somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি .................অভিগ্গতা

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এবার লিখব অন্যরকম একটা ভ্রমন কাহিনী নিয়ে । জানিনা আপনাদের কেমন লাগবে । 2000 সালের এপ্রিলের শেষ দিকের কোন এক দিনে তিন বন্ধুমিলে হূট করে সিদ্্বান্তনিয়েছিলাম সিলেটে যাব । সিদ্্বান্তটি নিয়েছিলাম ঠিক রাত 9টার দিকে যখন আমরা আমাদের নিজস্ব সাইবার ক্যফের রাতের হিসাব নিকাশ শেষ করে বাসাই ফিরছিলাম ।

[ একটা তথ্য বলে রাখা ভালো । আমরা তিন বন্ধু(রাসেল, মুন্না ও আমি) এক বড় ভাইয়ের সহায়তায় সাইবার ক্যফে সহ একটা কম্পিউটার ফার্ম দিয়েছিলাম ধানমন্ডি 27 নম্বর রোডে । রাসেলই সারাদিন ফার্মটি দেখে রাখত । কারন আমি আর মুন্না পড়ার চাপে তেমন সময় দিতে পারতাম না । ]

তো যেই চিন্তা সেই কাজ, Decission নিয়ে ফেললাম ঐ দিন রাতেই কোন এক ট্রেনে করে রওনা দিব । এই বলে সবাই যার যার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম প্রস্তুতি নেওয়ার জন্যে ।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা কমলাপুর রেলষ্টেশনে মিলিত হলাম । আগের থেকেই জানতাম কোন টিকেট মিলবে না । তাতো মিলে নাই উলটো শুনলাম যে সিলেটের ট্রেন কিছুক্ষন আগে ঢাকা ছেড়ে গিয়েছে সিলেটের উদ্দেশ্যে । কি করব কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না । হঠাৎ রাসেল একটা বুদ্্বি দিল । তখনো চট্রগ্রাম গামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ছাড়তে আরো 15-20মিনিট বাকী ছিল । এক পুলিশকে বলাতে সে তাদের কম্পার্টমেন্টে আমাদের জন্যে 3টা সিটের ব্যবশতা করে দিল জনপ্রতি 50টাকার বিনিময়ে এই শর্তে যে আমাদের আখাওড়া নেমে জেতে হবে । আখাওড়ায় নামার পর আমরা উদয়ন নামক একটা লোকাল ট্রেনে উঠলাম । মুলত এখানে যে বিব্রতকর পরিসতিথিতে পরেছি তা নিয়েই এই লিখাটি ।

উদয়ন এক্সপ্রেসে উঠার পর দেখলাম এখানকার সিটগুলি একটু অন্যরকম । একটা বগিকে কয়েকটি অংশে বিভক্ত করে প্রতিটি অংশে দুটি মুখোমুখি লম্বাটে সিট বসানো এবং প্রতিটির উপরে একটি শোয়ার জায়গা রয়েছে । আমরা যখন একটা অংশে প্রবেশ করলাম দেখলাম যে একটা সিট পুরোপুরি খালি এবং অন্যটিতে কেউ একজন মাথা পর্যন্ত চাদর ঢেকে ঘুমাচ্ছে । যাই হোক আমরা গল্প গুজব করে সময় পার করছিলাম । পরবর্তী ষ্টেশনে ট্রেন থামার পর দেখি আমাদের সামনের সিটে 2জন মহিলা ও 1টি ছোট ছেলে এসে বসল । এখন আসি আসল ঘটনায় । মহিলাদের সিটের উপরে যে চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়েছিল সে কিছুক্ষন পরপর পস্রাব করতেছিল । মহিলারা অনবরত তাকে গালি দিয়ে যাচ্ছিল । কিন্তু ঐ লোকের কোনো বিকার নাই । একসময় মহিলারা তাকে পানি ছিটালো, ধাক্কা মারলো । কিন্তু বিধিবাম, কোনো লাভই হল না । ব্যপারটা আমরা খুবই এনজয় করলাম এবং একটু অবাক হলাম ঐটুকুন পুচকে ছেলের গালির ষ্ঠক শুনে ।

ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে ওঠলাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×