খবরটি আজকের দৈনিক আমাদের সময় -এ ছাপা হয়েছে। একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের এমন দয়ালু উদ্যোগ! আর গ্রামীন ব্যাংক নেমেছে তার সাথে। কৃষির ফসল উৎপাদন খাতে ঋণদান না-করে অন্যান্য খাতে গ্রামীন ব্যাংক জড়িত রয়েছে লোকসানের ভয়ে। তার মানে এ-নয় যে, আমাদের কৃষিখাত লাভজনক নয়; আমরাতো কৃষির উপরই সবচেয়ে নির্ভরশীল। কৃষিতে যথাযথ বিনিয়োগ হচ্ছে না, কৃষি-ব্যবস্থার হচ্ছে না আধুনিকীকরণ। গ্রামীন অবকাঠামোয় বাড়ছে না কর্মসংস্থান, ছুটছে মানুষ শহরে। সমস্যার মূলে না গিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবনতাও বাড়ছে দিন দিন। আমরা দেখছি, বহুজাতিকের সমাজসেবা! আর তার সঙ্গী গ্রামীন ব্যাংক!
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
ট্রান্সক্রিয়েশন : তপতী বর্মন
বাংলাদেশের ভিক্ষুকদের জন্য আত্দ-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সুদমুক্ত ঋণ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান 'সিটি গ্রুপ'। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের পথপ্রদর্শক গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে এ প্রকল্পটি পরিচালনা করবে। 4 বছরমেয়াদি এ প্রকল্পে 'সিটি গ্রুপ' গ্রামীণ ব্যাংককে 2 লাখ 50 হাজার মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। ফলে এখানে ভিক্ষুকের সংখ্যাও অধিক। গত বছর পরিচালিত এক সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত 1 কোটি 20 লাখ মানুষের মধ্যে ভিক্ষুকের সংখ্যা প্রায় 27 হাজার। আর এসব ভিক্ষুকের জীবনযাত্রার মান বাড়াতেই 'সিটি গ্রুপ' যৌথভাবে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সিটি গ্রুপ কর্তৃপক্ষ জানায়, এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের 2 হাজার 5শ ভিক্ষুকের আত্দকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান বাড়ানো হবে। প্রতিষ্ঠানটি এ কাজের জন্য গ্রামীণ ব্যাংককে নির্বাচিত করার কারণ প্রসঙ্গে বলে, বিগত 30 বছরে গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের 50 লাখ মানুষের জীবনাযাত্রার মান বৃদ্ধি করেছে এবং বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাংকটির কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
এদিকে, 2002 সাল থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ঢাকার বাইরের 47 হাজার 6শ ভিক্ষুককে ক্ষুদ্র ঋণের আওতায় এনেছে এবং 1 হাজার ভিক্ষুক ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছে। যৌথভাবে পরিচালিত এ প্রকল্পের আওতায় ফল কিংবা সবজি বিক্রি ও পশু পালনের মাধ্যমে ভিক্ষুকদের জীবনযাত্রার মান বাড়ানো হবে।
সূত্র: কলম্বো পেজ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




