somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঐতিহাসিক ১১ মে: কুরআনের মর্যাদা রক্ষায় মাইলষ্টোন -মুহাম্মদ আবদুল জববার

১০ ই মে, ২০১৪ রাত ১২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুরআন আল্লাহর সৃষ্টির
মাঝে অন্যতম। ধরার
বুকে সবচেয়ে দামী।
কুরআনের
সংস্পর্শে এসে মানুষ অনেক
দামী হয়েছে, আর সে কারণেই
মানুষ আশরাফুল
মাখলুকাতের আসনে সমাসীন
হয়েছে। হয়রত ওমরের মত
ইসলাম
বিদ্বেষী ব্যক্তি কুরআনের
সৈনিক হয়ে নিজের
জীবনকে আল্লাহর
রঙ্গে রঙ্গিন করেছেন,
দ্বীনের
ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়ে দ্বীনকে বিজয়ী করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন
করেছেন। আবার হয়রত
বেলালের মত কৃতদাস
মর্যাদার আসনে সমাসীন
হয়েছেন।
আল-কুরআনের মুল
আলোচ্য বিষয় হলো মানুষ।
মানুষকে মহান আল্লাহ
তা’য়ালা তাঁর
প্রতিনিধি হিসেবে পৃথিবীতে প্রেরণ
করেছেন। আর প্রতিনিধিত্ব
করার জন্য দিয়েছেন নির্ভুল
গাইড আল কুরআন।
যুগে যুগে বিভিন্ন গোত্র-
সম্প্রদায়ের নিকট আল্লাহ
তা’য়ালা নবী-রাসুল
বা বার্তাবাহক
পাঠিয়েছিলেন। আর সর্বশেষ
নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর
নিকট পাঠান আল-কুরআন।
আল-কুরআন নাজিল হওয়ার
পর আল্লাহ তা’য়ালা সকল
মতাদর্শ বা ধর্মের
পদ্ধতিকে রহিত করে মানব
সম্প্রদায়কে মুহাম্মদ (সঃ)
প্রদর্শিত পথ অনুসরণ
করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আবার সৃষ্টি জগতের
মাঝে শুধু মানুষকে আল্লাহ
ভাল-মন্দ বিচার বিবেচনার
মাধ্যমে নিজের পছন্দসই
পথে পরিচালিত হওয়ার
স্বাধীনতা দিয়েছেন। তাই
প্রত্যেক নবীরাই তাদের
কাওমকে আল্লাহর নির্দেশ
পালনের জন্য আহবান
জানাতেন এবং তাঁর অনুসরণ,
অনুকরণ না করার
পরিণতি সম্পর্কে ওয়াকিফহাল
করতেন। যেমন আল্লাহ
তা’য়ালা কুরআনে বলেন
“রাসুল (সঃ) তোমাদের জন্য
যা নিয়ে এসেছেন তা গ্রহণ
করো এবং যা নিষেধ
করেছেন তা থেকে বিরত
থাক। আর আল্লাহ
তা’য়ালাকে ভয় কর। নিশ্চয়
আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা
”(সুরা হাশর-৭)।
এসব আহ্বান যাদের
কাছে অসহ্য
মনে হয়েছে তারাই কুরআনের
বিরুদ্ধে নানাভাবে নিজেদের
অবস্থান জানান দিয়েছে।
তারা নানা ধরনের
বাধা প্রদানের
মাধ্যমে তাদের গ্রাত্রদাহের
বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
আল্লাহদ্রোহীরা কালে কালে কুরআনের
প্রচার-প্রসারকে বন্ধ
করে দেয়ার জন্য
নানা ছুঁতোয় গন্ডগোল
পাকিয়েছে। কিন্তু আল্লাহর
সিদ্ধান্ত
হচ্ছে তিনি যে কোন
মূল্যে তিনি তাঁর দ্বীনের
আওয়াজকে বুলন্দ করবেন।
আল্লাহ বলেন-
“এরা (কাফেররা) তাদের
মুখের ফুৎকারে আল্লাহর
নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়,
অথচ আল্লাহর
ফয়সালা হলো তিনি তার
নূরকে প্রজ্বলিত
করবেন।” (সূরা সফ : ৮)
নবী আগমনের
পূর্বে অন্ধকারের
কালো থাবায় অস্থির
মানবতা যখন গুমরে কাঁদছিল,
ঠিক তখন নবী মুহাম্মদ (সঃ)
মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের
নির্দেশনা নিয়ে মানবতার
দুয়ারে হাজির হলেন।
প্রতিটি যুগে ফেরাউন
নমরুদের
উত্তরসূরীরা ক্ষমতা হারানোর
ভয়ে নবীদের উপর
নির্যাতনে সর্বশক্তি প্রয়োগ
করতো। নবী করিম (সঃ) এর
ব্যাপারেও এর ব্যতিক্রম
হলনা। শত প্রতিকূলতার
পরও একদল
সাহসী আল্লাহর গোলাম
নবীর
আহবানে সাড়া দিয়ে ইসলামের
অগ্রযাত্রাকে সামনের
দিকে দূর্বার
গতিতে এগিয়ে নেন। এইসব
মানুষ ইতিহাসে সোনার মানুষ
হিসাবে কিয়ামত পর্যন্ত
মানবতার মাঝে অনুরণিত
হবেন। আল কুরআনই ছিল
এঁদের জীবনের অনন্য গাইড
লাইন।
কুরআনের অগ্রযাত্রায় ভীত
হয়ে নানাভাবে এর
বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে।
ফলে কুরআনপ্রেমীদের হৃদয়
আহত হয়েছে। ১৯৮৫ সালের
১০ এপ্রিল কুরআন
বাজেয়াপ্ত করার ঘৃণ্য
আবেদন করে মামলা হয়
কলকাতা হাইকোর্টে। এ
ঘটনায় বিক্ষোভের ঢেউ
আছড়ে পড়ে সারা মুসলিম
জাহানে। বাংলাদেশেও
প্রতিবাদের ঝড় উঠে।
কুরআনের মর্যাদা রক্ষার
আন্দোলনে হাসি মুখে জীবন
দেয় অনেকে।
এখনো কুরআনের
মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন
থেমে নেই, থেমে নেই বাধাও।
মর্যাদা রক্ষার
তাগিদে জীবন বিসর্জন
দিচ্ছেন অনেকে। কুরআনের
অবমাননার প্রতিবাদ
চলবে ততদিন, যতদিন
আল্লাহর
গোলামরা বেঁচে থাকবে। আর
মানুষ এর মান রক্ষায় ব্যর্থ
হলেও আল্লাহ নিজেই এর
রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ
হবেন- “নিশ্চয় কুরআন
আমিই নাজিল করেছি,আর
উহার হেফাজতের দায়িত্ব
আমারই” (সূরা হিজর-৯)।
আমাদের দেশে ঐতিহাসিক
১১ মে কুরআনের
মর্যাদা রক্ষায় মাইলষ্টোন,
ঈমানী চেতনায় উদ্ভাসিত
হবার দিন।
ঐতিহাসিক ঘটনা
এই দিনে কুরআনের
কর্মীদের
কানে ভেসে আসে আবগাপ্লুত
সেই গান-
‘আমি আমার এ দুটি আঁিখ,
কী করে ধরে রাখি
অঝোরে কান্না বেরিয়ে আসে
যখন মাসের পরে মাস
পেরিয়ে ১১মে আসে..।’
আজ সেই ১১ ই মে।
ঐতিহাসিক কুরআন দিবস।
১৯৮৫ সালের এই
দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের
ঈদগাহ ময়দানে সংঘটিত হয়
এক পৈশাচিক, নারকীয়
হত্যাকা-। ১৯৮৫ সালের ১০
এপ্রিল ভারতের দুইজন
উগ্র সাম্প্রদায়িকতাব
াদী নাগরিক পদ্মপল
চোপরা ও শীতল
সিং কুরআনের সকল
আরবী কপি ও অনুবাদ
বাজেয়াপ্ত করার আবেদন
জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি রীট
করে। তারা মহাগ্রন্থ আল
কুরআনের সূরা বাকারার
১৯১ নম্বর আয়াত ও
সূরা তাওবার ৩১ নম্বর
আয়াতের রেফারেন্স
দিয়ে মামলা দায়ের করেছিল।
তাদের বক্তব্য ছিল,
‘কুরআন যেহেতু কাফের
মুশরিকদের বিরুদ্ধে লড়াই
করা ও তাদের হত্যা করার
কথা বলেছে, সেহেতু কুরআন
একটি সাম্প্রদায়িক
উসকানিদাতা গ্রন্থ।’ তাই
একে বাজেয়াপ্ত করার
দাবি তুলে মামলা দায়ের
করে এই দুই পাপিষ্ঠ।
ভারতীয় সংবিধানের ২২৩
নং ধারা সিআরপিসি ১১৫
(ক) ও ২৯৯ (ক)
উদ্ধৃতি দিয়ে তারা কুরআনকে ভারতীয়
সংবিধানবিরোধী বলে উল্লেখ
করে। বলে, এই গ্রন্থ
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্ম
দিতে পারে। বিচারপতি পদ্ম
খস্তগিড় কোন প্রকার
বিচার বিশ্লেষণ
ছাড়া উদ্দেশ্যপ্রণোদি
তভাবে মামলা গ্রহণ করেন।
যদিও ভারতীয়
সংবিধানে ওহি সম্পর্কে ধারণা দেয়া আছে।
তিনি ১২ এপ্রিল এ
বিষয়ে তিন সপ্তাহের
মধ্যে এফিডেভিট প্রদানের
জন্য রাজ্য সরকারের
প্রতি নির্দেশ দেন।
কুরআনকে বাজেয়াপ্ত করার
মামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার
সাথে সাথে কলকাতাসহ
সারাবিশ্বে প্রতিবাদের ঝড়
উঠে। ভারতের
প্রতিবেশী দেশ
হিসেবে আমাদের
দেশে সবখানে এ খবর
ছড়িয়ে পড়ে অগ্নিস্ফুলিঙ্গে
র মত।
১০ মে জুমার নামাজ
শেষে বায়তুল মোকাররম
মসজিদ থেকে হাজার হাজার
ইসলামী ছাত্র-জনতার
মিছিল ও সমাবেশ মিলিত
হলে লাঠিচার্জ
করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ।
কী ভয়াবহ দুঃসাহস!
সরাসরি কুরআনের
বিরুদ্ধে সরকারের
অবস্থান? সারাদেশের মত
চাঁপাইনবাবঞ্জের ঈদগাহ
ময়দানে আয়োজন করা হয়
এক প্রতিবাদ সমাবেশের।
ঘটনার দিন বেলা ১১ টার
সময় সমাবেশের আহবায়ক
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
আলীয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ
মাওলানা হোসাইন
আহমদকে এসপি অফিসে ডেকে সমাবেশ
বন্ধ করার জন্য চাপ
দেয়া হয়। কিন্তু
ইসলামী জনতা দলে দলে আসতে থাকে ঈদগাহ
ময়দানের দিকে। উপায়
না দেখে ঈদগাহ
ময়দানে ১৪৪
ধারা জারি করে প্রশাসন।
“শুধুমাত্র
দোয়া করে জনতাকে শান্ত
করে চলে যাবো”-
নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের
সেই আবেদনও
শুনেনি ম্যাজিষ্ট্রেট
ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা।
এসময় ওয়াহিদুজ্জামান
মোল্লা সেই সুযোগ
না দিয়ে অকথ্য ভাষায়
আগত কুরআন
প্রেমিকদেরকে গালি দিতে থাকে।
এসময়
ইসলামী জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়লে ম্যাজিষ্ট্রেট
ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লার
নির্দেশে এলোপাতাড়ী গুলিবর্ষণ
শুরু করে পুলিশ। পুলিশের
গুলিতে প্রথমেই
মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ১০ম
শ্রেণীর ছাত্রশিবির
কর্মী আব্দুল মতিন।
হাসপাতালে নেয়ার পর
কর্তব্যরত ডাক্তার
তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। এ
ঘটনায় শীষ মোহাম্মদ,
রশিদুল হক, ৮ম শ্রেণীর
ছাত্র সেলিম, সাহাবুদ্দীন,
কৃষক আলতাফুর রহমান
সবুর, রিকশাচালক মোক্তার
হোসেন ও রেলশ্রমিক
নজরুল ইসলাম শহীদ হন।
আহত হন অর্ধ শতাধিক
মানুষ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের
হাসপাতালে তিল ধারণের ঠাঁই
না থাকায় আহতদের
চিকিৎসার জন্য
রাজশাহীতে পাঠানো হয়।
ন্যাক্কারজনকভাব
ে রাজশাহী নেয়ার পথেও
আহতদের উপর পুনরায়
আক্রমণ চালানো হয়।
বাড়ি-বাড়ি তল্লাশির
নামে হয়রানি করা হয়। নতুন
করে পুলিশি নির্যাতনের
পাশাপাশি মামলা দায়ের
করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী পর
দিন ১২ মে সকল
বাধা উপেক্ষা করে কারফিউ
ভেঙ্গে জুমার নামাজের পর
নৃশংস হত্যা বর্বরতার
বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
জানিয়ে শোককে শক্তিতে পরিণত
করতে রাজপথে নেমে পড়ে।
এদিকে সাড়া বাংলাদেশে এমন
নির্যাতন ও হত্যাকান্ডের
প্রতিবাদ জানানো হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের এমন
ঘটনা সারা বিশ্বব্যাপী আালোড়ন
সৃষ্টি করে। ১৩
মে প্রশাসনের রক্তচক্ষু
উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্ত
হরতাল পালন
করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের
কুরআন প্রেমিক মানুষ।
মুসলমানরা বিশ্বব্যাপী এমন
কান্ডজ্ঞানহীন আচরণের
প্রতিবাদে ফেটে পড়লে ভারত
সরকার তটস্থ
হয়ে হাইকোর্টে রায়টি প্রত্যাহারের
নির্দেশ দিলে ১৩
মে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি বিসি বাসকের
আদালতে স্থানান্তরিত
করে এটি খারিজ
করে দেয়া হয়।
কুরআনের অবমাননাকারীদের
বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
করা যেখানে সকল
মুসলমানের কর্তব্য
সেখানে ইসলামী জনতার
উপর গুলিবর্ষণ
করে ইতিহাসের এক
কালো অধ্যায়
রচনা করেছিল বাংলাদেশের
কিছু মুসলমান
নামধারী পুলিশ। বর্বরোচিত
হত্যাকান্ডের
নির্দেশদাতা ম্যাজিষ্ট্রেট
ওয়াহিদুজ্জামান
মোল্লা এখন সরকারের
উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা।
বর্বরোচিত এই
হত্যাকান্ডের
বিচারতো হয়ইনি,
উল্টো হয়রানি করা হয়েছিল
মুসলিম জনতাকে। ২৫ বছর
পার হলেও আজও এ ঘটনার
কোন বিচার হয়নি। শহীদের
রক্তে যারা হলি খেলে আনন্দে আত্মহারা হয়েছিল,
তাদের বিচার যদি এই
দুনিয়ার আদালতে না হয়
তাদের বিচার আখেরাতের
আদালতে হবে এই
ভেবে শান্তনা খুঁজেন শহীদের
স্বজনেরা।
কুরআনের চ্যালেঞ্জ
নানা মুনির নানা মত। তাই এ
ধরাতে কেউ
কারো কথা মানতে বাধ্য নয়।
তাই মানুষের মতবাদ
দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠাও
সম্ভব নয়। তার জন্য
প্রয়োজন সর্বজনগ্রাহ্য
আইন। যেখানে সবার জন্য
সমান অধিকারের
নিশ্চয়তা রয়েছে। মুহাম্মদ
(সঃ) এর পূর্বে যে সকল
নবী ও রাসুলের
কাছে ওহি নাজিল
করা হয়েছিল
পরবর্তী অনুসারীরা নিজেদের
স্বার্থ ও পছন্দ মাফিক
তা কাটছাট করে মানুষের
সামনে উপস্থাপন করেছে।
কিন্তু কুরআন নাজিলের পর
এর পরিবর্তনের জন্য
ইসলাম বিদ্বেষী চক্র
যারপরনাই চেষ্টা করেছে,
কিন্তু সফল হয়নি। ১৪ শ’
বছর পর্যন্ত চেষ্টা করেও
এর কোন
কিনারা তারা করতে পারেনি।
আল্লাহ তা’য়ালা এ
প্রসঙ্গে বলেন-
“উহারা কি দাবী করে যে কুরআন
(আপনার) বানানো?
তোমরা যদি তোমাদের
দাবীতে সত্যবাদী হও
তাহলে একটি সুরা অন্ততঃ তৈরী করে নিয়ে এসো।
আর এ ব্যাপারে আল্লাহ
ব্যতিত যাদের প্রয়োজন
বোধ কর, সাধ্যমত
তাদেরকেও ডেকে আন।
(সূরা ইউনুস-৩৮)।
Abdul Zabbar
Central President
BANGLADESH ISLAMI
CHHATRASHIBIR
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×