মাগরিবের আযান দিল। সেখানে আগে থেকেই নাজমুল ভাই, রেজা আর দীপু ছিল। আমরা দাড়িয়ে কিছু্ক্ষন গল্প করলাম। একটু পর মর্তুজ আসলো, এর কিছুপর দীপক। আমরা একজায়গায় বসলাম। আবার চা সিগারেট হাতে নিয়ে গল্প। গল্প শেষে বাস কাউন্টারের সামনে গিয়ে সবার কাছ হতে বিদায়। দীপক আর আমি বাসে উঠলাম। জ্যাম ছিলনা একদম। খুব তাড়াতাড়ি বাস পল্টন পৌছে গেল। দীপক নেমে গেলো। বাস যখন মতিঝলের উপর দিয়ে গেল তখন দেখলাম বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উঁচু উঁচু বিল্ডিং গুলোতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নানারঙের আলোসজ্জায় এলাকা ঝলমল করছে। দেখতে ভালোই লাগলো, তবে আরেকটা কথাও মনে আসলো, এমন লোডশেডিং এর সময় এত আলোসজ্জা না করলেও হতো। যাই হোক, বাসায় যথন আসলাম তখন প্রায় ১০টা বেজে গেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×