স্বপ্নের মধ্যে একখানা কবিতা লিখছিলাম,
তা স্বপ্নের মধ্যেই রয়ে গেলো।
কবিতা রয়ে গেছে তাতে অবশ্য তেমন কিছু যায় আসে না
তবে কবিতার মধ্যে কেউ একজন ছিলো
- তাকে কি কোনভাবে ফেরানো যায় না?
ছায়াকুঠুরীর মতো তার দু'খানা চোখ ছিলো,
একটা শান্ত নদীর স্রোত বয়ে গেছে যার জানালা দিয়ে।
কাঠবিড়ালির মত টানা টানা চাহনিতে
আমার অস্তিত্ব এলোমেলো ছিলো,
কিছুটা বা'পাশে কাঁধের উপর,
চুল গুলো বুনো লতার মত চেয়ে রইল।
নগরের এপাশটায় আলো তেমন জ্বলে না,
আবছা অন্ধকারে স্যাঁতস্যাঁতে ঘরটায়-চাঁদের
আলোও ঠিক পৌঁছায় না,
বাবুদের সুউচ্চ দালানে চাঁদের আলোও যে
জমে যায়,
সেখানে বিধাতা কোনকালে পৌঁছবেন কিনা কে জানে?
থাক গিয়ে,
সোশিয়ালিস্টিক আমি নই বটে।
আঁশটে শরীরখানা ঝাপটে ধরে সে যখন আদর করে-
জোছনা না দেখি, জোছনা ডুবাইলো বোধহয়
বুকের মধ্যে চিড় ধরে,
শুনেছি- সে রাতেও বাবুদের হৃদয় নাকি প্রতিনিয়ত ভাঙে,
মদের গেলাসে বুদবুদ গন্ধে, বেশ্যাও দেখি নাক ছিটকাইয়া
মরে।
বলি, স্বপ্নের মধ্যে আমার ভাঙা কুঠিরে,
কে যেনো মুখ লুকাইয়া চায়, আমার গভীরে-
বিদ্রোহী ছিলাম, বন্দী ছিলাম,
সকালে আলো চুরির আসামী হইলাম,
কিন্তু যে আলো আমার বুকে নিভে অন্ধকারে মিশে
তারে কি নিভায়-জ্বালে?
চোখ গুলান খুইলো-
আমার আলো নিভে আসে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

